ঢাকা ০৪:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বাহাত্তরের সংবিধান থেকেই ফ্যাসিবাদের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল: ড. দিলারা চৌধুরী দলীয় পদধারীদের নিয়োগ দিলে গণতন্ত্র অবশিষ্ট থাকে না: আখতার হোসেন তিন সীমান্তে ২২ জনকে পুশইন চেষ্টা নস্যাৎ বিজিবির ভালো কাজ না করলে সমর্থনের প্রয়োজন নেই: সারজিস দেশের প্রথম কমিউনিটিভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রকল্পে ১০০০ ফাউন্ডারের হাতে জমির দলিল শাহজালাল বিমানবন্দর কার্গো ভিলেজের পাশে আগুন জুলাই সনদে ফাঁকফোকর ছিল: মান্না ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ থেকে কর্নেল অলির ‘হুংকার’ তৃণমূল সংগঠনের খোঁজ-খবর ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বছর শেষেই বাজারে আসছে চীনের করোনা ভ্যাকসিন

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

করোনার গ্রাসে গোটা বিশ্ব। সংক্রমণের প্রকোপ থেকে বাঁচতে বিশ্বের একাধিক দেশ করোনার টিকা তৈরির কাজে ব্যস্ত। পিছিয়ে নেই চীনও।

চীনের সরকারি একটি ওষুধ সংস্থার প্রধান জানিয়েছেন, তাদের তৈরি করোনা প্রতিষেধক চলতি বছরের শেষ দিকে বাজারে পাওয়া যাবে।

চিনের সিনোফার্ম নামে ওই সংস্থার চেয়ারম্যান লিউ জিংজেন চীনা কমিউনিস্ট পার্টির সংবাদপত্রকে বলেছেন, এই ভ্যাকসিনটির জন্য এক হাজার ইউয়ানের কম খরচ হবে। ২৮ দিনের ব্যবধানে ভ্যাকসিনের দু’টি ডোজ দেওয়া হবে।
বিশ্বের অন্য বেশ কয়েকটি দেশের পাশাপাশি যুদ্ধকালীন তৎপরতায় করোনার ভ্যাকসিন তৈরির কাজ চালাচ্ছে চীন।

চীনের সিনোফার্ম নামে ওই ওষুধ সংস্থার প্রধানের মতে, ‘করোনার প্রতিষেধক তৈরি হয়ে গেলে প্রথমেই দেশের বড় শহরগুলোর শিক্ষার্থী ও শ্রমিকদের ভ্যাকসিন খাওয়ানো দরকার। আমাদের দেশের ১.৪ বিলিয়ন লোকের সবাইকেই এটি গ্রহণ করতে হবে না।’’

চীনের সরকারি সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই সে দেশের গবেষক ও প্রশাসনের একাধিক শীর্ষকর্তাকে ভ্যাকসিনের ডোজ দেওয়া হয়েছে। নোভেল করোনাভাইরাস নিয়ে এখনও চরম উদ্বেগে চীনা প্রশাসন। মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত চীনে নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৮৪ হাজার ৮৭১।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

বছর শেষেই বাজারে আসছে চীনের করোনা ভ্যাকসিন

আপডেট সময় ০১:১৮:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

করোনার গ্রাসে গোটা বিশ্ব। সংক্রমণের প্রকোপ থেকে বাঁচতে বিশ্বের একাধিক দেশ করোনার টিকা তৈরির কাজে ব্যস্ত। পিছিয়ে নেই চীনও।

চীনের সরকারি একটি ওষুধ সংস্থার প্রধান জানিয়েছেন, তাদের তৈরি করোনা প্রতিষেধক চলতি বছরের শেষ দিকে বাজারে পাওয়া যাবে।

চিনের সিনোফার্ম নামে ওই সংস্থার চেয়ারম্যান লিউ জিংজেন চীনা কমিউনিস্ট পার্টির সংবাদপত্রকে বলেছেন, এই ভ্যাকসিনটির জন্য এক হাজার ইউয়ানের কম খরচ হবে। ২৮ দিনের ব্যবধানে ভ্যাকসিনের দু’টি ডোজ দেওয়া হবে।
বিশ্বের অন্য বেশ কয়েকটি দেশের পাশাপাশি যুদ্ধকালীন তৎপরতায় করোনার ভ্যাকসিন তৈরির কাজ চালাচ্ছে চীন।

চীনের সিনোফার্ম নামে ওই ওষুধ সংস্থার প্রধানের মতে, ‘করোনার প্রতিষেধক তৈরি হয়ে গেলে প্রথমেই দেশের বড় শহরগুলোর শিক্ষার্থী ও শ্রমিকদের ভ্যাকসিন খাওয়ানো দরকার। আমাদের দেশের ১.৪ বিলিয়ন লোকের সবাইকেই এটি গ্রহণ করতে হবে না।’’

চীনের সরকারি সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই সে দেশের গবেষক ও প্রশাসনের একাধিক শীর্ষকর্তাকে ভ্যাকসিনের ডোজ দেওয়া হয়েছে। নোভেল করোনাভাইরাস নিয়ে এখনও চরম উদ্বেগে চীনা প্রশাসন। মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত চীনে নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৮৪ হাজার ৮৭১।