ঢাকা ০৭:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ

অনলাইন ব্যবসায়ে নেমেছেন আসিফের ছেলে

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল শপিং মল এবং কাপড়ের দোকান। রোজার ঈদের আগে থেকে অল্প বিস্তরে সেগুলো চালু হলেও দেখা নেই ক্রেতার। করোনা আতঙ্কে অধিকাংশ মানুষই ঘরবন্দি। এ অবস্থায় জনপ্রিয়তা পাচ্ছে অনলাইনে কেনাকাটা। তাই এই ব্যবসার দিকেই ঝুঁকছেন অনেকে। তাদেরই দলে নাম লেখালেন জনপ্রিয় গায়ক আসিফ আকবরের বড় ছেলে রণ। বন্ধুদের সঙ্গে তিনিও শুরু করেছেন অনলাইন ব্যবসায়।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে লম্বা একটি স্ট্যাটাস দিয়ে এই খবরটি গায়ক আসিফই জানিয়েছেন। বাংলা গানের যুবরাজের সেই স্ট্যাটাসটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে দেয়া হল-

‘এই করোনা আমাদের জীবনে এনেছে ব্যাপক পরিবর্তন আর অনিশ্চয়তা। ভাগ্য যাদের সহায় তারা হয়তো ভালো আছে এই দূর্যোগে। যতটুকু খবর জানি সাধারণ মানুষ সংগ্রাম করেই যাচ্ছে, সংগ্রাম করেই টিকে আছে। আমাদের মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে বাজছে বিউগলের করুন সুর। প্রচুর মিউজিশিয়ান ঢাকা ছেড়েছে। চক্ষুলজ্জ্বায় নিরুপায় সাউন্ড লাইটের টেকনিশিয়ানরা। ঋণ করে চলছে জীবনযাপন। তারপরও আবেগী মিউজিশিয়ানরা আঁকড়ে ধরে আছে সংগীত। সুদিনের অপেক্ষায় কাটছে একেকটা অসহ্য প্রহর। আমার আশেপাশেই চলছে অর্থনৈতিক টানাপোড়েনের দাবদাহ।’

‘এর মধ্যে লক্ষ্য করলাম, আমাদের অঙ্গনের কিছু মানুষ অনলাইনে নানানরকম ব্যবসা করে অস্তিত্ব ধরে রাখার চেষ্টা করছে। ফেসবুকে ঘুরে ঘুরে এগুলো দেখে আমার খুব ভালো লেগেছে। হাহুতাশ পার্টি না হয়ে পরিস্থিতি মোকাবেলাকারীরাই আসল যোদ্ধা। আমার কাছে কোনো কর্মই ছোট নয়। আমিও একসময় কঠোর পরিশ্রম করেছি নিজের ভাগ্যেন্নোয়নে, এখনো করি। ভুলে যাওয়া চলবে না সারা পৃথিবী এখন অনলাইনে। পত্রিকা টেলিভিশন গান সিনেমা ব্যবসা বাণিজ্য সব অনলাইনে। দ্বিধা কাটিয়ে সাহস নিয়ে সম্মুখ সমরে নামে আসল যোদ্ধা, বেকারের একমাত্র অস্ত্র সমালোচনা।’

‘আমার বড় ছেলে রণর ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া শেষের দিকে। সে সিদ্ধান্ত নিয়ে বললে পড়াশোনা শেষে জব করবে না, হতে চায় উদ্যোক্তা। আমিতো মহাখুশী। আমার সহজ সরল সত্যবাদী ছেলে আর তার সমমনা বন্ধুরাও শুরু করছে অনলাইন ব্যবসা আর ইভেন্টের কাজ। এই নিয়ে তাদের হোমওয়ার্কও ব্যাপক। আপাতত এক্সপোর্ট কোয়ালিটি পিওর লেদার প্রোডাক্ট তারা দেশে মার্কেটিং করবে। আমার নামেও ব্র্যান্ডিং হবে তাদের পণ্য। আমিও ছেলেকে ফুল সাপোর্ট দিচ্ছি।’

‘এদের প্ল্যান ডিজাইনও চমৎকার। আমি সবসময় কাজে বিশ্বাস করি, আল্লাহর রহমতে এখনো প্রমাণ করে চলছি। আমি তাকে ব্যাকডোরে চুরি শিখানোর দায়িত্ব নেইনি। যারা সৎভাবে বাঁচতে চায় এবং নিজেদের ভবিষ্যত গড়তে চায় তাদের সাহস দিন। আর নয়তো অনেক দূরে গিয়ে সমালোচনা করুন, তাদের সফলতায় নাহলে পরে হয়তো মুখ দেখাতে পারবেন না। আপনার সমালোচনা পরিশ্রমী মেধাবীরা থোড়াই কেয়ার করে। এই দুঃসময়ে যারা টিকে থাকবে ভবিষ্যত তাদেরই’

