ঢাকা ০৩:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

জেলহত্যা দিবসে স্মারক ডাকটিকিট ও ডাটা কার্ড অবমুক্ত

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :  

আজ ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ৭৫ এর ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যার পর জাতির কলংকের ইতিহাসে এটি দ্বিতীয় ঘটনা। দিবসটি স্মরণে ডাক অধিদপ্তর ৫ টাকা মূল্যমানের ৫টি স্মারক ডাকটিকিটের সমন্বয়ে একটি সিটলেট, ১০ টাকা মূল্যমানের একটি উদ্বোধনী খাম, ৫ টাকা মূল্যমানের একটি ডাটা কার্ড ও একটি বিশেষ সিলমোহর প্রকাশ করেছে।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার আজ মঙ্গলবার ঢাকায় তার দপ্তর থেকে স্মারক ডাকটিকিটের সমন্বয়ে সিটলেট ও উদ্বোধনী খাম অবমুক্ত করেন এবং ডাটাকার্ড প্রকাশ করেন। এই উপলেক্ষে একটি বিশেষ সিলমোহর তিনি ব্যবহার করেন। জেল দিবস স্মরণে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত উপলক্ষে মন্ত্রী বিবৃতি দিয়েছেন।

বিবৃতিতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার পর জেল হত্যাকাণ্ড ইতিহাসের কেবলমাত্র আরও একটি পৈশাচিক ও বর্বরোচিত ঘটনাই ছিল না। এটি ছিল জাতির পিতার নেতৃত্বে বাঙালির হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ অর্জন বাংলার স্বাধীনতাকে নস্যাৎ করে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার স্বপ্নকে ধ্বংস করার জন্য দেশি-বিদেশি কুচক্রি মহলের ষড়যন্ত্রের ফসল। ১৫ আগস্ট এবং ৩ নভেম্বরের হৃদয় বিদারক ঘটনা দুটি ছিল বাঙালি জাতিকে কার্যকর নেতৃত্ব থেকে বঞ্চিত করার পরাজিত শক্তির গভীর ষড়যন্ত্রের কুৎসিৎ বাস্তবায়ন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাফা জব্বার জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামানের ভূমিকা তুলে ধরে বলেন, তারা ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরীক্ষিত রাজনৈতিক সহকর্মী। বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের রক্তের সাথে তারা বিশ্বাসঘাতকতা করেননি বলেই ইতিহাসের মীরজাফর রূপী খুনি মোশতাক তাদের বাঁচতে দেয়নি। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে এদেশের স্বাধিকার ও স্বাধীনতা আন্দোলনের পরতে পরতে তাদের ভূমিকা তাদেরকে ইতিহাসে অমরত্ব দান করবে।

জাতীয় চার নেতা বঙ্গবন্ধু, সংবিধানের চার মূল নীতি বাঙালি জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র এবং সমাজতন্ত্রের প্রতি আনুগত্যের যে দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন তা তাদেরকে চির জাগরূক করে রাখবে এই বাংলায়, বাঙালির হৃদয়ে ও মননে যুগ থেকে যুগান্তর, কাল থেকে কালান্তর বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

স্মারক ডাকটিকিট সমন্বয়ে সিটলেট ও উদ্বোধনী খাম ৩ নভেম্বর মঙ্গলবার ঢাকা জিপিও এর ফিলাটেলিক ব্যুরো থেকে বিক্রি করা হবে। পরবর্তীতে অন্যান্য জিপিও ও প্রধান ডাকঘরসহ দেশের সকল ডাকঘর থেকে এ স্মারক ডাকটিকিট, ডাটা কার্ড বিক্রি করা হবে। উদ্বোধনী খামে ব্যবহারের জন্য চারটি জিপিওতে বিশেষ সিলমোহরের ব্যবস্থা আছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

জেলহত্যা দিবসে স্মারক ডাকটিকিট ও ডাটা কার্ড অবমুক্ত

আপডেট সময় ০৯:০৭:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২০

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :  

আজ ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ৭৫ এর ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যার পর জাতির কলংকের ইতিহাসে এটি দ্বিতীয় ঘটনা। দিবসটি স্মরণে ডাক অধিদপ্তর ৫ টাকা মূল্যমানের ৫টি স্মারক ডাকটিকিটের সমন্বয়ে একটি সিটলেট, ১০ টাকা মূল্যমানের একটি উদ্বোধনী খাম, ৫ টাকা মূল্যমানের একটি ডাটা কার্ড ও একটি বিশেষ সিলমোহর প্রকাশ করেছে।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার আজ মঙ্গলবার ঢাকায় তার দপ্তর থেকে স্মারক ডাকটিকিটের সমন্বয়ে সিটলেট ও উদ্বোধনী খাম অবমুক্ত করেন এবং ডাটাকার্ড প্রকাশ করেন। এই উপলেক্ষে একটি বিশেষ সিলমোহর তিনি ব্যবহার করেন। জেল দিবস স্মরণে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত উপলক্ষে মন্ত্রী বিবৃতি দিয়েছেন।

বিবৃতিতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার পর জেল হত্যাকাণ্ড ইতিহাসের কেবলমাত্র আরও একটি পৈশাচিক ও বর্বরোচিত ঘটনাই ছিল না। এটি ছিল জাতির পিতার নেতৃত্বে বাঙালির হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ অর্জন বাংলার স্বাধীনতাকে নস্যাৎ করে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার স্বপ্নকে ধ্বংস করার জন্য দেশি-বিদেশি কুচক্রি মহলের ষড়যন্ত্রের ফসল। ১৫ আগস্ট এবং ৩ নভেম্বরের হৃদয় বিদারক ঘটনা দুটি ছিল বাঙালি জাতিকে কার্যকর নেতৃত্ব থেকে বঞ্চিত করার পরাজিত শক্তির গভীর ষড়যন্ত্রের কুৎসিৎ বাস্তবায়ন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাফা জব্বার জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামানের ভূমিকা তুলে ধরে বলেন, তারা ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরীক্ষিত রাজনৈতিক সহকর্মী। বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের রক্তের সাথে তারা বিশ্বাসঘাতকতা করেননি বলেই ইতিহাসের মীরজাফর রূপী খুনি মোশতাক তাদের বাঁচতে দেয়নি। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে এদেশের স্বাধিকার ও স্বাধীনতা আন্দোলনের পরতে পরতে তাদের ভূমিকা তাদেরকে ইতিহাসে অমরত্ব দান করবে।

জাতীয় চার নেতা বঙ্গবন্ধু, সংবিধানের চার মূল নীতি বাঙালি জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র এবং সমাজতন্ত্রের প্রতি আনুগত্যের যে দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন তা তাদেরকে চির জাগরূক করে রাখবে এই বাংলায়, বাঙালির হৃদয়ে ও মননে যুগ থেকে যুগান্তর, কাল থেকে কালান্তর বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

স্মারক ডাকটিকিট সমন্বয়ে সিটলেট ও উদ্বোধনী খাম ৩ নভেম্বর মঙ্গলবার ঢাকা জিপিও এর ফিলাটেলিক ব্যুরো থেকে বিক্রি করা হবে। পরবর্তীতে অন্যান্য জিপিও ও প্রধান ডাকঘরসহ দেশের সকল ডাকঘর থেকে এ স্মারক ডাকটিকিট, ডাটা কার্ড বিক্রি করা হবে। উদ্বোধনী খামে ব্যবহারের জন্য চারটি জিপিওতে বিশেষ সিলমোহরের ব্যবস্থা আছে।