ঢাকা ০৬:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ

নয় ব্যাংকের করপোরেট কর বাড়ছে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

২০১৩ সালের পরে অনুমোদনপ্রাপ্ত ও পুঁজিবাজার বহির্ভূত নয় ব্যাংকের করপোরেট কর বাড়ছে। আট বছর সময় দেওয়ার পরেও ব্যাংকগুলো পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে না পারায় তাদের এখন থেকে ৪০ শতাংশ করপোরেট কর দিতে হবে।

আগামী ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে এ প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরে ব্যাংকগুলো বিশেষ ছাড়ে ৩৭ দশমিক ৫ শতাংশ করপোরেট কর দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল। নতুন বাজেটে সেই সুযোগ তুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে কোনো পরিবর্তন না এলে পুঁজিবাজারের বাইরে থাকায় এসব ব্যাংকে ৪০ শতাংশ কর দিতে হবে।

প্রস্তাবিত বাজেটে বলা হয়, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত নয় এমন ব্যাংকসহ বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান করপোরেট কর দিতে হবে ৪০ শতাংশ। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ও মার্চেন্ট ব্যাংকের জন্য এই হার ৩৭ দশমিক ৫ শতাংশ।

দেশে বর্তমানে মোট ৬০টি ব্যাংকের কার্যক্রম চলছে। এর মধ্যে বর্তমান সরকারের মেয়াদে ২৪টি নতুন ব্যাংক অনুমোদন পায়। ২০১৩ সালে অনুমোদিত নয়টি ব্যাংকের মধ্যে ৬টি দেশীয় উদ্যোক্তাদের মালিকানাধীন। সেগুলো হলো- মেঘনা, মধুমতি, মিডল্যান্ড, পদ্মা (ফারমার্স ব্যাংক) ইউনিয়ন ও সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক। অন্য তিনটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মালিকানাধীন এনআরবি, এনআরবি গ্লোবাল ও এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক।

এরপর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সীমান্ত ব্যাংক ও পুলিশের কমিউনিটি ব্যাংক কার্যক্রম শুরু করে। সবশেষ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বেঙ্গল কমার্শিয়াল, পিপলস ও সিটিজেন ব্যাংককে। এই তিনটি ব্যাংক এখনো কার্যক্রম শুরুর অপেক্ষায় রয়েছে।

সূত্র জানায়, ২০১৩ সালে অনুমোদিত ব্যাংকগুলোর লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রধান শর্ত ছিল তিন বছরের মধ্যে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া। কিন্তু আট বছর পেরিয়ে গেলেও ব্যাংকগুলোর কোনোটি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়নি। তবে কোনো কোনো ব্যাংক এ মুহূর্তে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হতে অনাগ্রহ দেখাচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ

নয় ব্যাংকের করপোরেট কর বাড়ছে

আপডেট সময় ০৬:৪৯:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

২০১৩ সালের পরে অনুমোদনপ্রাপ্ত ও পুঁজিবাজার বহির্ভূত নয় ব্যাংকের করপোরেট কর বাড়ছে। আট বছর সময় দেওয়ার পরেও ব্যাংকগুলো পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে না পারায় তাদের এখন থেকে ৪০ শতাংশ করপোরেট কর দিতে হবে।

আগামী ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে এ প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরে ব্যাংকগুলো বিশেষ ছাড়ে ৩৭ দশমিক ৫ শতাংশ করপোরেট কর দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল। নতুন বাজেটে সেই সুযোগ তুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে কোনো পরিবর্তন না এলে পুঁজিবাজারের বাইরে থাকায় এসব ব্যাংকে ৪০ শতাংশ কর দিতে হবে।

প্রস্তাবিত বাজেটে বলা হয়, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত নয় এমন ব্যাংকসহ বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান করপোরেট কর দিতে হবে ৪০ শতাংশ। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ও মার্চেন্ট ব্যাংকের জন্য এই হার ৩৭ দশমিক ৫ শতাংশ।

দেশে বর্তমানে মোট ৬০টি ব্যাংকের কার্যক্রম চলছে। এর মধ্যে বর্তমান সরকারের মেয়াদে ২৪টি নতুন ব্যাংক অনুমোদন পায়। ২০১৩ সালে অনুমোদিত নয়টি ব্যাংকের মধ্যে ৬টি দেশীয় উদ্যোক্তাদের মালিকানাধীন। সেগুলো হলো- মেঘনা, মধুমতি, মিডল্যান্ড, পদ্মা (ফারমার্স ব্যাংক) ইউনিয়ন ও সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক। অন্য তিনটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মালিকানাধীন এনআরবি, এনআরবি গ্লোবাল ও এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক।

এরপর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সীমান্ত ব্যাংক ও পুলিশের কমিউনিটি ব্যাংক কার্যক্রম শুরু করে। সবশেষ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বেঙ্গল কমার্শিয়াল, পিপলস ও সিটিজেন ব্যাংককে। এই তিনটি ব্যাংক এখনো কার্যক্রম শুরুর অপেক্ষায় রয়েছে।

সূত্র জানায়, ২০১৩ সালে অনুমোদিত ব্যাংকগুলোর লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রধান শর্ত ছিল তিন বছরের মধ্যে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া। কিন্তু আট বছর পেরিয়ে গেলেও ব্যাংকগুলোর কোনোটি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়নি। তবে কোনো কোনো ব্যাংক এ মুহূর্তে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হতে অনাগ্রহ দেখাচ্ছে।