ঢাকা ০৮:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

ফেব্রুয়ারিতে আকাশে দেখা মিলবে বিরল ধূমকেতু

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

রাতের আকাশে তাকালে অনেক সময় তারা ছাড়া আর কিছুই চোখে পড়ে না। কিন্তু কিছু সময় আসে, যখন আকাশে দেখা দেয় এক বিশেষ অতিথি। এমনই এক অতিথি হলো নতুন ধূমকেতু সি/২০২৪ ই১ (ভিয়ারজোস)। এটি এখন ধীরে ধীরে পৃথিবীর আকাশের দিকে এগিয়ে আসছে।

এই ধূমকেতুটি প্রথম ধরা পড়ে ২০২৪ সালের মার্চ মাসে। বিজ্ঞানীরা আকাশ পর্যবেক্ষণের সময় এটি খুঁজে পান। ধূমকেতুটি এসেছে সৌরজগতের একেবারে দূরের অংশ থেকে, যাকে বলা হয় ওর্ট মেঘ (বরফে ভরা বিশাল অঞ্চল, যেখানে অসংখ্য ধূমকেতু জন্ম নেয়)। সূর্যের দিকে আসতে আসতে এটি এখন পৃথিবীর কাছাকাছি পৌঁছাচ্ছে।

বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, ধূমকেতুটি যখন সূর্যের দিকে এগিয়ে আসে, তখন এর বরফ গলতে শুরু করে। এতে তৈরি হয় লম্বা উজ্জ্বল লেজ। এই লেজই ধূমকেতুকে আলাদা করে চিনিয়ে দেয়। শক্তিশালী জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ দিয়ে ধূমকেতুটি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, এর আলোতে কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস তুলনামূলক কম। এর মানে, ধূমকেতুটি তৈরি হওয়ার সময় এই উপাদান কম ছিল, অথবা আগেই হারিয়ে গেছে।

দক্ষিণ গোলার্ধে বসবাসকারীরা ইতোমধ্যে ধূমকেতুটির ছবি তুলেছেন। খোলা আকাশ আর পরিষ্কার রাতে এটি দেখা গেছে। উত্তর গোলার্ধের দেশগুলোতেও ধীরে ধীরে দেখার সুযোগ আসছে। বিশেষ করে ১৭ ফেব্রুয়ারির পর, যখন ধূমকেতুটি পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে যাবে।

বাংলাদেশের আকাশ থেকে এটি দেখা যাবে কি না—এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত খবর নেই। তবে আকাশ পরিষ্কার থাকলে এবং আলো কম থাকলে (শহরের কৃত্রিম আলো কম হলে) খুব ভোর রাতে বা গভীর রাতে দূরবীন দিয়ে দেখার চেষ্টা করা যেতে পারে। কিছু জায়গায় খালি চোখেও হালকা আলো দেখা যেতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নানা পাটেকরের মৃত্যু: তনুশ্রীর ‘শয়তানের মৃত্যু’ মন্তব্যে পুরোনো বিতর্ক

ফেব্রুয়ারিতে আকাশে দেখা মিলবে বিরল ধূমকেতু

আপডেট সময় ১০:০৪:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

রাতের আকাশে তাকালে অনেক সময় তারা ছাড়া আর কিছুই চোখে পড়ে না। কিন্তু কিছু সময় আসে, যখন আকাশে দেখা দেয় এক বিশেষ অতিথি। এমনই এক অতিথি হলো নতুন ধূমকেতু সি/২০২৪ ই১ (ভিয়ারজোস)। এটি এখন ধীরে ধীরে পৃথিবীর আকাশের দিকে এগিয়ে আসছে।

এই ধূমকেতুটি প্রথম ধরা পড়ে ২০২৪ সালের মার্চ মাসে। বিজ্ঞানীরা আকাশ পর্যবেক্ষণের সময় এটি খুঁজে পান। ধূমকেতুটি এসেছে সৌরজগতের একেবারে দূরের অংশ থেকে, যাকে বলা হয় ওর্ট মেঘ (বরফে ভরা বিশাল অঞ্চল, যেখানে অসংখ্য ধূমকেতু জন্ম নেয়)। সূর্যের দিকে আসতে আসতে এটি এখন পৃথিবীর কাছাকাছি পৌঁছাচ্ছে।

বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, ধূমকেতুটি যখন সূর্যের দিকে এগিয়ে আসে, তখন এর বরফ গলতে শুরু করে। এতে তৈরি হয় লম্বা উজ্জ্বল লেজ। এই লেজই ধূমকেতুকে আলাদা করে চিনিয়ে দেয়। শক্তিশালী জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ দিয়ে ধূমকেতুটি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, এর আলোতে কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস তুলনামূলক কম। এর মানে, ধূমকেতুটি তৈরি হওয়ার সময় এই উপাদান কম ছিল, অথবা আগেই হারিয়ে গেছে।

দক্ষিণ গোলার্ধে বসবাসকারীরা ইতোমধ্যে ধূমকেতুটির ছবি তুলেছেন। খোলা আকাশ আর পরিষ্কার রাতে এটি দেখা গেছে। উত্তর গোলার্ধের দেশগুলোতেও ধীরে ধীরে দেখার সুযোগ আসছে। বিশেষ করে ১৭ ফেব্রুয়ারির পর, যখন ধূমকেতুটি পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে যাবে।

বাংলাদেশের আকাশ থেকে এটি দেখা যাবে কি না—এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত খবর নেই। তবে আকাশ পরিষ্কার থাকলে এবং আলো কম থাকলে (শহরের কৃত্রিম আলো কম হলে) খুব ভোর রাতে বা গভীর রাতে দূরবীন দিয়ে দেখার চেষ্টা করা যেতে পারে। কিছু জায়গায় খালি চোখেও হালকা আলো দেখা যেতে পারে।