অাকাশ নিউজ ডেস্ক:
আমাদের সমাজে সবচেয়ে দৃঢ় বন্ধন ধরা হয় বিবাহবন্ধনকে। আমরা অনেকেই অনেক নিষ্ঠার সাথে পালন করে চলি এই বন্ধনের সব বিধিনিষেধ। কিন্তু সব সময় হয়তো শেষ রক্ষা হয় না। অনেক কারণেই ভেঙে যায় এই বিবাহবন্ধন। ইদানীং আধুনিক সমাজে বিবাহবন্ধন ভেঙে যাওয়ার উদাহরণ একটু বেশি। কত কারণেই তো ভেঙে যায় বিবাহের মতো একটি অটুট বন্ধন। কিছু কারণ হয়তো আসলেই যুক্তিসঙ্গত থাকে, কিন্তু তার মানে এই নয় যে সব কারণই যুক্তিসঙ্গত হয়। বিশ্ব জুড়ে বিবাহ বন্ধনের ভাঙনের কিছু অদ্ভুত কারণ খুঁজে পাওয়া যায়। যেগুলোর মধ্যে অনেক কারণই রয়েছে যা একজন স্বাভাবিক মানুষের কল্পনার বাইরে।
❏ অতিরিক্ত পরিষ্কার থাকার কারণে: ২০০৯ সালে এক মহিলা তার স্বামীর সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করেন শুধুমাত্র তার স্বামীর পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার বাতিকের কারণে। তিনি বলেন, তার স্বামী অতিরিক্ত মাত্রায় শুচিবায়ুগ্রস্ত। এই ভদ্রমহিলার স্বামী সারাদিন ঘরদোর পরিষ্কারে ব্যস্ত থাকতেন। আমার আপনার সাধারণ দৃষ্টিতে এটি মোটেও সম্পর্কচ্ছেদের কোনো কারণ হতে পারে না। হ্যাঁ, তা বটে। কিন্তু এই মহিলা তার স্বামীর সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করেন কারণ, তার স্বামী ঘরের একটি দেয়াল ভেঙে, নতুন করে দেয়াল তুলেছিলেন শুধুমাত্র দেয়ালটি নোংরা ছিল বলে।
❏ কেক খাওয়ানোর কারণে: আপনার স্ত্রী আপনাকে কষ্ট করে কেক বেক করে খাওয়ালেন। আপনি কী করবেন? সাধারণভাবেই কেকটি মজা করেই খাবেন এবং ভালো হলে প্রশংসা করবেন। কিন্তু চীনের এক ব্যক্তি কী করেছেন জানেন? তার স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়েছিলেন। অবাক হচ্ছেন? অবাক হলেও ঘটনাটি সত্যি। লোকটির মতে তিনি ৩ বেলা কেক খেতে খেতে বিরক্ত হয়ে গিয়েছিলেন। আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি যে তিনি কেক খেতে মানা করেননি কিন্তু কোর্টে গিয়ে ডিভোর্স চেয়েছেন।
❏ অদ্ভুত নামকরণের কারণে: সৌদি আরবের একজন মহিলা তার স্বামীকে কোনো জরুরি কাজে ফোন দিয়েছিলেন। দুর্ভাগ্যজনিত কারণে তার স্বামী তার ফোনটি ঘরেই ফেলে গিয়েছলেন। আর তাতেই কাল হলো। মহিলা স্বামীর ফোনে নিজের নাম দেখতে পেলেন ‘গুয়ান্তানামো’ নামে। আর সেদিনই তাদের ১৭ বছরের বিবাহের সম্পর্কের ইতি টানলেন তিনি। মহিলার ভাষ্যমতে, ‘আমি এমন কারো সাথে ঘর করতে চাই না যে আমার নাম রেখেছে জেলখানার নামে’।
❏ স্ত্রীর চেহারা দেখতে চাওয়ায়: প্রিয়তমা স্ত্রীর চেহারা একটিবারের মতো দেখতে যাওয়ায় বিবাহচ্ছেদের শিকার হন এক সৌদি পুরুষ। সৌদি আরবের এক মহিলার স্বামী তার নেকাব তুলে চেহারা দেখতে যাওয়ায় কোর্টে ডিভোর্স চেয়ে বসেন ওই নারী। পরে অবশ্য মহিলাকে চেহারা না দেখার ওয়াদা করে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হন তার স্বামী। কোর্টের জজ যখন মহিলাকে জিজ্ঞেস করেন এতো কড়াকড়ি হলে বাচ্চা নেবেন কিভাবে, তখন মহিলার জবাব ছিল, ‘বিয়ে হচ্ছে ভালোবাসার বন্ধন, চেহারা দেখার সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই’।
❏ আসল বয়স লুকোনোর কারণে: চীনের এক ভদ্রলোক তার স্ত্রীর সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করেন শুধুমাত্র তাকে আসল বয়স না বলার কারণে। লোকটি বলেন তার স্ত্রী তাকে তার বয়স বলেছিলেন ২৪ বছর, যেখানে তার আসল বয়স ছিল ৩০। মহিলার পাসপোর্টে আসল বয়স দেখে দেরি না করে লোকটি ডিভোর্স চেয়ে বসেন।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























