ঢাকা ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

জমি বিক্রির টাকার জন্যই সুন্দরীকে হত্যা করে ঘাতকরা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জমি বিক্রির আড়াই লাখ টাকা আত্মসাৎ এবং পারিবারিক কলহের জেরেই পরিচ্ছন্নতা কর্মী সুন্দরী খাতুনকে গলায় শাড়ি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এরপর সুন্দরীর স্বামী রুস্তম আলীকেও মাথায় আঘাত করে সঙ্গাহীন অবস্থায় ফেলে রেখে ঘরে তালা দিয়ে চলে যায় ঘাতকরা।

শুক্রবার (১২ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে চাঞ্চল্যকর ক্লু-লেস হত্যার ব্যাপারে প্রেস ব্রিফিং করেন পুলিশ সুপার এসএম মুরাদ হোসেন।

এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার) শেখ মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক জুলফিকার আলী, উপ পরিদর্শক (এসআই) অজয় কুমার কুণ্ডু উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সুন্দরী খাতুন হত্যা মামলার প্রধান আসামি ঘাতক জামিরুল ইসলামকে ১০ জুন দিবাগত রাত ১০টার দিকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল গাংনী উপজেলার আকুবপুর গ্রাম থেকে গ্রেফতার করে। এসময় তার কাছ থেকে একটি কুড়াল ও মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। ১১ জুন আসামিকে আদালতে নিলে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে তিনি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। দুজন মিলে সুন্দরীকে হত্যার কথা স্বীকার করেন। অন্য ঘাতককেও গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলে জানান এসপি এসএম মুরাদ হোসেন।

গত ২৫ মে থেকে ২৮ মে’র মধ্যে কোনো এক সময় সুন্দরীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা এবং তার দ্বিতীয় স্বামী রুস্তম আলীকে আঘাত করে ঘরে তালাবদ্ধ করে চলে যায় ঘাতকরা।

স্থানীয়রা তালাবন্ধ ঘর থেকে দুর্গন্ধ পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে ২৮ মে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার সময় সুন্দরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এসময় তার স্বামী রুস্তম আলীকে আহত এবং অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গাংনী উপজেলা হাসপাতাল ও পরে সেখান থেকে কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

ঘাতক জামিরুল ইসলাম কুষ্টিয়া জেলার দৌলাতপুর উপজেলার শিতলাই গ্রামের আবু আফফানের ছেলে। তার বিরুদ্ধে আইনশৃংখলা অবনতির অনেক অভিযোগ পাওয়া গেছে বলেও জানানো হয় প্রেস ব্রিফিং এ।

সুন্দরী খাতুন ও তার স্বামী রুস্তম আলী বামন্দী উপশহরে পরিচ্ছন্নতা কর্মী হিসেবে কাজ করতেন।

বামন্দী শহরের সাইদুর রহমান টবুরবাড়ির একটি কক্ষভাড়া নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন তারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

জমি বিক্রির টাকার জন্যই সুন্দরীকে হত্যা করে ঘাতকরা

আপডেট সময় ০৬:১৭:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জমি বিক্রির আড়াই লাখ টাকা আত্মসাৎ এবং পারিবারিক কলহের জেরেই পরিচ্ছন্নতা কর্মী সুন্দরী খাতুনকে গলায় শাড়ি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এরপর সুন্দরীর স্বামী রুস্তম আলীকেও মাথায় আঘাত করে সঙ্গাহীন অবস্থায় ফেলে রেখে ঘরে তালা দিয়ে চলে যায় ঘাতকরা।

শুক্রবার (১২ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে চাঞ্চল্যকর ক্লু-লেস হত্যার ব্যাপারে প্রেস ব্রিফিং করেন পুলিশ সুপার এসএম মুরাদ হোসেন।

এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার) শেখ মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক জুলফিকার আলী, উপ পরিদর্শক (এসআই) অজয় কুমার কুণ্ডু উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সুন্দরী খাতুন হত্যা মামলার প্রধান আসামি ঘাতক জামিরুল ইসলামকে ১০ জুন দিবাগত রাত ১০টার দিকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল গাংনী উপজেলার আকুবপুর গ্রাম থেকে গ্রেফতার করে। এসময় তার কাছ থেকে একটি কুড়াল ও মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। ১১ জুন আসামিকে আদালতে নিলে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে তিনি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। দুজন মিলে সুন্দরীকে হত্যার কথা স্বীকার করেন। অন্য ঘাতককেও গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলে জানান এসপি এসএম মুরাদ হোসেন।

গত ২৫ মে থেকে ২৮ মে’র মধ্যে কোনো এক সময় সুন্দরীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা এবং তার দ্বিতীয় স্বামী রুস্তম আলীকে আঘাত করে ঘরে তালাবদ্ধ করে চলে যায় ঘাতকরা।

স্থানীয়রা তালাবন্ধ ঘর থেকে দুর্গন্ধ পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে ২৮ মে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার সময় সুন্দরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এসময় তার স্বামী রুস্তম আলীকে আহত এবং অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গাংনী উপজেলা হাসপাতাল ও পরে সেখান থেকে কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

ঘাতক জামিরুল ইসলাম কুষ্টিয়া জেলার দৌলাতপুর উপজেলার শিতলাই গ্রামের আবু আফফানের ছেলে। তার বিরুদ্ধে আইনশৃংখলা অবনতির অনেক অভিযোগ পাওয়া গেছে বলেও জানানো হয় প্রেস ব্রিফিং এ।

সুন্দরী খাতুন ও তার স্বামী রুস্তম আলী বামন্দী উপশহরে পরিচ্ছন্নতা কর্মী হিসেবে কাজ করতেন।

বামন্দী শহরের সাইদুর রহমান টবুরবাড়ির একটি কক্ষভাড়া নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন তারা।