ঢাকা ০১:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তথ্য গোপন করে হাসপাতালে নেয়ার আগেই করোনা রোগীর মৃত্যু

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে এক করোনা আক্রান্ত রোগীর তথ্য গোপন করে নেওয়া হয়েছিল রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে। তবে সেখানে পৌঁছানোর আগেই তিনি মারা গেছেন। পরে তার মরদেহ পাঠানো হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে।

মৃত এই রোগীর নাম রবিউল ইসলাম (৪৫)। চাঁপাইনবাববগঞ্জ সদর উপজেলার নয়াগোলা গ্রামে তার বাড়ি। তিনি ঢাকায় থাকতেন। সেখান থেকে বাড়ি ফেরার পর নমুনা পরীক্ষায় তার করোনা শনাক্ত হয়েছিল। তীব্র শ্বাসকষ্টে বুধবার বেলা ১১টার দিকে তিনি মারা গেছেন।

রামেক হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই রবিউলের মৃত্যু হয়েছে। পরে লাশ চাঁপাইনবাবগঞ্জে পাঠানো হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে তার মরদেহ দাফন করেছে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন।

কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের রাজশাহীর পরিচালক অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান বলেন, বাড়িতে আইসোলেশনে থাকা অবস্থায় রবিউলের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে সাধারণ রোগী হিসেবেই অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে রামেক হাসপাতালে আনা হয়। প্রথমে স্বজনরা জানাননি যে তিনি করোনায় আক্রান্ত। মারা যাওয়ার পর তারা জানিয়েছেন যে, রবিউল করোনা পজিটিভ ছিলেন।

তিনি বলেন, তথ্য গোপন করে রবিউলকে হাসপাতালে আনার কারণে অনেকেরই সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মানুষ এতো অসচেতন হলে তো করোনাভাইরাস মোকাবিলা করা অসম্ভব। এ বিষয়ে মানুষকে সচেতনতার জন্য কাজ করতে হবে। তা না হলে এর বড় মূল্য দিতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

তথ্য গোপন করে হাসপাতালে নেয়ার আগেই করোনা রোগীর মৃত্যু

আপডেট সময় ০৪:৩২:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে এক করোনা আক্রান্ত রোগীর তথ্য গোপন করে নেওয়া হয়েছিল রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে। তবে সেখানে পৌঁছানোর আগেই তিনি মারা গেছেন। পরে তার মরদেহ পাঠানো হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে।

মৃত এই রোগীর নাম রবিউল ইসলাম (৪৫)। চাঁপাইনবাববগঞ্জ সদর উপজেলার নয়াগোলা গ্রামে তার বাড়ি। তিনি ঢাকায় থাকতেন। সেখান থেকে বাড়ি ফেরার পর নমুনা পরীক্ষায় তার করোনা শনাক্ত হয়েছিল। তীব্র শ্বাসকষ্টে বুধবার বেলা ১১টার দিকে তিনি মারা গেছেন।

রামেক হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই রবিউলের মৃত্যু হয়েছে। পরে লাশ চাঁপাইনবাবগঞ্জে পাঠানো হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে তার মরদেহ দাফন করেছে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন।

কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের রাজশাহীর পরিচালক অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান বলেন, বাড়িতে আইসোলেশনে থাকা অবস্থায় রবিউলের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে সাধারণ রোগী হিসেবেই অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে রামেক হাসপাতালে আনা হয়। প্রথমে স্বজনরা জানাননি যে তিনি করোনায় আক্রান্ত। মারা যাওয়ার পর তারা জানিয়েছেন যে, রবিউল করোনা পজিটিভ ছিলেন।

তিনি বলেন, তথ্য গোপন করে রবিউলকে হাসপাতালে আনার কারণে অনেকেরই সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মানুষ এতো অসচেতন হলে তো করোনাভাইরাস মোকাবিলা করা অসম্ভব। এ বিষয়ে মানুষকে সচেতনতার জন্য কাজ করতে হবে। তা না হলে এর বড় মূল্য দিতে হবে।