ঢাকা ০৫:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

পদবি ‘করোনা’, অন্যদের বিশ্বাস করাতে পাসপোর্ট নিয়ে ঘুরছেন এই ব্যক্তি!

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের মহান উক্তি– What’s in a name? অর্থাৎ নামে কী এসে যায়? কিন্তু পদবি যদি ‘করোনা’ হয়? তাহলে বর্তমান সময়ে সত্যিই তাতে সমস্যা হতে পারে! আর সেরকই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন ব্রিটেনের এক ব্যক্তি। পরিস্থিতি এতটাই জটিল লোকজনকে বোঝাতে নিজের পাসপোর্ট এবং ব্যাংকের আইডি সঙ্গে নিয়েই সবসময় ঘুরে বেড়াচ্ছেন ওই ব্যক্তি। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি।

জানা গেছে, ৩৮ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির নাম জিমি করোনা। পেশায় নির্মাণকর্মী। তাদের পারিবারিক পদবিই করোনা। জিমির পূর্বপুরুষ আবার ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর সদস্যও ছিলেন। তার দাদা যোগ দিয়েছিলেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে। বহুদিন বন্দি ছিলেন নাৎসি ক্যাম্পেও। এমন পরিবারের সদস্যকেও এই পদবির জন্যই কার্যত বিপাকে পড়তে হয়েছে।

সমস্যার সূত্রপাত বিশ্বব্যাপী প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণের পর থেকেই। বিশ্বের ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে ব্রিটেন অন্যতম।

এদিকে, সেসময়ের পর থেকে কাউকে নিজের নাম বললেই অস্বস্তিতে পড়তে হচ্ছিল জিমিকে। “সত্যিই কি তোমার পদবি করোনা?” কেউ সোজাসুজি প্রশ্ন করে, তো কেউ আবার এ নিয়ে মজা করতে থাকেন। এর মধ্যে আবার ছেলের চিকিৎসা করাতে গিয়েও বিপাকে পড়েন ওই ব্যক্তি। তাও এই পদবির কারণেই। শেষপর্যন্ত দেখাতে হয় ছেলের জন্মসনদ।

বর্তমানে নিরুপায় হয়ে নিজের পাসপোর্ট এবং ব্যাংকের আইডি সঙ্গে রাখতে শুরু করেছেন জিমি। এক সাক্ষাৎকারে নিজেই সেকথা জানান।

জিমির কথায়, “করোনা মহামারীর পর থেকে কেউই আমাকে যেন বিশ্বাস করত না। যেখানেই যেতাম সবাই আমাকে নিয়ে মজা করত। বিশ্বাস করতে চাইত না করোনা আমার পদবি। তবে বহুদিন ধরে যারা আমায় চিনত, তারা এই নিয়ে কেউ মজা করেনি। তাই আমি এখন পাসপোর্ট এবং ব্যাংকের আইডি সঙ্গে রাখি। কেউ বিশ্বাস না করলে তাকে দেখিয়ে দেই সেটা। সবসময় এভাবে নিজের নাম শুনতে কারোরই ভাল লাগে না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

পদবি ‘করোনা’, অন্যদের বিশ্বাস করাতে পাসপোর্ট নিয়ে ঘুরছেন এই ব্যক্তি!

আপডেট সময় ১০:৫৫:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের মহান উক্তি– What’s in a name? অর্থাৎ নামে কী এসে যায়? কিন্তু পদবি যদি ‘করোনা’ হয়? তাহলে বর্তমান সময়ে সত্যিই তাতে সমস্যা হতে পারে! আর সেরকই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন ব্রিটেনের এক ব্যক্তি। পরিস্থিতি এতটাই জটিল লোকজনকে বোঝাতে নিজের পাসপোর্ট এবং ব্যাংকের আইডি সঙ্গে নিয়েই সবসময় ঘুরে বেড়াচ্ছেন ওই ব্যক্তি। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি।

জানা গেছে, ৩৮ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির নাম জিমি করোনা। পেশায় নির্মাণকর্মী। তাদের পারিবারিক পদবিই করোনা। জিমির পূর্বপুরুষ আবার ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর সদস্যও ছিলেন। তার দাদা যোগ দিয়েছিলেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে। বহুদিন বন্দি ছিলেন নাৎসি ক্যাম্পেও। এমন পরিবারের সদস্যকেও এই পদবির জন্যই কার্যত বিপাকে পড়তে হয়েছে।

সমস্যার সূত্রপাত বিশ্বব্যাপী প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণের পর থেকেই। বিশ্বের ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে ব্রিটেন অন্যতম।

এদিকে, সেসময়ের পর থেকে কাউকে নিজের নাম বললেই অস্বস্তিতে পড়তে হচ্ছিল জিমিকে। “সত্যিই কি তোমার পদবি করোনা?” কেউ সোজাসুজি প্রশ্ন করে, তো কেউ আবার এ নিয়ে মজা করতে থাকেন। এর মধ্যে আবার ছেলের চিকিৎসা করাতে গিয়েও বিপাকে পড়েন ওই ব্যক্তি। তাও এই পদবির কারণেই। শেষপর্যন্ত দেখাতে হয় ছেলের জন্মসনদ।

বর্তমানে নিরুপায় হয়ে নিজের পাসপোর্ট এবং ব্যাংকের আইডি সঙ্গে রাখতে শুরু করেছেন জিমি। এক সাক্ষাৎকারে নিজেই সেকথা জানান।

জিমির কথায়, “করোনা মহামারীর পর থেকে কেউই আমাকে যেন বিশ্বাস করত না। যেখানেই যেতাম সবাই আমাকে নিয়ে মজা করত। বিশ্বাস করতে চাইত না করোনা আমার পদবি। তবে বহুদিন ধরে যারা আমায় চিনত, তারা এই নিয়ে কেউ মজা করেনি। তাই আমি এখন পাসপোর্ট এবং ব্যাংকের আইডি সঙ্গে রাখি। কেউ বিশ্বাস না করলে তাকে দেখিয়ে দেই সেটা। সবসময় এভাবে নিজের নাম শুনতে কারোরই ভাল লাগে না।