আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
তৃতীয় বিয়ে করায় নেত্রকোনার মদন শাখার সোনালী ব্যাংকের ক্যাশিয়ার সুলতান মাহমুদকে পানিতে ঝলসে দিয়েছে তার প্রথম স্ত্রী। এ অভিযোগে পুলিশ তিন সন্তানের জননী নাসিমা আক্তার (৩৫)-কে আটক করে কোর্টে প্রেরণ করেছে। আর ঝলসে যাওয়া সুলতানকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মদন থানার ওসি মো. রমিজুল হক জানান, মদন সোনালী ব্যাংক শাখার সিনিয়ির অফিসার (ক্যাশ) পদে কর্মরত সুলতান মাহমুদ। তিনি মদন পৌর এলাকার বাড়িভাদেরা আক্কাস মাস্টারের ভাড়া বাসায় থাকেন। তার বাড়ি টাঙ্গাইলের মধুপুরে। তিনি প্রথমে তিন সন্তানের জননী নাসিমা আক্তারকে নড়াইল জেলার লোহাগড়া থেকে ভাগিয়ে নিয়ে আসেন। পরবর্তীতে আরও দুটো বিয়ে করেন। শেষ গত শুক্রবারে আরেকটি বিয়ে করেলে এ নিয়ে তাদের মধ্যে দ্বন্দের দেখা দেয়।
তিনি আরও জানান, গত বুধবার রাতে অধিক গরমে খাবার খেয়ে মেঝেতে পাটি বিছিয়ে শুতে যান সুলতান। প্রথম স্ত্রীর ১২ বছরের ছেলে রিফাত ঘরে বই পড়ায় তিনি কিছুক্ষণ মেঝেতে শুয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। এমন সময় স্ত্রী নাসিমা আক্তার পাতিল থেকে প্লাস্টিকের মগে ঢেলে স্বামীর শরীরে গরম পানি ছুড়ে মারেন। এতে তার শরীরে ৩০ ভাগ পুড়ে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে নাসিমাক আটক করা হয়। এদিকে স্থানীয়দের সহযোগীতায় সুলতান মাহমুদকে প্রথমে মদন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়। পরবর্তীতে ময়মনসিংহে পাঠানো হয়।
তিনি বলেন, এ ব্যাপারে কেউ অভিযোগ না করলেও ঘটনাস্থল থেকে নাসিমাকে আটক করা হয়। থানায় নিয়ে আসলে তিনি নিজেই কি করে পানি ঢেলেছেন তার বর্ণনা দেন। পরবর্তীতে ৫৪ ধারায় আজ বৃহস্পতিবার সকালে তাকে কোর্টে সোপর্দ করা হয়। এদিকে বাসার সকল জিনিস পাটি, মগ পাতিল জব্দ করে রাখা হয়েছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























