ঢাকা ০২:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

আধুনিক কর্মক্ষেত্র সর্ম্পকে ধারণা পেলেন বিসিএস সদস্যরা

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের আওতায় ‘ইন্ট্রোডাকশন টু মডার্ন ওয়ার্কপ্লেস’ শীর্ষক একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করে।

১০ জুন বুধবার সন্ধ্যা সাতটায় অনলাইনে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বিসিএস এর যুগ্ম মহাসচিব মো. মুজাহিদ আল বেরুনী সুজনের পিতা ডা. মো. আমিন উদ্দিনের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে সভার সূচনা করেন বিসিএস মহাসচিব মহাসচিব মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল (বিপিসি) এর কো-অর্ডিনেটর ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এ.এইচ.এম. শফিকুজ্জামান। তিনি বলেন, মডার্ন ওয়ার্কপ্লেসের ধারণা অনেক আগে থেকেই চলে এসেছে। মানুষ প্রতিনিয়ত তার কর্মক্ষেত্রকে যুগোপযোগী করতে প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে যাচ্ছে। বাসায় বসে অফিসের কাজ এমন ধারণা একসময় অমূলক থাকলেও গত দশকে আমরা এর আমূল পরিবর্তন দেখেছি। গুগল, ফেসবুক, মাইক্রোসফটসহ যতো নামকরা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান রয়েছে, তারা বহু আগে থেকেই বাসায় বসে কর্মীদের কাজের সুবিধা দিয়ে যাচ্ছে। তবে বাসায় বসলেইতো আর হবে না। কাজ করার জন্য আপনার বাসার বসার ঘরে আপনার সুযোগ সুবিধা কতটা প্রশস্ত তাও দেখতে হবে। আজকের কর্মসূচিটি সংকটকালীন সময়ে কীভাবে প্রতিষ্ঠানকে সচল রেখে ব্যবসাকে গতিময় করা যাবে তার উপর এক চমৎকার উপস্থান। আমি আশা করি প্রযুক্তি ব্যবসায়ীরা এই প্রশিক্ষণে উপকৃতহ হবেন।

বিসিএস সভাপতি মো. শাহিদ-উল-মুনীর বলেন, করোনাকালীন সময়ে আমরা বাসায় বসে কীভাবে অফিসের কাজ করতে হয় তার একটি ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পেয়েছি। একজন ব্যাংকারের জন্য একটা সময় অফিস ছাড়া কাজ করার সুযোগ ছিল না। তথ্যপ্রযুক্তির কল্যাণে আমরা এখন সহজেই বাসাকে অফিসে রুপান্তর করতে পারি। দরকার অফিসকে পরিচালনা করার প্রযুক্তি জ্ঞান। প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে বাসায় বসে নিজের কর্মক্ষেত্রকে সর্বোচ্চ সেবা দিতে যেসব তথ্য এবং অ্যাপসের দরকার হয় এই প্রশিক্ষণে আমাদের সদস্যরা সেসম্পর্কে একটি স্বচ্ছ ধারণা অর্জন করতে পারবেন। বিসিএস এই সেশনে মোট ৮টি প্রশিক্ষণ কর্মসূচী এবং একটি আলোচনা সভা অনলাইনে সম্পাদন করেছে। এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করতে বিসিএস এর কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যসহ অংশগহণকারী সকল অতিথি এবং বিসিএস সদস্যদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞ্যাপন করছি। সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে আমাদের এই ধরণের কর্মসূচী চলমান থাকবে।

বিসিএস যুগ্ম মহাসচিব মো. মুজাহিদ আল বেরুনী সুজন এর সঞ্চালনায় প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বিসিএস এর সহসভাপতি মো. জাবেদুর রহমান শাহীন, কোষাধ্যক্ষ মো.কামরুজ্জামান ভূঁইয়া এবং পরিচালক মো. রাশেদ আলী ভূঁঞা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বিসিএস এর প্রাক্তন সভাপতি এস এম ইকবাল, গ্লোবাল ব্র্যান্ড প্রাইভেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান এএসএম আবদুল ফাত্তাহ, স্মার্ট টেকনোলজিস এর পরিচালক জাফর আহমেদ এবং রায়ান্স কম্পিউটারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ হাসান জুয়েল ‘মডার্ন ওয়ার্কপ্লেস’ সম্পর্কে নিজেদের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করেন স্মার্ট টেকনোলোজিস বিডি লিমিটেডের সফটওয়্যার বিজনেস এর প্রধান মো. মিরসাদ হোসাইন। অনলাইনে প্রায় তিন শতাধিক বিসিএস সদস্য এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণ কর্মসূচিটি বিসিএস এর ফেসবুক পেজে প্রচারিত হয়। এসময় প্রায় ২ হাজার দর্শনার্থী প্রশিক্ষণ কর্মসূচিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উপভোগ করেন।

