ঢাকা ১২:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অর্থের অভাবে কারও চিকিৎসা বন্ধ থাকবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী প্রত্যেক মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে বিএনপি: হাসনাত আবদুল্লাহ দাবানলে ঝুঁকিতে ফ্রান্সের মিসাইল-রকেট মোটর কারখানা, স্পেনও সংকটে ইরানে ভয়াবহ হামলার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প প্রাইম মিনিস্টার্স কাপ শুরু আগামী মাসে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী খাদ্য নিরাপত্তা ও জলবায়ু-সহিষ্ণুতা একসঙ্গে এগিয়ে নিতে হবে: শামা ওবায়েদ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকলে উন্নয়নের গতি বাড়বে: পরিবেশমন্ত্রী শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী ভারত সীমান্তে চীনের রণহুংকার, পাল্টা জবাবে এক দশক পিছিয়ে দিল্লি গ্যাস সংকট স্বাভাবিক হতে লাগবে আরও ১০–১৫ দিন: জ্বালানিমন্ত্রী

পদবি ‘করোনা’, অন্যদের বিশ্বাস করাতে পাসপোর্ট নিয়ে ঘুরছেন এই ব্যক্তি!

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের মহান উক্তি– What’s in a name? অর্থাৎ নামে কী এসে যায়? কিন্তু পদবি যদি ‘করোনা’ হয়? তাহলে বর্তমান সময়ে সত্যিই তাতে সমস্যা হতে পারে! আর সেরকই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন ব্রিটেনের এক ব্যক্তি। পরিস্থিতি এতটাই জটিল লোকজনকে বোঝাতে নিজের পাসপোর্ট এবং ব্যাংকের আইডি সঙ্গে নিয়েই সবসময় ঘুরে বেড়াচ্ছেন ওই ব্যক্তি। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি।

জানা গেছে, ৩৮ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির নাম জিমি করোনা। পেশায় নির্মাণকর্মী। তাদের পারিবারিক পদবিই করোনা। জিমির পূর্বপুরুষ আবার ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর সদস্যও ছিলেন। তার দাদা যোগ দিয়েছিলেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে। বহুদিন বন্দি ছিলেন নাৎসি ক্যাম্পেও। এমন পরিবারের সদস্যকেও এই পদবির জন্যই কার্যত বিপাকে পড়তে হয়েছে।

সমস্যার সূত্রপাত বিশ্বব্যাপী প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণের পর থেকেই। বিশ্বের ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে ব্রিটেন অন্যতম।

এদিকে, সেসময়ের পর থেকে কাউকে নিজের নাম বললেই অস্বস্তিতে পড়তে হচ্ছিল জিমিকে। “সত্যিই কি তোমার পদবি করোনা?” কেউ সোজাসুজি প্রশ্ন করে, তো কেউ আবার এ নিয়ে মজা করতে থাকেন। এর মধ্যে আবার ছেলের চিকিৎসা করাতে গিয়েও বিপাকে পড়েন ওই ব্যক্তি। তাও এই পদবির কারণেই। শেষপর্যন্ত দেখাতে হয় ছেলের জন্মসনদ।

বর্তমানে নিরুপায় হয়ে নিজের পাসপোর্ট এবং ব্যাংকের আইডি সঙ্গে রাখতে শুরু করেছেন জিমি। এক সাক্ষাৎকারে নিজেই সেকথা জানান।

জিমির কথায়, “করোনা মহামারীর পর থেকে কেউই আমাকে যেন বিশ্বাস করত না। যেখানেই যেতাম সবাই আমাকে নিয়ে মজা করত। বিশ্বাস করতে চাইত না করোনা আমার পদবি। তবে বহুদিন ধরে যারা আমায় চিনত, তারা এই নিয়ে কেউ মজা করেনি। তাই আমি এখন পাসপোর্ট এবং ব্যাংকের আইডি সঙ্গে রাখি। কেউ বিশ্বাস না করলে তাকে দেখিয়ে দেই সেটা। সবসময় এভাবে নিজের নাম শুনতে কারোরই ভাল লাগে না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অর্থের অভাবে কারও চিকিৎসা বন্ধ থাকবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

পদবি ‘করোনা’, অন্যদের বিশ্বাস করাতে পাসপোর্ট নিয়ে ঘুরছেন এই ব্যক্তি!

আপডেট সময় ১০:৫৫:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের মহান উক্তি– What’s in a name? অর্থাৎ নামে কী এসে যায়? কিন্তু পদবি যদি ‘করোনা’ হয়? তাহলে বর্তমান সময়ে সত্যিই তাতে সমস্যা হতে পারে! আর সেরকই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন ব্রিটেনের এক ব্যক্তি। পরিস্থিতি এতটাই জটিল লোকজনকে বোঝাতে নিজের পাসপোর্ট এবং ব্যাংকের আইডি সঙ্গে নিয়েই সবসময় ঘুরে বেড়াচ্ছেন ওই ব্যক্তি। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি।

জানা গেছে, ৩৮ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির নাম জিমি করোনা। পেশায় নির্মাণকর্মী। তাদের পারিবারিক পদবিই করোনা। জিমির পূর্বপুরুষ আবার ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর সদস্যও ছিলেন। তার দাদা যোগ দিয়েছিলেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে। বহুদিন বন্দি ছিলেন নাৎসি ক্যাম্পেও। এমন পরিবারের সদস্যকেও এই পদবির জন্যই কার্যত বিপাকে পড়তে হয়েছে।

সমস্যার সূত্রপাত বিশ্বব্যাপী প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণের পর থেকেই। বিশ্বের ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে ব্রিটেন অন্যতম।

এদিকে, সেসময়ের পর থেকে কাউকে নিজের নাম বললেই অস্বস্তিতে পড়তে হচ্ছিল জিমিকে। “সত্যিই কি তোমার পদবি করোনা?” কেউ সোজাসুজি প্রশ্ন করে, তো কেউ আবার এ নিয়ে মজা করতে থাকেন। এর মধ্যে আবার ছেলের চিকিৎসা করাতে গিয়েও বিপাকে পড়েন ওই ব্যক্তি। তাও এই পদবির কারণেই। শেষপর্যন্ত দেখাতে হয় ছেলের জন্মসনদ।

বর্তমানে নিরুপায় হয়ে নিজের পাসপোর্ট এবং ব্যাংকের আইডি সঙ্গে রাখতে শুরু করেছেন জিমি। এক সাক্ষাৎকারে নিজেই সেকথা জানান।

জিমির কথায়, “করোনা মহামারীর পর থেকে কেউই আমাকে যেন বিশ্বাস করত না। যেখানেই যেতাম সবাই আমাকে নিয়ে মজা করত। বিশ্বাস করতে চাইত না করোনা আমার পদবি। তবে বহুদিন ধরে যারা আমায় চিনত, তারা এই নিয়ে কেউ মজা করেনি। তাই আমি এখন পাসপোর্ট এবং ব্যাংকের আইডি সঙ্গে রাখি। কেউ বিশ্বাস না করলে তাকে দেখিয়ে দেই সেটা। সবসময় এভাবে নিজের নাম শুনতে কারোরই ভাল লাগে না।