ঢাকা ০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি দপ্তর ও উন্নয়ন প্রকল্পে দলীয় সিন্ডিকেট চলবে না: আইনমন্ত্রী ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্যই হাসিনা দেশে ফিরবেন: নাহিদ ইসলাম নাহিদ-আসিফ-পাটওয়ারীকে নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য দিলেন নুর জনগণের জীবনমান উন্নয়ন বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী বন্যার দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রতিমন্ত্রী অমিতকে দায়িত্ব দিল সরকার কালেমা লেখা পতাকায় জঙ্গি নাটক তৈরির ষড়যন্ত্র চলছে সরকারকে সতর্ক থাকার পরামর্শ ফয়জুল করিমের খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার ইরানের ১৩ উপজেলায় নতুন হাসপাতাল অনুমোদন মেধাভিত্তিক ও বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়াই সরকারের অঙ্গীকার : মাহদী আমিন

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন আইসিইউতে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। করোনাভাইরাসের জীবাণু শনাক্ত হওয়ার পর রোববার (৩ মে) সন্ধ্যায় মুনতাসীর মামুনকে রাজধানীর মুগদা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মুগদা জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মুনতাসীর মামুনের শারীরিক অবস্থা ভালো নয়। রাতেই তাকে আইসিইউতে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

মুনতাসীর মামুনের শৈশব-কৈশোর কেটেছে চট্টগ্রামে। চট্টগ্রাম পোর্ট ট্রাস্ট প্রাইমারি ও হাইস্কুলে এবং চট্টগ্রাম কলেজে তিনি পড়াশোনা করেছেন। ১৯৬৮ সালে ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগে। ১৯৭২ সালে তিনি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন এবং একই বিভাগ থেকে ১৯৮৩ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। স্বাধীনতার পর ইতিহাস বিভাগ থেকে তিনিই প্রথম পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।

একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটিতে সহ-সভাপতির পদে আছেন তিনি। স্বাধীন বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ডাকসুর প্রথম নির্বাচনে সদস্য পদে জয়ী হয়েছিলেন মুনতাসীর মামুন। একই সময়ে তিনি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক সংসদের সভাপতি।

৬৯ বছর বয়সী অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন জাতীয় জাদুঘরের ট্রাস্টি বোর্ড এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ও জাতীয় আর্কাইভসের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ছিলেন। ঢাকা নগর জাদুঘরের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা তিনি। তিনি বাংলা একাডেমির একজন ফেলো।

প্রফেসর ডা. মনিলাল আইচ লিটু বলেন, অধ্যাপক মুনতাসীর মামুনকে আজ বিকালে এখানে আনা হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা ভালো না। তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। তিনি চোখেও ঠিকমতো দেখতে পাচ্ছেন না। তার অক্সিজেন স্যাচুরেশন কমে গেছে। তাকে সুস্থ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।

এর আগে বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদক একটি বিশেষ প্রতিবেদনের জন্য অধ্যাপক মুনতাসীর মামুনকে ফোন করলে তিনি মুগদা হাসপাতালে যাচ্ছেন জানিয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি দপ্তর ও উন্নয়ন প্রকল্পে দলীয় সিন্ডিকেট চলবে না: আইনমন্ত্রী

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন আইসিইউতে

আপডেট সময় ১০:৪৭:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। করোনাভাইরাসের জীবাণু শনাক্ত হওয়ার পর রোববার (৩ মে) সন্ধ্যায় মুনতাসীর মামুনকে রাজধানীর মুগদা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মুগদা জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মুনতাসীর মামুনের শারীরিক অবস্থা ভালো নয়। রাতেই তাকে আইসিইউতে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

মুনতাসীর মামুনের শৈশব-কৈশোর কেটেছে চট্টগ্রামে। চট্টগ্রাম পোর্ট ট্রাস্ট প্রাইমারি ও হাইস্কুলে এবং চট্টগ্রাম কলেজে তিনি পড়াশোনা করেছেন। ১৯৬৮ সালে ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগে। ১৯৭২ সালে তিনি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন এবং একই বিভাগ থেকে ১৯৮৩ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। স্বাধীনতার পর ইতিহাস বিভাগ থেকে তিনিই প্রথম পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।

একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটিতে সহ-সভাপতির পদে আছেন তিনি। স্বাধীন বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ডাকসুর প্রথম নির্বাচনে সদস্য পদে জয়ী হয়েছিলেন মুনতাসীর মামুন। একই সময়ে তিনি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক সংসদের সভাপতি।

৬৯ বছর বয়সী অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন জাতীয় জাদুঘরের ট্রাস্টি বোর্ড এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ও জাতীয় আর্কাইভসের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ছিলেন। ঢাকা নগর জাদুঘরের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা তিনি। তিনি বাংলা একাডেমির একজন ফেলো।

প্রফেসর ডা. মনিলাল আইচ লিটু বলেন, অধ্যাপক মুনতাসীর মামুনকে আজ বিকালে এখানে আনা হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা ভালো না। তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। তিনি চোখেও ঠিকমতো দেখতে পাচ্ছেন না। তার অক্সিজেন স্যাচুরেশন কমে গেছে। তাকে সুস্থ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।

এর আগে বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদক একটি বিশেষ প্রতিবেদনের জন্য অধ্যাপক মুনতাসীর মামুনকে ফোন করলে তিনি মুগদা হাসপাতালে যাচ্ছেন জানিয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।