ঢাকা ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

করোনায় ন্যাশনাল লাইফের সিইও’র মৃত্যু

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বেসরকারি জীবন বিমা কোম্পানি ন্যাশনাল লাইফের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জামাল এম এ নাসের মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

রবিবার রাজধানীর গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ন্যাশনাল লাইফের জনসংযোগ কর্মকর্তা আমির হোসেন জনি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জামাল এম এ নাসের বিমা খাতের প্রথম সিইও যিনি করোনায় মারা গেলেন। এর আগে জেনিথ ইসলামি লাইফের সিইও এস এম নুরুজ্জামান করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। তবে তিনি সুস্থ হয়ে উঠছেন।

গত ১২ জুন করোনায় আক্রান্ত হয়ে ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা জামাল এম এ নাসের হাসপাতালে ভর্তি হন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি আজ মারা যান।

বিমা শিল্পে দক্ষ ব্যক্তিত্ব হিসেবে সুপরিচিত জামাল এম এ নাসের ২০১১ সালে ন্যাশনাল লাইফে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে যোগদান করেন। ২০১২ সাল থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত প্রায় আট বছর কোম্পানিটির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বৈরাচার কোনোভাবেই যেন ফিরে আসতে না পারে: ডা. জাহিদ

করোনায় ন্যাশনাল লাইফের সিইও’র মৃত্যু

আপডেট সময় ০৮:০০:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বেসরকারি জীবন বিমা কোম্পানি ন্যাশনাল লাইফের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জামাল এম এ নাসের মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

রবিবার রাজধানীর গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ন্যাশনাল লাইফের জনসংযোগ কর্মকর্তা আমির হোসেন জনি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জামাল এম এ নাসের বিমা খাতের প্রথম সিইও যিনি করোনায় মারা গেলেন। এর আগে জেনিথ ইসলামি লাইফের সিইও এস এম নুরুজ্জামান করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। তবে তিনি সুস্থ হয়ে উঠছেন।

গত ১২ জুন করোনায় আক্রান্ত হয়ে ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা জামাল এম এ নাসের হাসপাতালে ভর্তি হন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি আজ মারা যান।

বিমা শিল্পে দক্ষ ব্যক্তিত্ব হিসেবে সুপরিচিত জামাল এম এ নাসের ২০১১ সালে ন্যাশনাল লাইফে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে যোগদান করেন। ২০১২ সাল থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত প্রায় আট বছর কোম্পানিটির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।