ঢাকা ০৪:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্ভুল অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশনা ফ্যামিলি কার্ডে অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী আম্মারসহ শিবির নেতাদের হামলায় আহত ২ শিক্ষার্থী কারাগারে বাংলাদেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক যুক্ত হচ্ছে না: ডা. জাহেদ দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু নির্দোষ হয়েও আমি অপরাধী: আইভী বিনিয়োগ সেবা সহজ করতে ৬৬১.৫ কোটি টাকার ‘বাংলাবিজ’ প্রকল্প সরকারের শুধু আইন করে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়: মির্জা ফখরুল মিরসরাই শিল্পাঞ্চলে ৩০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী তুরস্কের সানকো

পদবি ‘করোনা’, অন্যদের বিশ্বাস করাতে পাসপোর্ট নিয়ে ঘুরছেন এই ব্যক্তি!

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের মহান উক্তি– What’s in a name? অর্থাৎ নামে কী এসে যায়? কিন্তু পদবি যদি ‘করোনা’ হয়? তাহলে বর্তমান সময়ে সত্যিই তাতে সমস্যা হতে পারে! আর সেরকই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন ব্রিটেনের এক ব্যক্তি। পরিস্থিতি এতটাই জটিল লোকজনকে বোঝাতে নিজের পাসপোর্ট এবং ব্যাংকের আইডি সঙ্গে নিয়েই সবসময় ঘুরে বেড়াচ্ছেন ওই ব্যক্তি। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি।

জানা গেছে, ৩৮ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির নাম জিমি করোনা। পেশায় নির্মাণকর্মী। তাদের পারিবারিক পদবিই করোনা। জিমির পূর্বপুরুষ আবার ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর সদস্যও ছিলেন। তার দাদা যোগ দিয়েছিলেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে। বহুদিন বন্দি ছিলেন নাৎসি ক্যাম্পেও। এমন পরিবারের সদস্যকেও এই পদবির জন্যই কার্যত বিপাকে পড়তে হয়েছে।

সমস্যার সূত্রপাত বিশ্বব্যাপী প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণের পর থেকেই। বিশ্বের ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে ব্রিটেন অন্যতম।

এদিকে, সেসময়ের পর থেকে কাউকে নিজের নাম বললেই অস্বস্তিতে পড়তে হচ্ছিল জিমিকে। “সত্যিই কি তোমার পদবি করোনা?” কেউ সোজাসুজি প্রশ্ন করে, তো কেউ আবার এ নিয়ে মজা করতে থাকেন। এর মধ্যে আবার ছেলের চিকিৎসা করাতে গিয়েও বিপাকে পড়েন ওই ব্যক্তি। তাও এই পদবির কারণেই। শেষপর্যন্ত দেখাতে হয় ছেলের জন্মসনদ।

বর্তমানে নিরুপায় হয়ে নিজের পাসপোর্ট এবং ব্যাংকের আইডি সঙ্গে রাখতে শুরু করেছেন জিমি। এক সাক্ষাৎকারে নিজেই সেকথা জানান।

জিমির কথায়, “করোনা মহামারীর পর থেকে কেউই আমাকে যেন বিশ্বাস করত না। যেখানেই যেতাম সবাই আমাকে নিয়ে মজা করত। বিশ্বাস করতে চাইত না করোনা আমার পদবি। তবে বহুদিন ধরে যারা আমায় চিনত, তারা এই নিয়ে কেউ মজা করেনি। তাই আমি এখন পাসপোর্ট এবং ব্যাংকের আইডি সঙ্গে রাখি। কেউ বিশ্বাস না করলে তাকে দেখিয়ে দেই সেটা। সবসময় এভাবে নিজের নাম শুনতে কারোরই ভাল লাগে না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

পদবি ‘করোনা’, অন্যদের বিশ্বাস করাতে পাসপোর্ট নিয়ে ঘুরছেন এই ব্যক্তি!

আপডেট সময় ১০:৫৫:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের মহান উক্তি– What’s in a name? অর্থাৎ নামে কী এসে যায়? কিন্তু পদবি যদি ‘করোনা’ হয়? তাহলে বর্তমান সময়ে সত্যিই তাতে সমস্যা হতে পারে! আর সেরকই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন ব্রিটেনের এক ব্যক্তি। পরিস্থিতি এতটাই জটিল লোকজনকে বোঝাতে নিজের পাসপোর্ট এবং ব্যাংকের আইডি সঙ্গে নিয়েই সবসময় ঘুরে বেড়াচ্ছেন ওই ব্যক্তি। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি।

জানা গেছে, ৩৮ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির নাম জিমি করোনা। পেশায় নির্মাণকর্মী। তাদের পারিবারিক পদবিই করোনা। জিমির পূর্বপুরুষ আবার ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর সদস্যও ছিলেন। তার দাদা যোগ দিয়েছিলেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে। বহুদিন বন্দি ছিলেন নাৎসি ক্যাম্পেও। এমন পরিবারের সদস্যকেও এই পদবির জন্যই কার্যত বিপাকে পড়তে হয়েছে।

সমস্যার সূত্রপাত বিশ্বব্যাপী প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণের পর থেকেই। বিশ্বের ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে ব্রিটেন অন্যতম।

এদিকে, সেসময়ের পর থেকে কাউকে নিজের নাম বললেই অস্বস্তিতে পড়তে হচ্ছিল জিমিকে। “সত্যিই কি তোমার পদবি করোনা?” কেউ সোজাসুজি প্রশ্ন করে, তো কেউ আবার এ নিয়ে মজা করতে থাকেন। এর মধ্যে আবার ছেলের চিকিৎসা করাতে গিয়েও বিপাকে পড়েন ওই ব্যক্তি। তাও এই পদবির কারণেই। শেষপর্যন্ত দেখাতে হয় ছেলের জন্মসনদ।

বর্তমানে নিরুপায় হয়ে নিজের পাসপোর্ট এবং ব্যাংকের আইডি সঙ্গে রাখতে শুরু করেছেন জিমি। এক সাক্ষাৎকারে নিজেই সেকথা জানান।

জিমির কথায়, “করোনা মহামারীর পর থেকে কেউই আমাকে যেন বিশ্বাস করত না। যেখানেই যেতাম সবাই আমাকে নিয়ে মজা করত। বিশ্বাস করতে চাইত না করোনা আমার পদবি। তবে বহুদিন ধরে যারা আমায় চিনত, তারা এই নিয়ে কেউ মজা করেনি। তাই আমি এখন পাসপোর্ট এবং ব্যাংকের আইডি সঙ্গে রাখি। কেউ বিশ্বাস না করলে তাকে দেখিয়ে দেই সেটা। সবসময় এভাবে নিজের নাম শুনতে কারোরই ভাল লাগে না।