‘মডার্ন ওয়ার্কপ্লেস’ সম্পর্কে সম্যক ধারণা দিয়ে মো. মিরসাদ হোসাইন বলেন, মডার্ন ওয়ার্ক বিষয়টা হলো নির্দিষ্ট কাজের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে কাজে গতিশীলতা বাড়িয়ে দেয়া। ধরেন, একটা মানুষ পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর এবং দক্ষিণে ১ কিলোমিটির (কি.মি.) করে দৌঁড়াতে পারবে। এতে একটি কাজে যতো গতি দেয়া যায় তারচেয়ে নির্দিষ্ট একটি দিকে ৪ কি.মি. দৌঁড়ালে ফলাফলে যে পার্থক্যটা আসবে সেটি কাজের সফলতার বহিঃপ্রকাশ। মডার্ন ওয়ার্কপ্লেসে রাইট টুল পছন্দ করাটা গুরুত্বপূর্ণ। আপনি আপনার সহায়ক যে টুলগুলো ব্যবহার করবেন তার সঠিক ব্যবহার করতে পারলে কাজ সহজ এবং গতিময় হবে।একজন বিজয়ী এবং বিজীত একসঙ্গেই কাজ শুরু করেন। কিন্তু বিজয়ী লক্ষ্য ঠিক করে সেখানে পৌঁছাতে সাথে সাথেই কাজে যুক্ত হয় কিন্তু বিজীত সেই কাজটি করেন না বলেই প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে যান।

আড়াই ঘণ্টার সেশনে তিনি ‘ইন্ট্রোডাকশন টু মডার্ন ওয়ার্কপ্লেস’ সম্পর্কে দর্শনার্থীদের একটি স্বচ্ছ ধারণা প্রদান করেন।প্রশিক্ষণ কর্মসূচীতে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. আবু ইউসুফ।বিসিএস শাখা কমিটির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এবং সদস্য প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদেরসহ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী সকল সদস্যদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বিসিএস যুগ্ম মহাসচিব মো. মুজাহিদ আল বেরুনী সুজন।

প্রসঙ্গত, আইসিটি বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

আধুনিক কর্মক্ষেত্র সর্ম্পকে ধারণা পেলেন বিসিএস সদস্যরা

আপডেট সময় ১০:০৭:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২০

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের আওতায় ‘ইন্ট্রোডাকশন টু মডার্ন ওয়ার্কপ্লেস’ শীর্ষক একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করে।

১০ জুন বুধবার সন্ধ্যা সাতটায় অনলাইনে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বিসিএস এর যুগ্ম মহাসচিব মো. মুজাহিদ আল বেরুনী সুজনের পিতা ডা. মো. আমিন উদ্দিনের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে সভার সূচনা করেন বিসিএস মহাসচিব মহাসচিব মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল (বিপিসি) এর কো-অর্ডিনেটর ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এ.এইচ.এম. শফিকুজ্জামান। তিনি বলেন, মডার্ন ওয়ার্কপ্লেসের ধারণা অনেক আগে থেকেই চলে এসেছে। মানুষ প্রতিনিয়ত তার কর্মক্ষেত্রকে যুগোপযোগী করতে প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে যাচ্ছে। বাসায় বসে অফিসের কাজ এমন ধারণা একসময় অমূলক থাকলেও গত দশকে আমরা এর আমূল পরিবর্তন দেখেছি। গুগল, ফেসবুক, মাইক্রোসফটসহ যতো নামকরা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান রয়েছে, তারা বহু আগে থেকেই বাসায় বসে কর্মীদের কাজের সুবিধা দিয়ে যাচ্ছে। তবে বাসায় বসলেইতো আর হবে না। কাজ করার জন্য আপনার বাসার বসার ঘরে আপনার সুযোগ সুবিধা কতটা প্রশস্ত তাও দেখতে হবে। আজকের কর্মসূচিটি সংকটকালীন সময়ে কীভাবে প্রতিষ্ঠানকে সচল রেখে ব্যবসাকে গতিময় করা যাবে তার উপর এক চমৎকার উপস্থান। আমি আশা করি প্রযুক্তি ব্যবসায়ীরা এই প্রশিক্ষণে উপকৃতহ হবেন।

