ঢাকা ০৩:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বছর শেষেই বাজারে আসছে চীনের করোনা ভ্যাকসিন

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

করোনার গ্রাসে গোটা বিশ্ব। সংক্রমণের প্রকোপ থেকে বাঁচতে বিশ্বের একাধিক দেশ করোনার টিকা তৈরির কাজে ব্যস্ত। পিছিয়ে নেই চীনও।

চীনের সরকারি একটি ওষুধ সংস্থার প্রধান জানিয়েছেন, তাদের তৈরি করোনা প্রতিষেধক চলতি বছরের শেষ দিকে বাজারে পাওয়া যাবে।

চিনের সিনোফার্ম নামে ওই সংস্থার চেয়ারম্যান লিউ জিংজেন চীনা কমিউনিস্ট পার্টির সংবাদপত্রকে বলেছেন, এই ভ্যাকসিনটির জন্য এক হাজার ইউয়ানের কম খরচ হবে। ২৮ দিনের ব্যবধানে ভ্যাকসিনের দু’টি ডোজ দেওয়া হবে।
বিশ্বের অন্য বেশ কয়েকটি দেশের পাশাপাশি যুদ্ধকালীন তৎপরতায় করোনার ভ্যাকসিন তৈরির কাজ চালাচ্ছে চীন।

চীনের সিনোফার্ম নামে ওই ওষুধ সংস্থার প্রধানের মতে, ‘করোনার প্রতিষেধক তৈরি হয়ে গেলে প্রথমেই দেশের বড় শহরগুলোর শিক্ষার্থী ও শ্রমিকদের ভ্যাকসিন খাওয়ানো দরকার। আমাদের দেশের ১.৪ বিলিয়ন লোকের সবাইকেই এটি গ্রহণ করতে হবে না।’’

চীনের সরকারি সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই সে দেশের গবেষক ও প্রশাসনের একাধিক শীর্ষকর্তাকে ভ্যাকসিনের ডোজ দেওয়া হয়েছে। নোভেল করোনাভাইরাস নিয়ে এখনও চরম উদ্বেগে চীনা প্রশাসন। মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত চীনে নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৮৪ হাজার ৮৭১।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বছর শেষেই বাজারে আসছে চীনের করোনা ভ্যাকসিন

আপডেট সময় ০১:১৮:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

করোনার গ্রাসে গোটা বিশ্ব। সংক্রমণের প্রকোপ থেকে বাঁচতে বিশ্বের একাধিক দেশ করোনার টিকা তৈরির কাজে ব্যস্ত। পিছিয়ে নেই চীনও।

চীনের সরকারি একটি ওষুধ সংস্থার প্রধান জানিয়েছেন, তাদের তৈরি করোনা প্রতিষেধক চলতি বছরের শেষ দিকে বাজারে পাওয়া যাবে।

চিনের সিনোফার্ম নামে ওই সংস্থার চেয়ারম্যান লিউ জিংজেন চীনা কমিউনিস্ট পার্টির সংবাদপত্রকে বলেছেন, এই ভ্যাকসিনটির জন্য এক হাজার ইউয়ানের কম খরচ হবে। ২৮ দিনের ব্যবধানে ভ্যাকসিনের দু’টি ডোজ দেওয়া হবে।
বিশ্বের অন্য বেশ কয়েকটি দেশের পাশাপাশি যুদ্ধকালীন তৎপরতায় করোনার ভ্যাকসিন তৈরির কাজ চালাচ্ছে চীন।

চীনের সিনোফার্ম নামে ওই ওষুধ সংস্থার প্রধানের মতে, ‘করোনার প্রতিষেধক তৈরি হয়ে গেলে প্রথমেই দেশের বড় শহরগুলোর শিক্ষার্থী ও শ্রমিকদের ভ্যাকসিন খাওয়ানো দরকার। আমাদের দেশের ১.৪ বিলিয়ন লোকের সবাইকেই এটি গ্রহণ করতে হবে না।’’

চীনের সরকারি সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই সে দেশের গবেষক ও প্রশাসনের একাধিক শীর্ষকর্তাকে ভ্যাকসিনের ডোজ দেওয়া হয়েছে। নোভেল করোনাভাইরাস নিয়ে এখনও চরম উদ্বেগে চীনা প্রশাসন। মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত চীনে নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৮৪ হাজার ৮৭১।