ঢাকা ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

শ্রমিকের বেতন ক্যাশ আউটে লাগবে হাজারে ৪ টাকা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিশেষ ঋণ সুবিধার আওতায় রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠান সমূহের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ক্যাশ আউটের ক্ষেত্রে হাজারে ৮ টাকা ফি আদায়ের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী এক হাজারে ১৮ থেকে ২০ টাকা ফি কেটে নেয় মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) এজেন্ট। তবে রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠান সমূহের কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এত টাকা নিতে পারবেন না কোন এমএফএস কোম্পানি।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেম ডিপার্টমেন্ট থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

বাংলাদেশে কার্যরত সকল তফসিলি ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডারদের উদ্দেশ্যে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গত ২ এপ্রিল রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য সকলকে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) একাউন্ট খোলার নির্দেশনা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এই স্কিমের আওতায় পরিশোধিত বেতন ভাতা ক্যাশ আউট এর ক্ষেত্রে শ্রমিক-কর্মচারীদের স্বার্থ বিবেচনায় ফি আদায়ে শুধুমাত্র কস্ট রিকভারি বা কোন ক্ষেত্রে সাবসিডি প্রদানের জন্য অপারেটরদেরকে (নগদ সহ) অনুরোধ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ বা হাজারে ৮ টাকার বেশি চার্জ আদায় করা যাবে না। এর মধ্যেও এমএফএস অপারেটরদের নিজেদের কমিশন থেকে ৪ টাকা প্রদান করবে ঋণ প্রদানকারী ব্যাংক। বাকি ৪ টাকা পরিশোধ করবে গ্রাহক বা প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক।

উল্লেখ, গত ২ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) একটি সার্কুলার জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। সার্কুলারে বলা হয়, রপ্তানিমুখী শিল্প খাতের শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন করা হয়েছে। এই তহবিল থেকে কেবল সচল রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকরা ঋণ নিতে পারবেন। এজন্য প্রতিষ্ঠানের মালিকদের গুনতে হবে এককালীন ২ শতাংশ সুদ বা সার্ভিস চার্জ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

শ্রমিকের বেতন ক্যাশ আউটে লাগবে হাজারে ৪ টাকা

আপডেট সময় ০৩:৩১:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিশেষ ঋণ সুবিধার আওতায় রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠান সমূহের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ক্যাশ আউটের ক্ষেত্রে হাজারে ৮ টাকা ফি আদায়ের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী এক হাজারে ১৮ থেকে ২০ টাকা ফি কেটে নেয় মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) এজেন্ট। তবে রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠান সমূহের কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এত টাকা নিতে পারবেন না কোন এমএফএস কোম্পানি।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেম ডিপার্টমেন্ট থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

বাংলাদেশে কার্যরত সকল তফসিলি ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডারদের উদ্দেশ্যে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গত ২ এপ্রিল রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য সকলকে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) একাউন্ট খোলার নির্দেশনা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এই স্কিমের আওতায় পরিশোধিত বেতন ভাতা ক্যাশ আউট এর ক্ষেত্রে শ্রমিক-কর্মচারীদের স্বার্থ বিবেচনায় ফি আদায়ে শুধুমাত্র কস্ট রিকভারি বা কোন ক্ষেত্রে সাবসিডি প্রদানের জন্য অপারেটরদেরকে (নগদ সহ) অনুরোধ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ বা হাজারে ৮ টাকার বেশি চার্জ আদায় করা যাবে না। এর মধ্যেও এমএফএস অপারেটরদের নিজেদের কমিশন থেকে ৪ টাকা প্রদান করবে ঋণ প্রদানকারী ব্যাংক। বাকি ৪ টাকা পরিশোধ করবে গ্রাহক বা প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক।

উল্লেখ, গত ২ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) একটি সার্কুলার জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। সার্কুলারে বলা হয়, রপ্তানিমুখী শিল্প খাতের শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন করা হয়েছে। এই তহবিল থেকে কেবল সচল রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকরা ঋণ নিতে পারবেন। এজন্য প্রতিষ্ঠানের মালিকদের গুনতে হবে এককালীন ২ শতাংশ সুদ বা সার্ভিস চার্জ।