ঢাকা ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নতুন এমপিওভুক্তিতে ঘুষ চাইলেই মামলা: দুদক চেয়ারম্যান

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্তিতে কোনো প্রকার ঘুষ চাইলেই মামলা করা হবে বলে হুশিয়ার করে দিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের আলোকে দেশের নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্তির কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

এ প্রেক্ষাপটে নতুন এমপিওভুক্তিতে ব্যাপক দুর্নীতি হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট একাধিক শিক্ষক-কর্মচারী নামে-বেনামে দুদকে এমন অভিযোগ দেয়ার পরই সংস্থাটির চেয়ারম্যান এমন হুশিয়ার দিলেন।

ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘এক্ষেত্রে কোনো ঘুম দুর্নীতি সহ্য করা হবে না।’

মঙ্গলবার দুদকের পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দুদকে আসা বিভিন্ন অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কাগজপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষার নামে কোনো কোনো উপজেলা শিক্ষা অফিস, জেলা শিক্ষা অফিস এবং আঞ্চলিক শিক্ষা অফিসসমূহের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী অনৈতিকভাবে অর্থ দাবি করছেন। আর ইতিমধ্যে কমিশনের গোয়েন্দা অনুবিভাগ এসব অভিযোগ কমিশনকে অবহিত করেছেন।

এ প্রেক্ষাপটে ইকবাল মাহমুদ দুদকের গোয়েন্দা অনুবিভাগ, সকল সমন্বিত জেলা কার্যালয় (সজেকা) এবং বিভাগীয় কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিক এক বার্তায় নির্দেশনা দিয়েছেন।

দুদক চেয়ারম্যান বলেছেন, ‘শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্তিকরণে কোনো প্রকার দুর্নীতি-অনিয়ম-হয়রানি কমিশন সহ্য করবে না। দুদকের জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ ও বিভাগীয় কার্যালয়ের কর্মকর্তাগণ এই এমপিওভুক্তিকরণ কার্যক্রম নিবিড় নজরদারি করবেন।’

তিনি বলেন, ‘কোনো অবস্থাতেই কোনো অযোগ্য শিক্ষক যেন ঘুষ প্রদানের মাধ্যমে এমপিওভুক্ত হতে না পারেন। আবার কোনো যোগ্য শিক্ষক-কর্মচারীর কাছ থেকে সংশ্লিষ্ট অফিসের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী যাচাই-বাছাইয়ের নামে ঘুষ গ্রহণ করার সুযোগও যেন না পায়।’

ইকবাল মাহমুদ আরও বলেন, ‘এ কার্যক্রম এমনভাবে মনিটরিং করতে হবে, যাতে কারো পক্ষে ঘুষ দেয়া এবং ঘুষ নেয়ার সুযোগ না থাকে। প্রয়োজনে ফাঁদ মামলা পরিচালনা করে অপরাধীদের আইন-আমলে নিয়ে আসতে হবে।’

‘এক্ষেত্রে দুর্নীতি দমন আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। সবাইকে মনে রাখতে হবে ঘুষ নেয়া যেমন ফৌজদারি অপরাধ, তেমনি ঘুষ দেয়াও একই জাতীয় (সমান) অপরাধ। এ অপরাধে যারাই সম্পৃক্ত হবেন তাদেরকে আইনের মুখোমুখি করা হবে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

নতুন এমপিওভুক্তিতে ঘুষ চাইলেই মামলা: দুদক চেয়ারম্যান

আপডেট সময় ১২:৪৪:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্তিতে কোনো প্রকার ঘুষ চাইলেই মামলা করা হবে বলে হুশিয়ার করে দিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের আলোকে দেশের নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্তির কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

এ প্রেক্ষাপটে নতুন এমপিওভুক্তিতে ব্যাপক দুর্নীতি হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট একাধিক শিক্ষক-কর্মচারী নামে-বেনামে দুদকে এমন অভিযোগ দেয়ার পরই সংস্থাটির চেয়ারম্যান এমন হুশিয়ার দিলেন।

ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘এক্ষেত্রে কোনো ঘুম দুর্নীতি সহ্য করা হবে না।’

মঙ্গলবার দুদকের পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দুদকে আসা বিভিন্ন অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কাগজপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষার নামে কোনো কোনো উপজেলা শিক্ষা অফিস, জেলা শিক্ষা অফিস এবং আঞ্চলিক শিক্ষা অফিসসমূহের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী অনৈতিকভাবে অর্থ দাবি করছেন। আর ইতিমধ্যে কমিশনের গোয়েন্দা অনুবিভাগ এসব অভিযোগ কমিশনকে অবহিত করেছেন।

এ প্রেক্ষাপটে ইকবাল মাহমুদ দুদকের গোয়েন্দা অনুবিভাগ, সকল সমন্বিত জেলা কার্যালয় (সজেকা) এবং বিভাগীয় কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিক এক বার্তায় নির্দেশনা দিয়েছেন।

দুদক চেয়ারম্যান বলেছেন, ‘শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্তিকরণে কোনো প্রকার দুর্নীতি-অনিয়ম-হয়রানি কমিশন সহ্য করবে না। দুদকের জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ ও বিভাগীয় কার্যালয়ের কর্মকর্তাগণ এই এমপিওভুক্তিকরণ কার্যক্রম নিবিড় নজরদারি করবেন।’

তিনি বলেন, ‘কোনো অবস্থাতেই কোনো অযোগ্য শিক্ষক যেন ঘুষ প্রদানের মাধ্যমে এমপিওভুক্ত হতে না পারেন। আবার কোনো যোগ্য শিক্ষক-কর্মচারীর কাছ থেকে সংশ্লিষ্ট অফিসের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী যাচাই-বাছাইয়ের নামে ঘুষ গ্রহণ করার সুযোগও যেন না পায়।’

ইকবাল মাহমুদ আরও বলেন, ‘এ কার্যক্রম এমনভাবে মনিটরিং করতে হবে, যাতে কারো পক্ষে ঘুষ দেয়া এবং ঘুষ নেয়ার সুযোগ না থাকে। প্রয়োজনে ফাঁদ মামলা পরিচালনা করে অপরাধীদের আইন-আমলে নিয়ে আসতে হবে।’

‘এক্ষেত্রে দুর্নীতি দমন আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। সবাইকে মনে রাখতে হবে ঘুষ নেয়া যেমন ফৌজদারি অপরাধ, তেমনি ঘুষ দেয়াও একই জাতীয় (সমান) অপরাধ। এ অপরাধে যারাই সম্পৃক্ত হবেন তাদেরকে আইনের মুখোমুখি করা হবে।’