ঢাকা ০৮:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ঘোষণা ছাড়াই বাংলাদেশে পিয়াজ রফতানি বন্ধ করেছে ভারত

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই বেনাপোল বন্দর দিয়ে বন্ধ হয়ে গেল পিয়াজের আমদানি। আজ সোমবার বিকেলে বাংলাদেশে পিয়াজ রফতানি বন্ধ করে দিয়েছে ভারত। ফলে বেনাপোলের ওপারের পেট্রাপোলে আটকা পড়ে পিয়াজ ভর্তি প্রায় ১৫০টি ট্রাক। একই অবস্থা ভোমরা বন্দরেও। আজ সকাল থেকে ভোমরা বন্দর দিয়ে কোন পিয়াজের গাড়ি বাংলাদেশে প্রবেশ করেনি।

ভারতের একটি সূত্র জানায়, দেশের সকল বন্দর দিয়ে বাংলাদেশে পিয়াজের আমদানি বন্ধ রয়েছে। বেনাপোল বন্দর দিয়ে সকালের দিকে ৫০ মেট্রিক টন পিয়াজ ঢোকার পরপরই দেশের সবগুলো বন্দর দিয়ে পিয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয় ভারতের পিয়াজ রফতানিকারকদের সংগঠন।

বেনাপোলের ওপারে পেট্রাপোল রফতানিকারক সমিতির পক্ষে ব্যবসায়ী কার্তিক ঘোষ বলেন, পিয়াজ রফতানি কারক সমিতি সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতি মেট্রিক টন পিয়াজ ৭৫০ মার্কিন ডলারের নিচে বাংলাদেশে পিয়াজ রফতানি করবে না। সে কারণে অনেকগুলো গাড়ি বর্ডারে দাঁড়িয়ে আছে।

বেনাপোলের পিয়াজ আমদানি কারক রফিকুল ইসলাম রয়েল জানান, ভারতের সাথে আমদানি বাণিজ্য শুরুর পর থেকে প্রতি মেট্রিক টন পিয়াজ ২৫০ মার্কিন ডলারে আমদানি হয়ে আসছে। ভারতের নাসিকে বন্যার কারণে সেখানে পিয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ায় পিয়াজের রফতানিকারকরা স্থানীয় বাজার দর হিসাবে প্রতি মেট্রিক টন পিয়াজ ৭৫০ ডলারের নিচে বাংলাদেশে পিয়াজের রফতানি করবে না। এ কারণে তারা পিয়াজের রফতানি সাময়িক বন্ধ করে দিয়েছে।

ভারতের বনগাঁ এলাকার পিয়াজ ব্যবসায়ী অনিল মজুমদার টেলিফোনে জানান, বাংলাদেশে পিয়াজ রফতানি করতে তাদের আপত্তি নেই। বাজার দরে এলসি পেলে তারা পুনরায় রফতানি শুরু করবে। সে ক্ষেত্রে পুরানো যে সব এলসি দেয়া আছে সেগুলো ২৫০ মার্কিন ডলার সংশোধন করে সংশোধিত মূল্যে এবং নতুন এলসি ৭৫০ মার্কিন ডলার করা হলে পিয়াজের আমদানি প্রক্রিয়া স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

বেনাপোল কাস্টমস হাউজের কমিশনার আজিজুর রহমান বলেন, ভারত কোনো ঘোষণা ছাড়াই মূল্যবৃদ্ধির দাবিতে বাংলাদেশে পিয়াজ রফতানি বন্ধ করে দিয়েছে। পারস্পারিক বাণিজ্যে সমঝোতার বিকল্প নেই। তারা রফতানি বন্ধ না করে পিয়াজের আমাদানিকারকদের সময় বেঁধে দিতে পারতো। হঠাৎ করে এমন সিদ্ধান্তটা নেয়া ঠিক হয়নি।

এদিকে পিয়াজের আমদানি বন্ধের খবরে নড়ে চড়ে বসেছে বেনাপোলের পিয়াজের আমদানিকারক ও পিয়াজ ব্যবসায়িরা। সন্ধ্যার আগেই খুচরো বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৫ টাকা বাড়িয়ে ৬৫ টাকা দরে বিক্রি করতে শোনা গেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ঘোষণা ছাড়াই বাংলাদেশে পিয়াজ রফতানি বন্ধ করেছে ভারত

