ঢাকা ০১:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হবে আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্রশিবিরকে তরুণ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান সন্তানেরা যুগ্মসচিব-বুয়েট শিক্ষক, তবুও একা ঘরে মরতে হলো বৃদ্ধ মাকে ‘ইরান সরকারের ভিত্তি নড়ে গেছে, এটি ভেঙে পড়তে বাধ্য’ খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত ঈদের দিন স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭৭ বর্তমান সরকার সব মানুষের ধর্মের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: মঈন খান জাতীয় ঐক্য ও দেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মেজর জিয়ার দিশায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বাধীনতার সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল জাতি: রিজভী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, জিয়াউর রহমান ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে জাতিকে যে দিশা দিয়েছিলেন, সেই পথ ধরেই ছাত্র, শ্রমিক ও খেটে খাওয়া মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।

রবিবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, এই যুদ্ধ ছিল বিশ্বের মানুষের জন্য প্রেরণার উৎস। এটি ছিল রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ, যেখানে মুক্তিযোদ্ধারা হাসিমুখে জীবন উৎসর্গ করে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। স্বাধীনতার পর গত ৫৫ বছরে আমরা নানা অর্জনও করেছি।

তিনি আরও বলেন, ২৬ মার্চ আমাদের জাতির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। হাজার বছরের সংগ্রাম, যুদ্ধ ও রক্তপাতের মধ্য দিয়ে এই দিনে আমরা স্বাধীনতার চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছেছি, যা বিশ্ব মানচিত্রে আমাদের একটি স্বতন্ত্র পরিচয় দিয়েছে।

স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব দুর্বল করা ও স্বাধীনতাকে সংকুচিত করার নানা চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু জনগণের সাহস ও বীরত্বের কাছে সব অপশক্তি পরাজিত হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, কখনো ‘বাকশাল’র নামে, কখনো মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে মানুষের বাকস্বাধীনতা ও চলাচলের স্বাধীনতা হরণ করে ভয়ভীতির পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল।

রিজভী বলেন, স্বাধীনতার পর আমরা যে ‘বাকশাল’ দেখেছি, ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত তার নতুন ও ভয়াবহ রূপ প্রত্যক্ষ করেছি। গুম, খুন, গুপ্তহত্যা ও ক্রসফায়ারের মাধ্যমে গোটা জাতিকে এক ভয়ংকর পরিস্থিতির মধ্যে রাখা হয়েছিল। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আমরা নিরন্তর সংগ্রাম করেছি।

বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, এখন মানুষ অন্তত নির্ভয়ে কথা বলতে পারছে এবং মতপ্রকাশের একটি পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, প্রতিনিয়ত তারেক রহমান ও বিএনপি জোট সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা করা হচ্ছে। কেউ কেউ আশঙ্কা করছেন, একটি ফ্যাসিবাদের পতনের পর আরেকটি ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। তবে বিএনপির ইতিহাস ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার নয়; বরং ফ্যাসিবাদ থেকে উত্তরণের গৌরবময় ইতিহাস আমাদের রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি

মেজর জিয়ার দিশায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বাধীনতার সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল জাতি: রিজভী

আপডেট সময় ০২:২৫:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, জিয়াউর রহমান ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে জাতিকে যে দিশা দিয়েছিলেন, সেই পথ ধরেই ছাত্র, শ্রমিক ও খেটে খাওয়া মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।

রবিবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, এই যুদ্ধ ছিল বিশ্বের মানুষের জন্য প্রেরণার উৎস। এটি ছিল রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ, যেখানে মুক্তিযোদ্ধারা হাসিমুখে জীবন উৎসর্গ করে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। স্বাধীনতার পর গত ৫৫ বছরে আমরা নানা অর্জনও করেছি।

তিনি আরও বলেন, ২৬ মার্চ আমাদের জাতির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। হাজার বছরের সংগ্রাম, যুদ্ধ ও রক্তপাতের মধ্য দিয়ে এই দিনে আমরা স্বাধীনতার চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছেছি, যা বিশ্ব মানচিত্রে আমাদের একটি স্বতন্ত্র পরিচয় দিয়েছে।

স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব দুর্বল করা ও স্বাধীনতাকে সংকুচিত করার নানা চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু জনগণের সাহস ও বীরত্বের কাছে সব অপশক্তি পরাজিত হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, কখনো ‘বাকশাল’র নামে, কখনো মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে মানুষের বাকস্বাধীনতা ও চলাচলের স্বাধীনতা হরণ করে ভয়ভীতির পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল।

রিজভী বলেন, স্বাধীনতার পর আমরা যে ‘বাকশাল’ দেখেছি, ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত তার নতুন ও ভয়াবহ রূপ প্রত্যক্ষ করেছি। গুম, খুন, গুপ্তহত্যা ও ক্রসফায়ারের মাধ্যমে গোটা জাতিকে এক ভয়ংকর পরিস্থিতির মধ্যে রাখা হয়েছিল। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আমরা নিরন্তর সংগ্রাম করেছি।

বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, এখন মানুষ অন্তত নির্ভয়ে কথা বলতে পারছে এবং মতপ্রকাশের একটি পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, প্রতিনিয়ত তারেক রহমান ও বিএনপি জোট সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা করা হচ্ছে। কেউ কেউ আশঙ্কা করছেন, একটি ফ্যাসিবাদের পতনের পর আরেকটি ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। তবে বিএনপির ইতিহাস ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার নয়; বরং ফ্যাসিবাদ থেকে উত্তরণের গৌরবময় ইতিহাস আমাদের রয়েছে।