ভালোবাসা অবিরাম…

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ

অনলাইন ব্যবসায়ে নেমেছেন আসিফের ছেলে

আপডেট সময় ১০:২৩:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২০

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল শপিং মল এবং কাপড়ের দোকান। রোজার ঈদের আগে থেকে অল্প বিস্তরে সেগুলো চালু হলেও দেখা নেই ক্রেতার। করোনা আতঙ্কে অধিকাংশ মানুষই ঘরবন্দি। এ অবস্থায় জনপ্রিয়তা পাচ্ছে অনলাইনে কেনাকাটা। তাই এই ব্যবসার দিকেই ঝুঁকছেন অনেকে। তাদেরই দলে নাম লেখালেন জনপ্রিয় গায়ক আসিফ আকবরের বড় ছেলে রণ। বন্ধুদের সঙ্গে তিনিও শুরু করেছেন অনলাইন ব্যবসায়।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে লম্বা একটি স্ট্যাটাস দিয়ে এই খবরটি গায়ক আসিফই জানিয়েছেন। বাংলা গানের যুবরাজের সেই স্ট্যাটাসটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে দেয়া হল-

‘এই করোনা আমাদের জীবনে এনেছে ব্যাপক পরিবর্তন আর অনিশ্চয়তা। ভাগ্য যাদের সহায় তারা হয়তো ভালো আছে এই দূর্যোগে। যতটুকু খবর জানি সাধারণ মানুষ সংগ্রাম করেই যাচ্ছে, সংগ্রাম করেই টিকে আছে। আমাদের মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে বাজছে বিউগলের করুন সুর। প্রচুর মিউজিশিয়ান ঢাকা ছেড়েছে। চক্ষুলজ্জ্বায় নিরুপায় সাউন্ড লাইটের টেকনিশিয়ানরা। ঋণ করে চলছে জীবনযাপন। তারপরও আবেগী মিউজিশিয়ানরা আঁকড়ে ধরে আছে সংগীত। সুদিনের অপেক্ষায় কাটছে একেকটা অসহ্য প্রহর। আমার আশেপাশেই চলছে অর্থনৈতিক টানাপোড়েনের দাবদাহ।’

‘এর মধ্যে লক্ষ্য করলাম, আমাদের অঙ্গনের কিছু মানুষ অনলাইনে নানানরকম ব্যবসা করে অস্তিত্ব ধরে রাখার চেষ্টা করছে। ফেসবুকে ঘুরে ঘুরে এগুলো দেখে আমার খুব ভালো লেগেছে। হাহুতাশ পার্টি না হয়ে পরিস্থিতি মোকাবেলাকারীরাই আসল যোদ্ধা। আমার কাছে কোনো কর্মই ছোট নয়। আমিও একসময় কঠোর পরিশ্রম করেছি নিজের ভাগ্যেন্নোয়নে, এখনো করি। ভুলে যাওয়া চলবে না সারা পৃথিবী এখন অনলাইনে। পত্রিকা টেলিভিশন গান সিনেমা ব্যবসা বাণিজ্য সব অনলাইনে। দ্বিধা কাটিয়ে সাহস নিয়ে সম্মুখ সমরে নামে আসল যোদ্ধা, বেকারের একমাত্র অস্ত্র সমালোচনা।’

‘আমার বড় ছেলে রণর ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া শেষের দিকে। সে সিদ্ধান্ত নিয়ে বললে পড়াশোনা শেষে জব করবে না, হতে চায় উদ্যোক্তা। আমিতো মহাখুশী। আমার সহজ সরল সত্যবাদী ছেলে আর তার সমমনা বন্ধুরাও শুরু করছে অনলাইন ব্যবসা আর ইভেন্টের কাজ। এই নিয়ে তাদের হোমওয়ার্কও ব্যাপক। আপাতত এক্সপোর্ট কোয়ালিটি পিওর লেদার প্রোডাক্ট তারা দেশে মার্কেটিং করবে। আমার নামেও ব্র্যান্ডিং হবে তাদের পণ্য। আমিও ছেলেকে ফুল সাপোর্ট দিচ্ছি।’

‘এদের প্ল্যান ডিজাইনও চমৎকার। আমি সবসময় কাজে বিশ্বাস করি, আল্লাহর রহমতে এখনো প্রমাণ করে চলছি। আমি তাকে ব্যাকডোরে চুরি শিখানোর দায়িত্ব নেইনি। যারা সৎভাবে বাঁচতে চায় এবং নিজেদের ভবিষ্যত গড়তে চায় তাদের সাহস দিন। আর নয়তো অনেক দূরে গিয়ে সমালোচনা করুন, তাদের সফলতায় নাহলে পরে হয়তো মুখ দেখাতে পারবেন না। আপনার সমালোচনা পরিশ্রমী মেধাবীরা থোড়াই কেয়ার করে। এই দুঃসময়ে যারা টিকে থাকবে ভবিষ্যত তাদেরই’

ভালোবাসা অবিরাম…