ঢাকা ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাংবাদিক কাজলের মুক্তি চেয়েছেন নব্বই গণ-অভ্যুত্থানের ছাত্রনেতারা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

নিখোঁজের পর অনুপ্রবেশ মামলায় কারাবন্দী সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের নিঃশর্ত মুক্তি চেয়েছেন নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের ছাত্রনেতারা। তারা আশা করেন, কাজলকে হয়রানি না করে দ্রুত মুক্তি দিয়ে সরকার ও রাষ্ট্র দায়িত্বশীল আচরণ করবে।

আজ মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই দাবি জানানো হয়।

বিবৃতিতে সাবেক ছাত্রনেতারা বলেন, গত ১০ মার্চ অপহরণের ৫৩ দিন পর বেনাপোল সীমান্ত থেকে কাজলকে উদ্ধার করা হয় এবং পরে তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের অভিযোগে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। কিন্তু তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল আইনে আরও তিনটি মামলা ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো এবং তাকে পিছমোড়া করে হাতকড়া পরানো খুবই উদ্বেগের বিষয় এবং মানবাধিকার পরিপন্থী।

শফিকুল ইসলাম কাজলকে একজন সৎ ও সাহসী সাংবাদিক হিসেবে বর্ণনা করে সাবেক ছাত্রনেতারা বলেন, নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থান, শহীদজননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে করা গণআদালতে কাজল সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। এ ছাড়া ওয়ান-ইলেভেনের সময় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তিনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর দুর্লভ সব ছবি ক্যামেরাবন্দী করেন।

শফিকুল ইসলাম কাজল অপহৃত হওয়ার পর থেকেই তাকে উদ্ধার ও মুক্তি চেয়ে দেশের প্রগতিশীল রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক নেতাকর্মী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতারা সোচ্চার ছিলেন।

কাজলকে জীবিত উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে বিবৃতিতে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কোনো একটা স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে আরও নতুন মামলা দিয়ে কাজলের মুক্তি প্রলম্বিত করা হলে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তিগুলোই প্রাকারান্তরে লাভবান হবে। সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলকে হয়রানি না করে দ্রুত মুক্তি দিয়ে সরকার ও রাষ্ট্র দায়িত্বশীল আচারণ করবে বলে প্রত্যাশা করেন নেতারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

সাংবাদিক কাজলের মুক্তি চেয়েছেন নব্বই গণ-অভ্যুত্থানের ছাত্রনেতারা

আপডেট সময় ০৭:৫৬:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

নিখোঁজের পর অনুপ্রবেশ মামলায় কারাবন্দী সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের নিঃশর্ত মুক্তি চেয়েছেন নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের ছাত্রনেতারা। তারা আশা করেন, কাজলকে হয়রানি না করে দ্রুত মুক্তি দিয়ে সরকার ও রাষ্ট্র দায়িত্বশীল আচরণ করবে।

আজ মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই দাবি জানানো হয়।

বিবৃতিতে সাবেক ছাত্রনেতারা বলেন, গত ১০ মার্চ অপহরণের ৫৩ দিন পর বেনাপোল সীমান্ত থেকে কাজলকে উদ্ধার করা হয় এবং পরে তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের অভিযোগে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। কিন্তু তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল আইনে আরও তিনটি মামলা ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো এবং তাকে পিছমোড়া করে হাতকড়া পরানো খুবই উদ্বেগের বিষয় এবং মানবাধিকার পরিপন্থী।

শফিকুল ইসলাম কাজলকে একজন সৎ ও সাহসী সাংবাদিক হিসেবে বর্ণনা করে সাবেক ছাত্রনেতারা বলেন, নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থান, শহীদজননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে করা গণআদালতে কাজল সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। এ ছাড়া ওয়ান-ইলেভেনের সময় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তিনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর দুর্লভ সব ছবি ক্যামেরাবন্দী করেন।

শফিকুল ইসলাম কাজল অপহৃত হওয়ার পর থেকেই তাকে উদ্ধার ও মুক্তি চেয়ে দেশের প্রগতিশীল রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক নেতাকর্মী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতারা সোচ্চার ছিলেন।

কাজলকে জীবিত উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে বিবৃতিতে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কোনো একটা স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে আরও নতুন মামলা দিয়ে কাজলের মুক্তি প্রলম্বিত করা হলে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তিগুলোই প্রাকারান্তরে লাভবান হবে। সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলকে হয়রানি না করে দ্রুত মুক্তি দিয়ে সরকার ও রাষ্ট্র দায়িত্বশীল আচারণ করবে বলে প্রত্যাশা করেন নেতারা।