ঢাকা ০৬:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি সংস্কার নিয়ে বিএনপির প্রতারণা জনগণের সঙ্গে: বিরোধীদলীয় নেতা এসডিজি অর্জনে নারী নেতৃত্ব অপরিহার্য : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের নিবন্ধন ও ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে আইন সংশোধনের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীকে ঢাকার বাইরে রাত্রিযাপন না করার পরামর্শ কর্নেল অলির সংসদে ব্যাংক ডাকাতদের ‘ডিম থেরাপি’ দেওয়ার দাবি রেহানা আক্তার রানুর স্বাস্থ্যখাতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ ও দ্রুততম সমাধানে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী দুর্যোগ মোকাবিলায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের দায়িত্ব ছাড়ার ঘোষণা জাবের-জুমার

কার মতে লকডাউন শিথিল হচ্ছে, জানাতে হবে: ওয়ার্কার্স পার্টি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশে করোনা পরিস্থিতি যে সময়ে ভয়াবহ থেকে ভয়াবহতর হচ্ছে, সে সময়ে কোন বিশেষজ্ঞ মতামতের ভিত্তিতে লকডাউন ক্রমান্বয়ে শিথিল করা হচ্ছে, দেশবাসীকে তা অবহিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি।

শুক্রবার (৮ মে) পার্টির পলিটব্যুরোর পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, কোন বিশেষজ্ঞ মতামতের ভিত্তিতে লকডাউন ক্রমান্বয়ে শিথিল করে শপিং মল, দোকানপাট খোলার মধ্য দিয়ে সবকিছু প্রায় উন্মুক্ত করে দেওয়া হচ্ছে তা দেশবাসীকে জানাতে হবে। যদিও স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিজেই বলছেন এভাবে সবকিছু খুলে দেওয়ার মধ্য দিয়ে সংক্রমণ ও মৃত্যু আরও বাড়বে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এও বলেছেন, এ ব্যাপারে টেকনিক্যাল কমিটির পরামর্শ শোনা হবে। তাহলে ঘোড়ার আগে গাড়ি জুড়ে দেওয়া কেন? বিশেষজ্ঞ টেকনিক্যাল কমিটিকেও স্পষ্ট করে জানাতে হবে তারা এ ধরনের পরামর্শ দিয়েছেন কিনা।

‘দেশের অর্থনীতি সচল করার প্রয়োজনীয়তা সবাই বোঝে। কিন্তু যদি কেবল গার্মেন্টস মালিক, দোকান মালিকদের স্বার্থকে প্রধান করে দেখা হয়, সেটা গ্রহণযোগ্য হয় না। এ ক্ষেত্রেও রাস্তার দোকানদাররা, হকাররাতো তাদের দোকান বসাতে পারবেন না।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও তার দেশে করোনা প্রকোপের মধ্যেই সব খুলে অর্থনীতি সচল করার তাগাদা দিয়েছেন, কিন্তু তারপরও সেই চাওয়া উপেক্ষা করে বিশেষজ্ঞ, পরামর্শক ডা. ফাউসি সবকিছু খুলে না দেওয়ার পক্ষে অটল রয়েছেন। ব্রাজিলেও দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনা পরিস্থিতিতে সব সচল রাখার ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট বলসোনারোর সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করেছেন। তাতে তিনি মন্ত্রীত্বও হারিয়েছেন। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও বিশেষজ্ঞদের সরকারকে বলতে হবে, করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা যখন ঊর্ধ্বমুখী, তখন সব চালু করার সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী কিনা। জনমনে করোনা নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে, এ বিষয়ে স্পষ্ট করে বললেই জনগণের মধ্যে আস্থা ও স্বস্তি ফিরবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি

কার মতে লকডাউন শিথিল হচ্ছে, জানাতে হবে: ওয়ার্কার্স পার্টি

আপডেট সময় ০৫:৩৪:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশে করোনা পরিস্থিতি যে সময়ে ভয়াবহ থেকে ভয়াবহতর হচ্ছে, সে সময়ে কোন বিশেষজ্ঞ মতামতের ভিত্তিতে লকডাউন ক্রমান্বয়ে শিথিল করা হচ্ছে, দেশবাসীকে তা অবহিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি।

শুক্রবার (৮ মে) পার্টির পলিটব্যুরোর পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, কোন বিশেষজ্ঞ মতামতের ভিত্তিতে লকডাউন ক্রমান্বয়ে শিথিল করে শপিং মল, দোকানপাট খোলার মধ্য দিয়ে সবকিছু প্রায় উন্মুক্ত করে দেওয়া হচ্ছে তা দেশবাসীকে জানাতে হবে। যদিও স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিজেই বলছেন এভাবে সবকিছু খুলে দেওয়ার মধ্য দিয়ে সংক্রমণ ও মৃত্যু আরও বাড়বে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এও বলেছেন, এ ব্যাপারে টেকনিক্যাল কমিটির পরামর্শ শোনা হবে। তাহলে ঘোড়ার আগে গাড়ি জুড়ে দেওয়া কেন? বিশেষজ্ঞ টেকনিক্যাল কমিটিকেও স্পষ্ট করে জানাতে হবে তারা এ ধরনের পরামর্শ দিয়েছেন কিনা।

‘দেশের অর্থনীতি সচল করার প্রয়োজনীয়তা সবাই বোঝে। কিন্তু যদি কেবল গার্মেন্টস মালিক, দোকান মালিকদের স্বার্থকে প্রধান করে দেখা হয়, সেটা গ্রহণযোগ্য হয় না। এ ক্ষেত্রেও রাস্তার দোকানদাররা, হকাররাতো তাদের দোকান বসাতে পারবেন না।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও তার দেশে করোনা প্রকোপের মধ্যেই সব খুলে অর্থনীতি সচল করার তাগাদা দিয়েছেন, কিন্তু তারপরও সেই চাওয়া উপেক্ষা করে বিশেষজ্ঞ, পরামর্শক ডা. ফাউসি সবকিছু খুলে না দেওয়ার পক্ষে অটল রয়েছেন। ব্রাজিলেও দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনা পরিস্থিতিতে সব সচল রাখার ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট বলসোনারোর সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করেছেন। তাতে তিনি মন্ত্রীত্বও হারিয়েছেন। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও বিশেষজ্ঞদের সরকারকে বলতে হবে, করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা যখন ঊর্ধ্বমুখী, তখন সব চালু করার সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী কিনা। জনমনে করোনা নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে, এ বিষয়ে স্পষ্ট করে বললেই জনগণের মধ্যে আস্থা ও স্বস্তি ফিরবে।