ঢাকা ০৮:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

মণিপুরে ফের সহিংসতা, পাঁচদিন বন্ধ ইন্টারনেট

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ভারতের মণিপুর রাজ্যে সহিংসতার জেরে পাঁচ দিনের জন্য ইন্টারনেট ও ডেটা পরিষেবা স্থগিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে উখরুল জেলায় এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।

এর আওতায় মোবাইল ডেটা, ব্রডব্যান্ড, ভিপিএন ও ভিএসএটি পরিষেবাও বন্ধ থাকবে। গত রবিবার উখরুল জেলার লিটান বাজারে শুরু হওয়া সহিংসতার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সরকারি আদেশে বলা হয়েছে, কিছু উগ্রগোষ্ঠী জনসাধারণকে উসকানি দিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি, পোস্ট ও ভিডিও বার্তা ছড়িয়ে দিতে পারে। এতে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর গুরুতর ও নেতিবাচক প্রভাব পড়ার শঙ্কা রয়েছে।

পুলিশ জানায়, রবিবার রাত থেকে নাগা ও কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষে কমপক্ষে দুই ডজন বাড়ি এবং কয়েকটি ব্যক্তিগত যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করা হয়। তাংখুল নাগা সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হওয়ার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ ঘটনার জন্য কুকি সম্প্রদায়ের কয়েকজনকে দায়ী করেছে। এরপর উভয় সম্প্রদায়ের সদস্যরা সংঘর্ষ, দাঙ্গা ও অগ্নিসংযোগে লিপ্ত হন।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ২০টিরও বেশি ব্যক্তিগত বাড়ি এবং সরকারি কোয়ার্টারে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। ফলে গতকাল সোমবার শত শত গ্রামবাসী নিরাপদ স্থানে সরতে বাধ্য হয়েছেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রাতেই অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি করেছেন এবং রাজ্য ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি লাইসেন্সপ্রাপ্ত আগ্নেয়াস্ত্র বহনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তবে পরিস্থিতি এখনও উত্তেজনাপূর্ণ রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মণিপুরে ফের সহিংসতা, পাঁচদিন বন্ধ ইন্টারনেট

আপডেট সময় ০৭:২৫:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ভারতের মণিপুর রাজ্যে সহিংসতার জেরে পাঁচ দিনের জন্য ইন্টারনেট ও ডেটা পরিষেবা স্থগিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে উখরুল জেলায় এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।

এর আওতায় মোবাইল ডেটা, ব্রডব্যান্ড, ভিপিএন ও ভিএসএটি পরিষেবাও বন্ধ থাকবে। গত রবিবার উখরুল জেলার লিটান বাজারে শুরু হওয়া সহিংসতার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সরকারি আদেশে বলা হয়েছে, কিছু উগ্রগোষ্ঠী জনসাধারণকে উসকানি দিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি, পোস্ট ও ভিডিও বার্তা ছড়িয়ে দিতে পারে। এতে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর গুরুতর ও নেতিবাচক প্রভাব পড়ার শঙ্কা রয়েছে।

পুলিশ জানায়, রবিবার রাত থেকে নাগা ও কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষে কমপক্ষে দুই ডজন বাড়ি এবং কয়েকটি ব্যক্তিগত যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করা হয়। তাংখুল নাগা সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হওয়ার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ ঘটনার জন্য কুকি সম্প্রদায়ের কয়েকজনকে দায়ী করেছে। এরপর উভয় সম্প্রদায়ের সদস্যরা সংঘর্ষ, দাঙ্গা ও অগ্নিসংযোগে লিপ্ত হন।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ২০টিরও বেশি ব্যক্তিগত বাড়ি এবং সরকারি কোয়ার্টারে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। ফলে গতকাল সোমবার শত শত গ্রামবাসী নিরাপদ স্থানে সরতে বাধ্য হয়েছেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রাতেই অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি করেছেন এবং রাজ্য ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি লাইসেন্সপ্রাপ্ত আগ্নেয়াস্ত্র বহনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তবে পরিস্থিতি এখনও উত্তেজনাপূর্ণ রয়েছে।