ঢাকা ০৪:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি ব্যবসায়ীকে আটকে চাঁদা দাবি: ডিজিএফআই সদস্যসহ কারাগারে ৬ দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু

এস আলম গ্রুপের আরও চার পরিচালক করোনায় আক্রান্ত

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

প্রাণসংহারি ভাইরাস করোনায় আক্রান্ত হয়ে নিজেদের বাসায় চিকিৎসাধীন আছেন এস আলম গ্রুপের আরও চার পরিচালক। অচেনা এই ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে গতরাতে মারা গেছেন গ্রুপটির পরিচালক (মার্কেটিং) মোরশেদুল আলম। গতকাল গভীর রাতেই জানাজা শেষে পটিয়া পৌর সদরের ৪ নং ওয়ার্ডের পারিবারিক কবরস্থানে বাবার কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।

জানা গেছে, দেশের অন্যতম শীর্ষ ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদ বর্তমানে পরিবারসহ সিঙ্গাপুরে অবস্থান করছেন। অপর অন্য চার ভাই মোরশেদুল আলমের সঙ্গেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। গত ১৭ মে মোরশেদুল আলমসহ তার পরিবারের ৬ সদস্যের (পাঁচ ভাই ও একজন ড্রাইভার) করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে।

মোরশেদুল ছাড়া এস আলম পরিবারের অন্য যাদের করোনা শনাক্ত হয়েছে তারা হলেন- এস আলম গ্রুপের পরিচালক রাশেদুল আলম, এস আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সামাদ লাবু, ইউনিয়ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এস আলম গ্রুপের পরিচালক মোহাম্মদ শহীদুল আলম এবং এস আলম গ্রুপের পরিচালক ওসমান গণি। এছাড়া করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ওই পরিবারের ৩৬ বছর বয়সী এক নারীও।

জানা যায়, করোনা শনাক্তের পর থেকে মোরশেদুল আলম তার অন্য চার ভাইয়ের সঙ্গে নগরীর সুগন্ধার বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। বৃহস্পতিবার বিকালে মোরশেদুল আলমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। সেখানে আইসিইউ ওয়ার্ডে আগে থেকেই এস আলম পরিবারের আরেক সদস্য রাশেদুল আলম চিকিৎসাধীন ছিলেন। আইসিইউতে শয্যা না থাকায় তুলনামূলক ভাল অবস্থায় থাকা ছোট ভাই রাশেদুল আলমকে সরিয়ে মোরশেদুল আলমকে জায়গা করে দেওয়া হয়। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

পরিবারের অন্য সদস্যরা বর্তমানে চট্টগ্রাম নগরীর সুগন্ধা আবাসিক এলাকার এক নম্বর সড়কে নিজ বাসভবনেই চিকিৎসা নিচ্ছেন।

চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. আবদুর রব জানান, মোরশেদুল আলমসহ তার পরিবারের ৬ সদস্যের (পাঁচ ভাই ও একজন ড্রাইভার) করোনা ধরার পর থেকে মোরশেদুল আলমের শারীরিক অবস্থা কিছুটা খারাপ ছিলো। গত বৃহস্পতিবার তিনি চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি হন। শুক্রবার সারাদিন তার শারীরিক অবস্থা ভালো থাকলেও সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তার একদফা কার্ডিয়াক এরেস্ট হয়। এরপর রাত সাড়ে ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

সিলেট-মাস্কাট রুটে ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়াল সালামএয়ার

এস আলম গ্রুপের আরও চার পরিচালক করোনায় আক্রান্ত

আপডেট সময় ০৫:১৫:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

প্রাণসংহারি ভাইরাস করোনায় আক্রান্ত হয়ে নিজেদের বাসায় চিকিৎসাধীন আছেন এস আলম গ্রুপের আরও চার পরিচালক। অচেনা এই ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে গতরাতে মারা গেছেন গ্রুপটির পরিচালক (মার্কেটিং) মোরশেদুল আলম। গতকাল গভীর রাতেই জানাজা শেষে পটিয়া পৌর সদরের ৪ নং ওয়ার্ডের পারিবারিক কবরস্থানে বাবার কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।

জানা গেছে, দেশের অন্যতম শীর্ষ ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদ বর্তমানে পরিবারসহ সিঙ্গাপুরে অবস্থান করছেন। অপর অন্য চার ভাই মোরশেদুল আলমের সঙ্গেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। গত ১৭ মে মোরশেদুল আলমসহ তার পরিবারের ৬ সদস্যের (পাঁচ ভাই ও একজন ড্রাইভার) করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে।

মোরশেদুল ছাড়া এস আলম পরিবারের অন্য যাদের করোনা শনাক্ত হয়েছে তারা হলেন- এস আলম গ্রুপের পরিচালক রাশেদুল আলম, এস আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সামাদ লাবু, ইউনিয়ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এস আলম গ্রুপের পরিচালক মোহাম্মদ শহীদুল আলম এবং এস আলম গ্রুপের পরিচালক ওসমান গণি। এছাড়া করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ওই পরিবারের ৩৬ বছর বয়সী এক নারীও।

জানা যায়, করোনা শনাক্তের পর থেকে মোরশেদুল আলম তার অন্য চার ভাইয়ের সঙ্গে নগরীর সুগন্ধার বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। বৃহস্পতিবার বিকালে মোরশেদুল আলমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। সেখানে আইসিইউ ওয়ার্ডে আগে থেকেই এস আলম পরিবারের আরেক সদস্য রাশেদুল আলম চিকিৎসাধীন ছিলেন। আইসিইউতে শয্যা না থাকায় তুলনামূলক ভাল অবস্থায় থাকা ছোট ভাই রাশেদুল আলমকে সরিয়ে মোরশেদুল আলমকে জায়গা করে দেওয়া হয়। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

পরিবারের অন্য সদস্যরা বর্তমানে চট্টগ্রাম নগরীর সুগন্ধা আবাসিক এলাকার এক নম্বর সড়কে নিজ বাসভবনেই চিকিৎসা নিচ্ছেন।

চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. আবদুর রব জানান, মোরশেদুল আলমসহ তার পরিবারের ৬ সদস্যের (পাঁচ ভাই ও একজন ড্রাইভার) করোনা ধরার পর থেকে মোরশেদুল আলমের শারীরিক অবস্থা কিছুটা খারাপ ছিলো। গত বৃহস্পতিবার তিনি চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি হন। শুক্রবার সারাদিন তার শারীরিক অবস্থা ভালো থাকলেও সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তার একদফা কার্ডিয়াক এরেস্ট হয়। এরপর রাত সাড়ে ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়।