আপডেট সময় ১০:৫৫:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই বেনাপোল বন্দর দিয়ে বন্ধ হয়ে গেল পিয়াজের আমদানি। আজ সোমবার বিকেলে বাংলাদেশে পিয়াজ রফতানি বন্ধ করে দিয়েছে ভারত। ফলে বেনাপোলের ওপারের পেট্রাপোলে আটকা পড়ে পিয়াজ ভর্তি প্রায় ১৫০টি ট্রাক। একই অবস্থা ভোমরা বন্দরেও। আজ সকাল থেকে ভোমরা বন্দর দিয়ে কোন পিয়াজের গাড়ি বাংলাদেশে প্রবেশ করেনি।

ভারতের একটি সূত্র জানায়, দেশের সকল বন্দর দিয়ে বাংলাদেশে পিয়াজের আমদানি বন্ধ রয়েছে। বেনাপোল বন্দর দিয়ে সকালের দিকে ৫০ মেট্রিক টন পিয়াজ ঢোকার পরপরই দেশের সবগুলো বন্দর দিয়ে পিয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয় ভারতের পিয়াজ রফতানিকারকদের সংগঠন।

বেনাপোলের ওপারে পেট্রাপোল রফতানিকারক সমিতির পক্ষে ব্যবসায়ী কার্তিক ঘোষ বলেন, পিয়াজ রফতানি কারক সমিতি সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতি মেট্রিক টন পিয়াজ ৭৫০ মার্কিন ডলারের নিচে বাংলাদেশে পিয়াজ রফতানি করবে না। সে কারণে অনেকগুলো গাড়ি বর্ডারে দাঁড়িয়ে আছে।

বেনাপোলের পিয়াজ আমদানি কারক রফিকুল ইসলাম রয়েল জানান, ভারতের সাথে আমদানি বাণিজ্য শুরুর পর থেকে প্রতি মেট্রিক টন পিয়াজ ২৫০ মার্কিন ডলারে আমদানি হয়ে আসছে। ভারতের নাসিকে বন্যার কারণে সেখানে পিয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ায় পিয়াজের রফতানিকারকরা স্থানীয় বাজার দর হিসাবে প্রতি মেট্রিক টন পিয়াজ ৭৫০ ডলারের নিচে বাংলাদেশে পিয়াজের রফতানি করবে না। এ কারণে তারা পিয়াজের রফতানি সাময়িক বন্ধ করে দিয়েছে।

ভারতের বনগাঁ এলাকার পিয়াজ ব্যবসায়ী অনিল মজুমদার টেলিফোনে জানান, বাংলাদেশে পিয়াজ রফতানি করতে তাদের আপত্তি নেই। বাজার দরে এলসি পেলে তারা পুনরায় রফতানি শুরু করবে। সে ক্ষেত্রে পুরানো যে সব এলসি দেয়া আছে সেগুলো ২৫০ মার্কিন ডলার সংশোধন করে সংশোধিত মূল্যে এবং নতুন এলসি ৭৫০ মার্কিন ডলার করা হলে পিয়াজের আমদানি প্রক্রিয়া স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

বেনাপোল কাস্টমস হাউজের কমিশনার আজিজুর রহমান বলেন, ভারত কোনো ঘোষণা ছাড়াই মূল্যবৃদ্ধির দাবিতে বাংলাদেশে পিয়াজ রফতানি বন্ধ করে দিয়েছে। পারস্পারিক বাণিজ্যে সমঝোতার বিকল্প নেই। তারা রফতানি বন্ধ না করে পিয়াজের আমাদানিকারকদের সময় বেঁধে দিতে পারতো। হঠাৎ করে এমন সিদ্ধান্তটা নেয়া ঠিক হয়নি।

এদিকে পিয়াজের আমদানি বন্ধের খবরে নড়ে চড়ে বসেছে বেনাপোলের পিয়াজের আমদানিকারক ও পিয়াজ ব্যবসায়িরা। সন্ধ্যার আগেই খুচরো বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৫ টাকা বাড়িয়ে ৬৫ টাকা দরে বিক্রি করতে শোনা গেছে।