বিসিএস সভাপতি মো. শাহিদ-উল-মুনীর বলেন, করোনাকালীন সময়ে আমরা বাসায় বসে কীভাবে অফিসের কাজ করতে হয় তার একটি ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পেয়েছি। একজন ব্যাংকারের জন্য একটা সময় অফিস ছাড়া কাজ করার সুযোগ ছিল না। তথ্যপ্রযুক্তির কল্যাণে আমরা এখন সহজেই বাসাকে অফিসে রুপান্তর করতে পারি। দরকার অফিসকে পরিচালনা করার প্রযুক্তি জ্ঞান। প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে বাসায় বসে নিজের কর্মক্ষেত্রকে সর্বোচ্চ সেবা দিতে যেসব তথ্য এবং অ্যাপসের দরকার হয় এই প্রশিক্ষণে আমাদের সদস্যরা সেসম্পর্কে একটি স্বচ্ছ ধারণা অর্জন করতে পারবেন। বিসিএস এই সেশনে মোট ৮টি প্রশিক্ষণ কর্মসূচী এবং একটি আলোচনা সভা অনলাইনে সম্পাদন করেছে। এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করতে বিসিএস এর কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যসহ অংশগহণকারী সকল অতিথি এবং বিসিএস সদস্যদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞ্যাপন করছি। সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে আমাদের এই ধরণের কর্মসূচী চলমান থাকবে।

বিসিএস যুগ্ম মহাসচিব মো. মুজাহিদ আল বেরুনী সুজন এর সঞ্চালনায় প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বিসিএস এর সহসভাপতি মো. জাবেদুর রহমান শাহীন, কোষাধ্যক্ষ মো.কামরুজ্জামান ভূঁইয়া এবং পরিচালক মো. রাশেদ আলী ভূঁঞা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বিসিএস এর প্রাক্তন সভাপতি এস এম ইকবাল, গ্লোবাল ব্র্যান্ড প্রাইভেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান এএসএম আবদুল ফাত্তাহ, স্মার্ট টেকনোলজিস এর পরিচালক জাফর আহমেদ এবং রায়ান্স কম্পিউটারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ হাসান জুয়েল ‘মডার্ন ওয়ার্কপ্লেস’ সম্পর্কে নিজেদের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করেন স্মার্ট টেকনোলোজিস বিডি লিমিটেডের সফটওয়্যার বিজনেস এর প্রধান মো. মিরসাদ হোসাইন। অনলাইনে প্রায় তিন শতাধিক বিসিএস সদস্য এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণ কর্মসূচিটি বিসিএস এর ফেসবুক পেজে প্রচারিত হয়। এসময় প্রায় ২ হাজার দর্শনার্থী প্রশিক্ষণ কর্মসূচিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উপভোগ করেন।

‘মডার্ন ওয়ার্কপ্লেস’ সম্পর্কে সম্যক ধারণা দিয়ে মো. মিরসাদ হোসাইন বলেন, মডার্ন ওয়ার্ক বিষয়টা হলো নির্দিষ্ট কাজের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে কাজে গতিশীলতা বাড়িয়ে দেয়া। ধরেন, একটা মানুষ পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর এবং দক্ষিণে ১ কিলোমিটির (কি.মি.) করে দৌঁড়াতে পারবে। এতে একটি কাজে যতো গতি দেয়া যায় তারচেয়ে নির্দিষ্ট একটি দিকে ৪ কি.মি. দৌঁড়ালে ফলাফলে যে পার্থক্যটা আসবে সেটি কাজের সফলতার বহিঃপ্রকাশ। মডার্ন ওয়ার্কপ্লেসে রাইট টুল পছন্দ করাটা গুরুত্বপূর্ণ। আপনি আপনার সহায়ক যে টুলগুলো ব্যবহার করবেন তার সঠিক ব্যবহার করতে পারলে কাজ সহজ এবং গতিময় হবে।একজন বিজয়ী এবং বিজীত একসঙ্গেই কাজ শুরু করেন। কিন্তু বিজয়ী লক্ষ্য ঠিক করে সেখানে পৌঁছাতে সাথে সাথেই কাজে যুক্ত হয় কিন্তু বিজীত সেই কাজটি করেন না বলেই প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে যান।

আড়াই ঘণ্টার সেশনে তিনি ‘ইন্ট্রোডাকশন টু মডার্ন ওয়ার্কপ্লেস’ সম্পর্কে দর্শনার্থীদের একটি স্বচ্ছ ধারণা প্রদান করেন।প্রশিক্ষণ কর্মসূচীতে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. আবু ইউসুফ।বিসিএস শাখা কমিটির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এবং সদস্য প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদেরসহ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী সকল সদস্যদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বিসিএস যুগ্ম মহাসচিব মো. মুজাহিদ আল বেরুনী সুজন।

প্রসঙ্গত, আইসিটি বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।