ঢাকা ১০:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

খালার সহায়তায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খালু, খালা-খালু আটক

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রমজানে ইফতারের দাওয়াত দিয়ে বাড়িতে ডেকে নিয়ে গেলেন খালা। সবাই মিলে ইফতারের পর মেয়েটিকে চায়ের সঙ্গে খেতে দেন নেশা জাতীয় দ্রব্য। এতে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ূয়া ছাত্রী অচেতন হয়ে পড়লে ধর্ষণ করেন খালু। আর সেই ধর্ষণ দৃশ্য মোবাইলে ভিডিও করেন খালা। গত ২ মে এমন ঘটনা ঘটেছে সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার কমলাবাড়ী মোকামটিলা গ্রামের কয়েস আহমদ ও তার স্ত্রী সুমি বেগমের বাড়িতে।

এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনার নেপথ্যে জৈন্তাপুর উপজেলা নিজপাট ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সুমি বেগম ও তার স্বামী কয়েস আহমদ। কয়েস আহমদ উপজেলার নিজপাট মাহুতহাটির সমছুল ইসলামের ছেলে। বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর সম্পর্কে খালা হন আওয়ামী লীগ নেত্রী সুমি বেগম। গত শুক্রবার মধ্য রাতে র‌্যাব-৯ অভিযান চালিয়ে কয়েস আহমদ ও সুমি বেগমকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

গত ৪ মে জৈন্তাপুর থানায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী নিজে বাদি হয়ে আওয়ামী লীগ নেত্রী সুমি ও তার স্বামী কয়েসের বিরুদ্ধে মামলা করেন। শনিবার আদালতের মাধ্যমে সুমি বেগম ও কয়েস আহমদকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল বনিক। তিনি জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিরা অপরাধের কথা স্বীকার করেছে।

আওয়ামী লীগ নেত্রী সুমি বেগম দীর্ঘদিন ধরে পর্নোগ্রাফির সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সে পর্নোগ্রাফির জন্যই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে কৌশলে বাড়িতে ডেকে এনে ধর্ষণ ও মোবাইলে ভিডিও করার কথা স্বীকার করেছে। অন্যদিকে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি কয়েস আহমদ ভারতের নিষিদ্ধ জুয়া তীর খেলাসহ নানা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত।

পুলিশ জানায়, গত ২ মে ঘটনার খবর পেয়ে কয়েস আহমদের বাড়ি থেকে ছাত্রীর বাবা এসে তাকে উদ্ধার করেন। এরপর স্বজনদের পরামর্শে তাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় বাদি উল্লেখ করেন, ইফতার শেষে রাত ৮টার দিকে সুমি বেগম চায়ের সঙ্গে নেশা জাতীয় কিছু মেশিয়ে খেতে দেয়। এই চা খেয়ে অচেতন হয়ে পড়েন তিনি।

এরপর সুমি বেগমের সহায়তায় তার স্বামী কয়েস ভিকটিমকে ধর্ষণ করে এবং তা মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে বলে জানায় পুলিশ। একপর্যায়ে ছাত্রীর চেতনা ফিরে আসলে তিনি চিৎকার করলে কয়েস আহমদ তার মুখ চেপে ধরে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

খালার সহায়তায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খালু, খালা-খালু আটক

আপডেট সময় ০৯:১৫:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রমজানে ইফতারের দাওয়াত দিয়ে বাড়িতে ডেকে নিয়ে গেলেন খালা। সবাই মিলে ইফতারের পর মেয়েটিকে চায়ের সঙ্গে খেতে দেন নেশা জাতীয় দ্রব্য। এতে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ূয়া ছাত্রী অচেতন হয়ে পড়লে ধর্ষণ করেন খালু। আর সেই ধর্ষণ দৃশ্য মোবাইলে ভিডিও করেন খালা। গত ২ মে এমন ঘটনা ঘটেছে সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার কমলাবাড়ী মোকামটিলা গ্রামের কয়েস আহমদ ও তার স্ত্রী সুমি বেগমের বাড়িতে।

এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনার নেপথ্যে জৈন্তাপুর উপজেলা নিজপাট ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সুমি বেগম ও তার স্বামী কয়েস আহমদ। কয়েস আহমদ উপজেলার নিজপাট মাহুতহাটির সমছুল ইসলামের ছেলে। বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর সম্পর্কে খালা হন আওয়ামী লীগ নেত্রী সুমি বেগম। গত শুক্রবার মধ্য রাতে র‌্যাব-৯ অভিযান চালিয়ে কয়েস আহমদ ও সুমি বেগমকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

গত ৪ মে জৈন্তাপুর থানায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী নিজে বাদি হয়ে আওয়ামী লীগ নেত্রী সুমি ও তার স্বামী কয়েসের বিরুদ্ধে মামলা করেন। শনিবার আদালতের মাধ্যমে সুমি বেগম ও কয়েস আহমদকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল বনিক। তিনি জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিরা অপরাধের কথা স্বীকার করেছে।

আওয়ামী লীগ নেত্রী সুমি বেগম দীর্ঘদিন ধরে পর্নোগ্রাফির সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সে পর্নোগ্রাফির জন্যই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে কৌশলে বাড়িতে ডেকে এনে ধর্ষণ ও মোবাইলে ভিডিও করার কথা স্বীকার করেছে। অন্যদিকে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি কয়েস আহমদ ভারতের নিষিদ্ধ জুয়া তীর খেলাসহ নানা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত।

পুলিশ জানায়, গত ২ মে ঘটনার খবর পেয়ে কয়েস আহমদের বাড়ি থেকে ছাত্রীর বাবা এসে তাকে উদ্ধার করেন। এরপর স্বজনদের পরামর্শে তাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় বাদি উল্লেখ করেন, ইফতার শেষে রাত ৮টার দিকে সুমি বেগম চায়ের সঙ্গে নেশা জাতীয় কিছু মেশিয়ে খেতে দেয়। এই চা খেয়ে অচেতন হয়ে পড়েন তিনি।

এরপর সুমি বেগমের সহায়তায় তার স্বামী কয়েস ভিকটিমকে ধর্ষণ করে এবং তা মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে বলে জানায় পুলিশ। একপর্যায়ে ছাত্রীর চেতনা ফিরে আসলে তিনি চিৎকার করলে কয়েস আহমদ তার মুখ চেপে ধরে।