ঢাকা ০৭:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

খালার সহায়তায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খালু, খালা-খালু আটক

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রমজানে ইফতারের দাওয়াত দিয়ে বাড়িতে ডেকে নিয়ে গেলেন খালা। সবাই মিলে ইফতারের পর মেয়েটিকে চায়ের সঙ্গে খেতে দেন নেশা জাতীয় দ্রব্য। এতে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ূয়া ছাত্রী অচেতন হয়ে পড়লে ধর্ষণ করেন খালু। আর সেই ধর্ষণ দৃশ্য মোবাইলে ভিডিও করেন খালা। গত ২ মে এমন ঘটনা ঘটেছে সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার কমলাবাড়ী মোকামটিলা গ্রামের কয়েস আহমদ ও তার স্ত্রী সুমি বেগমের বাড়িতে।

এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনার নেপথ্যে জৈন্তাপুর উপজেলা নিজপাট ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সুমি বেগম ও তার স্বামী কয়েস আহমদ। কয়েস আহমদ উপজেলার নিজপাট মাহুতহাটির সমছুল ইসলামের ছেলে। বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর সম্পর্কে খালা হন আওয়ামী লীগ নেত্রী সুমি বেগম। গত শুক্রবার মধ্য রাতে র‌্যাব-৯ অভিযান চালিয়ে কয়েস আহমদ ও সুমি বেগমকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

গত ৪ মে জৈন্তাপুর থানায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী নিজে বাদি হয়ে আওয়ামী লীগ নেত্রী সুমি ও তার স্বামী কয়েসের বিরুদ্ধে মামলা করেন। শনিবার আদালতের মাধ্যমে সুমি বেগম ও কয়েস আহমদকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল বনিক। তিনি জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিরা অপরাধের কথা স্বীকার করেছে।

আওয়ামী লীগ নেত্রী সুমি বেগম দীর্ঘদিন ধরে পর্নোগ্রাফির সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সে পর্নোগ্রাফির জন্যই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে কৌশলে বাড়িতে ডেকে এনে ধর্ষণ ও মোবাইলে ভিডিও করার কথা স্বীকার করেছে। অন্যদিকে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি কয়েস আহমদ ভারতের নিষিদ্ধ জুয়া তীর খেলাসহ নানা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত।

পুলিশ জানায়, গত ২ মে ঘটনার খবর পেয়ে কয়েস আহমদের বাড়ি থেকে ছাত্রীর বাবা এসে তাকে উদ্ধার করেন। এরপর স্বজনদের পরামর্শে তাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় বাদি উল্লেখ করেন, ইফতার শেষে রাত ৮টার দিকে সুমি বেগম চায়ের সঙ্গে নেশা জাতীয় কিছু মেশিয়ে খেতে দেয়। এই চা খেয়ে অচেতন হয়ে পড়েন তিনি।

এরপর সুমি বেগমের সহায়তায় তার স্বামী কয়েস ভিকটিমকে ধর্ষণ করে এবং তা মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে বলে জানায় পুলিশ। একপর্যায়ে ছাত্রীর চেতনা ফিরে আসলে তিনি চিৎকার করলে কয়েস আহমদ তার মুখ চেপে ধরে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরিত্রিয়া সীমান্তে ইথিওপীয় সেনার অগ্রগতি, বাড়ছে নতুন যুদ্ধের শঙ্কা

খালার সহায়তায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খালু, খালা-খালু আটক

আপডেট সময় ০৯:১৫:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রমজানে ইফতারের দাওয়াত দিয়ে বাড়িতে ডেকে নিয়ে গেলেন খালা। সবাই মিলে ইফতারের পর মেয়েটিকে চায়ের সঙ্গে খেতে দেন নেশা জাতীয় দ্রব্য। এতে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ূয়া ছাত্রী অচেতন হয়ে পড়লে ধর্ষণ করেন খালু। আর সেই ধর্ষণ দৃশ্য মোবাইলে ভিডিও করেন খালা। গত ২ মে এমন ঘটনা ঘটেছে সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার কমলাবাড়ী মোকামটিলা গ্রামের কয়েস আহমদ ও তার স্ত্রী সুমি বেগমের বাড়িতে।

এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনার নেপথ্যে জৈন্তাপুর উপজেলা নিজপাট ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সুমি বেগম ও তার স্বামী কয়েস আহমদ। কয়েস আহমদ উপজেলার নিজপাট মাহুতহাটির সমছুল ইসলামের ছেলে। বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর সম্পর্কে খালা হন আওয়ামী লীগ নেত্রী সুমি বেগম। গত শুক্রবার মধ্য রাতে র‌্যাব-৯ অভিযান চালিয়ে কয়েস আহমদ ও সুমি বেগমকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

গত ৪ মে জৈন্তাপুর থানায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী নিজে বাদি হয়ে আওয়ামী লীগ নেত্রী সুমি ও তার স্বামী কয়েসের বিরুদ্ধে মামলা করেন। শনিবার আদালতের মাধ্যমে সুমি বেগম ও কয়েস আহমদকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল বনিক। তিনি জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিরা অপরাধের কথা স্বীকার করেছে।

আওয়ামী লীগ নেত্রী সুমি বেগম দীর্ঘদিন ধরে পর্নোগ্রাফির সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সে পর্নোগ্রাফির জন্যই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে কৌশলে বাড়িতে ডেকে এনে ধর্ষণ ও মোবাইলে ভিডিও করার কথা স্বীকার করেছে। অন্যদিকে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি কয়েস আহমদ ভারতের নিষিদ্ধ জুয়া তীর খেলাসহ নানা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত।

পুলিশ জানায়, গত ২ মে ঘটনার খবর পেয়ে কয়েস আহমদের বাড়ি থেকে ছাত্রীর বাবা এসে তাকে উদ্ধার করেন। এরপর স্বজনদের পরামর্শে তাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় বাদি উল্লেখ করেন, ইফতার শেষে রাত ৮টার দিকে সুমি বেগম চায়ের সঙ্গে নেশা জাতীয় কিছু মেশিয়ে খেতে দেয়। এই চা খেয়ে অচেতন হয়ে পড়েন তিনি।

এরপর সুমি বেগমের সহায়তায় তার স্বামী কয়েস ভিকটিমকে ধর্ষণ করে এবং তা মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে বলে জানায় পুলিশ। একপর্যায়ে ছাত্রীর চেতনা ফিরে আসলে তিনি চিৎকার করলে কয়েস আহমদ তার মুখ চেপে ধরে।