ঢাকা ০৮:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপত্তি থাকলে আগেই বলুন, বিল পাশের পর বলছেন আমি কিছু বুঝিলাম না:জামায়াত আমিরকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির উচিত বিতর্কিত কর্মকাণ্ডগুলো ৬ মাসের মধ্যেই শেষ করে ফেলা: সামান্থা খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু এসএসসির খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা শত্রুতামূলক আচরণ না করলে হরমুজ দিয়ে মার্কিন জাহাজ চলতে পারবে: ইরান লেবাননে কোনো যুদ্ধবিরতি চলছে না, হামলা অব্যাহত থাকবে: নেতানিয়াহু বাংলা নববর্ষ উদযাপন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার ডিএমপির উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার করবে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল ১৬ বছরের দুর্নীতি-লুটপাটে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে: অর্থমন্ত্রী

ফেব্রুয়ারিতে আকাশে দেখা মিলবে বিরল ধূমকেতু

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

রাতের আকাশে তাকালে অনেক সময় তারা ছাড়া আর কিছুই চোখে পড়ে না। কিন্তু কিছু সময় আসে, যখন আকাশে দেখা দেয় এক বিশেষ অতিথি। এমনই এক অতিথি হলো নতুন ধূমকেতু সি/২০২৪ ই১ (ভিয়ারজোস)। এটি এখন ধীরে ধীরে পৃথিবীর আকাশের দিকে এগিয়ে আসছে।

এই ধূমকেতুটি প্রথম ধরা পড়ে ২০২৪ সালের মার্চ মাসে। বিজ্ঞানীরা আকাশ পর্যবেক্ষণের সময় এটি খুঁজে পান। ধূমকেতুটি এসেছে সৌরজগতের একেবারে দূরের অংশ থেকে, যাকে বলা হয় ওর্ট মেঘ (বরফে ভরা বিশাল অঞ্চল, যেখানে অসংখ্য ধূমকেতু জন্ম নেয়)। সূর্যের দিকে আসতে আসতে এটি এখন পৃথিবীর কাছাকাছি পৌঁছাচ্ছে।

বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, ধূমকেতুটি যখন সূর্যের দিকে এগিয়ে আসে, তখন এর বরফ গলতে শুরু করে। এতে তৈরি হয় লম্বা উজ্জ্বল লেজ। এই লেজই ধূমকেতুকে আলাদা করে চিনিয়ে দেয়। শক্তিশালী জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ দিয়ে ধূমকেতুটি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, এর আলোতে কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস তুলনামূলক কম। এর মানে, ধূমকেতুটি তৈরি হওয়ার সময় এই উপাদান কম ছিল, অথবা আগেই হারিয়ে গেছে।

দক্ষিণ গোলার্ধে বসবাসকারীরা ইতোমধ্যে ধূমকেতুটির ছবি তুলেছেন। খোলা আকাশ আর পরিষ্কার রাতে এটি দেখা গেছে। উত্তর গোলার্ধের দেশগুলোতেও ধীরে ধীরে দেখার সুযোগ আসছে। বিশেষ করে ১৭ ফেব্রুয়ারির পর, যখন ধূমকেতুটি পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে যাবে।

বাংলাদেশের আকাশ থেকে এটি দেখা যাবে কি না—এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত খবর নেই। তবে আকাশ পরিষ্কার থাকলে এবং আলো কম থাকলে (শহরের কৃত্রিম আলো কম হলে) খুব ভোর রাতে বা গভীর রাতে দূরবীন দিয়ে দেখার চেষ্টা করা যেতে পারে। কিছু জায়গায় খালি চোখেও হালকা আলো দেখা যেতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ: এডিবি

ফেব্রুয়ারিতে আকাশে দেখা মিলবে বিরল ধূমকেতু

আপডেট সময় ১০:০৪:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

রাতের আকাশে তাকালে অনেক সময় তারা ছাড়া আর কিছুই চোখে পড়ে না। কিন্তু কিছু সময় আসে, যখন আকাশে দেখা দেয় এক বিশেষ অতিথি। এমনই এক অতিথি হলো নতুন ধূমকেতু সি/২০২৪ ই১ (ভিয়ারজোস)। এটি এখন ধীরে ধীরে পৃথিবীর আকাশের দিকে এগিয়ে আসছে।

এই ধূমকেতুটি প্রথম ধরা পড়ে ২০২৪ সালের মার্চ মাসে। বিজ্ঞানীরা আকাশ পর্যবেক্ষণের সময় এটি খুঁজে পান। ধূমকেতুটি এসেছে সৌরজগতের একেবারে দূরের অংশ থেকে, যাকে বলা হয় ওর্ট মেঘ (বরফে ভরা বিশাল অঞ্চল, যেখানে অসংখ্য ধূমকেতু জন্ম নেয়)। সূর্যের দিকে আসতে আসতে এটি এখন পৃথিবীর কাছাকাছি পৌঁছাচ্ছে।

বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, ধূমকেতুটি যখন সূর্যের দিকে এগিয়ে আসে, তখন এর বরফ গলতে শুরু করে। এতে তৈরি হয় লম্বা উজ্জ্বল লেজ। এই লেজই ধূমকেতুকে আলাদা করে চিনিয়ে দেয়। শক্তিশালী জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ দিয়ে ধূমকেতুটি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, এর আলোতে কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস তুলনামূলক কম। এর মানে, ধূমকেতুটি তৈরি হওয়ার সময় এই উপাদান কম ছিল, অথবা আগেই হারিয়ে গেছে।

দক্ষিণ গোলার্ধে বসবাসকারীরা ইতোমধ্যে ধূমকেতুটির ছবি তুলেছেন। খোলা আকাশ আর পরিষ্কার রাতে এটি দেখা গেছে। উত্তর গোলার্ধের দেশগুলোতেও ধীরে ধীরে দেখার সুযোগ আসছে। বিশেষ করে ১৭ ফেব্রুয়ারির পর, যখন ধূমকেতুটি পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে যাবে।

বাংলাদেশের আকাশ থেকে এটি দেখা যাবে কি না—এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত খবর নেই। তবে আকাশ পরিষ্কার থাকলে এবং আলো কম থাকলে (শহরের কৃত্রিম আলো কম হলে) খুব ভোর রাতে বা গভীর রাতে দূরবীন দিয়ে দেখার চেষ্টা করা যেতে পারে। কিছু জায়গায় খালি চোখেও হালকা আলো দেখা যেতে পারে।