ঢাকা ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন পোস্টাল ভোট সফল করতে পারলে বাংলাদেশের নাম ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রিতে থাকবে: সিইসি ঢাকায় ফ্ল্যাট পাচ্ছে ওসমান হাদির পরিবার ইসির আচরণ ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক : রিজভী নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ‘না’ ভোট দেওয়া মানেই স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো: শারমীন মুরশিদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার যেকোনো অপচেষ্টা মোকাবিলায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান

পদবি ‘করোনা’, অন্যদের বিশ্বাস করাতে পাসপোর্ট নিয়ে ঘুরছেন এই ব্যক্তি!

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের মহান উক্তি– What’s in a name? অর্থাৎ নামে কী এসে যায়? কিন্তু পদবি যদি ‘করোনা’ হয়? তাহলে বর্তমান সময়ে সত্যিই তাতে সমস্যা হতে পারে! আর সেরকই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন ব্রিটেনের এক ব্যক্তি। পরিস্থিতি এতটাই জটিল লোকজনকে বোঝাতে নিজের পাসপোর্ট এবং ব্যাংকের আইডি সঙ্গে নিয়েই সবসময় ঘুরে বেড়াচ্ছেন ওই ব্যক্তি। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি।

জানা গেছে, ৩৮ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির নাম জিমি করোনা। পেশায় নির্মাণকর্মী। তাদের পারিবারিক পদবিই করোনা। জিমির পূর্বপুরুষ আবার ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর সদস্যও ছিলেন। তার দাদা যোগ দিয়েছিলেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে। বহুদিন বন্দি ছিলেন নাৎসি ক্যাম্পেও। এমন পরিবারের সদস্যকেও এই পদবির জন্যই কার্যত বিপাকে পড়তে হয়েছে।

সমস্যার সূত্রপাত বিশ্বব্যাপী প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণের পর থেকেই। বিশ্বের ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে ব্রিটেন অন্যতম।

এদিকে, সেসময়ের পর থেকে কাউকে নিজের নাম বললেই অস্বস্তিতে পড়তে হচ্ছিল জিমিকে। “সত্যিই কি তোমার পদবি করোনা?” কেউ সোজাসুজি প্রশ্ন করে, তো কেউ আবার এ নিয়ে মজা করতে থাকেন। এর মধ্যে আবার ছেলের চিকিৎসা করাতে গিয়েও বিপাকে পড়েন ওই ব্যক্তি। তাও এই পদবির কারণেই। শেষপর্যন্ত দেখাতে হয় ছেলের জন্মসনদ।

বর্তমানে নিরুপায় হয়ে নিজের পাসপোর্ট এবং ব্যাংকের আইডি সঙ্গে রাখতে শুরু করেছেন জিমি। এক সাক্ষাৎকারে নিজেই সেকথা জানান।

জিমির কথায়, “করোনা মহামারীর পর থেকে কেউই আমাকে যেন বিশ্বাস করত না। যেখানেই যেতাম সবাই আমাকে নিয়ে মজা করত। বিশ্বাস করতে চাইত না করোনা আমার পদবি। তবে বহুদিন ধরে যারা আমায় চিনত, তারা এই নিয়ে কেউ মজা করেনি। তাই আমি এখন পাসপোর্ট এবং ব্যাংকের আইডি সঙ্গে রাখি। কেউ বিশ্বাস না করলে তাকে দেখিয়ে দেই সেটা। সবসময় এভাবে নিজের নাম শুনতে কারোরই ভাল লাগে না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পদবি ‘করোনা’, অন্যদের বিশ্বাস করাতে পাসপোর্ট নিয়ে ঘুরছেন এই ব্যক্তি!

আপডেট সময় ১০:৫৫:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের মহান উক্তি– What’s in a name? অর্থাৎ নামে কী এসে যায়? কিন্তু পদবি যদি ‘করোনা’ হয়? তাহলে বর্তমান সময়ে সত্যিই তাতে সমস্যা হতে পারে! আর সেরকই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন ব্রিটেনের এক ব্যক্তি। পরিস্থিতি এতটাই জটিল লোকজনকে বোঝাতে নিজের পাসপোর্ট এবং ব্যাংকের আইডি সঙ্গে নিয়েই সবসময় ঘুরে বেড়াচ্ছেন ওই ব্যক্তি। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি।

জানা গেছে, ৩৮ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির নাম জিমি করোনা। পেশায় নির্মাণকর্মী। তাদের পারিবারিক পদবিই করোনা। জিমির পূর্বপুরুষ আবার ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর সদস্যও ছিলেন। তার দাদা যোগ দিয়েছিলেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে। বহুদিন বন্দি ছিলেন নাৎসি ক্যাম্পেও। এমন পরিবারের সদস্যকেও এই পদবির জন্যই কার্যত বিপাকে পড়তে হয়েছে।

সমস্যার সূত্রপাত বিশ্বব্যাপী প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণের পর থেকেই। বিশ্বের ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে ব্রিটেন অন্যতম।

এদিকে, সেসময়ের পর থেকে কাউকে নিজের নাম বললেই অস্বস্তিতে পড়তে হচ্ছিল জিমিকে। “সত্যিই কি তোমার পদবি করোনা?” কেউ সোজাসুজি প্রশ্ন করে, তো কেউ আবার এ নিয়ে মজা করতে থাকেন। এর মধ্যে আবার ছেলের চিকিৎসা করাতে গিয়েও বিপাকে পড়েন ওই ব্যক্তি। তাও এই পদবির কারণেই। শেষপর্যন্ত দেখাতে হয় ছেলের জন্মসনদ।

বর্তমানে নিরুপায় হয়ে নিজের পাসপোর্ট এবং ব্যাংকের আইডি সঙ্গে রাখতে শুরু করেছেন জিমি। এক সাক্ষাৎকারে নিজেই সেকথা জানান।

জিমির কথায়, “করোনা মহামারীর পর থেকে কেউই আমাকে যেন বিশ্বাস করত না। যেখানেই যেতাম সবাই আমাকে নিয়ে মজা করত। বিশ্বাস করতে চাইত না করোনা আমার পদবি। তবে বহুদিন ধরে যারা আমায় চিনত, তারা এই নিয়ে কেউ মজা করেনি। তাই আমি এখন পাসপোর্ট এবং ব্যাংকের আইডি সঙ্গে রাখি। কেউ বিশ্বাস না করলে তাকে দেখিয়ে দেই সেটা। সবসময় এভাবে নিজের নাম শুনতে কারোরই ভাল লাগে না।