ঢাকা ০১:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মৃত্যু নির্বাচনে ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন মুহাম্মদ ইউনূস থাইল্যান্ডে চলন্ত ট্রেনের ওপর ভেঙে পড়ল ক্রেন, নিহত ২২ জাস্টিস ফর হাদি, ইনশাআল্লাহ : মির্জা ফখরুল আলমগীর টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান

ওমানে ৯ মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না বাংলাদেশি শ্রমিক

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ওমানের রাজধানী মাসকটে কর্মরত একশ থেকে দেড়শ বাংলাদেশি শ্রমিক গত ৯ মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন। মাসকটে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন। দূতাবাসের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা বলেন, সময়মত শ্রমিকদের পারিশ্রমিক না দেয়ার ব্যাপারে অামাদের কাছে বেশকিছু অভিযোগ এসেছে।

দেশটির বারকা শহরের বাংলাদেশি শ্রমিকরা বলছেন, তাদেরকে গত এক বছর ধরে সময়মত পারিশ্রমিক দেয়া হচ্ছে না। একজন কাঠমিস্ত্রির দাবি, আমরা কাজ করছি কিন্তু ঠিকমত বেতন দেয়া হচ্ছে না। দুই থেকে তিন মাস পর অামাদের বেতন দেয়া হচ্ছে। সর্বশেষ ৯ জুলাই বেতন পেয়েছি।

তিনি বলেন, অামি প্রতিমাসে ৯৫ রিয়াল বেতন পাই; এছাড়া অন্যান্য খরচ বাবদ আরো ২৫ রিয়াল পাই। কিন্তু আমরা যদি সময়মত বেতন না পাই, তাহলে আমাদের অবস্থাটা কী হবে একবার ভেবে দেখুন।

ওই কাঠমিস্ত্রি আরো বলেন, সময়মত বেতন না পাওয়ার কারণে অনেক শ্রমিক এই দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। অথচ ওমানের আইন অনুযায়ী বকেয়া বেতন পরিশোধের নির্ধারিত সময়ের সাতদিন পর পর্যন্ত শ্রমিকের বেতন আটকে রাখা দণ্ডনীয় অপরাধ।

ওমানে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাস বলছে, শ্রমিক এবং মালিকপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে। যদি বিষয়টি সমাধান না হয়, সেক্ষেত্রে আমরা শ্রমিকদের আদালতে শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিব। ‘আদালত রায় দিতে অনেক সময় দেরি করে; সেক্ষেত্রে কথা বলে বিষয়টি আপস করাই অনেক ভাল।’

একজন শ্রমিকের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কিছু টাকা দিয়ে তাদেরকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়। বাড়ি চলে আসার পর টাকা তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠানোর কথা বলা হলেও পরে আর তা পরিশোধ করা হয় না।

চলতি মাসের শুরুর দিকে সোহারের একটি ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্মের শ্রমিকরা অভিযোগ করে বলেন, তাদেরকে চারমাস ধরে বেতন দেয়া হচ্ছে না। এছাড়া বিনা বেতনে তাদের ছুটিতে পাঠানো হয়। এমনকি ঠিকমত খাবারও দেয়া হয় না। তবে অভিযোগ ওঠার কিছুদিনের মধ্যেই শ্রম মন্ত্রণালয় এবং ভারতীয় দূতাবাস আটশ শ্রমিককে সহায়তার জন্য এগিয়ে আসে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ওমানে ৯ মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না বাংলাদেশি শ্রমিক

আপডেট সময় ০১:০৫:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ওমানের রাজধানী মাসকটে কর্মরত একশ থেকে দেড়শ বাংলাদেশি শ্রমিক গত ৯ মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন। মাসকটে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন। দূতাবাসের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা বলেন, সময়মত শ্রমিকদের পারিশ্রমিক না দেয়ার ব্যাপারে অামাদের কাছে বেশকিছু অভিযোগ এসেছে।

দেশটির বারকা শহরের বাংলাদেশি শ্রমিকরা বলছেন, তাদেরকে গত এক বছর ধরে সময়মত পারিশ্রমিক দেয়া হচ্ছে না। একজন কাঠমিস্ত্রির দাবি, আমরা কাজ করছি কিন্তু ঠিকমত বেতন দেয়া হচ্ছে না। দুই থেকে তিন মাস পর অামাদের বেতন দেয়া হচ্ছে। সর্বশেষ ৯ জুলাই বেতন পেয়েছি।

তিনি বলেন, অামি প্রতিমাসে ৯৫ রিয়াল বেতন পাই; এছাড়া অন্যান্য খরচ বাবদ আরো ২৫ রিয়াল পাই। কিন্তু আমরা যদি সময়মত বেতন না পাই, তাহলে আমাদের অবস্থাটা কী হবে একবার ভেবে দেখুন।

ওই কাঠমিস্ত্রি আরো বলেন, সময়মত বেতন না পাওয়ার কারণে অনেক শ্রমিক এই দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। অথচ ওমানের আইন অনুযায়ী বকেয়া বেতন পরিশোধের নির্ধারিত সময়ের সাতদিন পর পর্যন্ত শ্রমিকের বেতন আটকে রাখা দণ্ডনীয় অপরাধ।

ওমানে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাস বলছে, শ্রমিক এবং মালিকপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে। যদি বিষয়টি সমাধান না হয়, সেক্ষেত্রে আমরা শ্রমিকদের আদালতে শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিব। ‘আদালত রায় দিতে অনেক সময় দেরি করে; সেক্ষেত্রে কথা বলে বিষয়টি আপস করাই অনেক ভাল।’

একজন শ্রমিকের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কিছু টাকা দিয়ে তাদেরকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়। বাড়ি চলে আসার পর টাকা তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠানোর কথা বলা হলেও পরে আর তা পরিশোধ করা হয় না।

চলতি মাসের শুরুর দিকে সোহারের একটি ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্মের শ্রমিকরা অভিযোগ করে বলেন, তাদেরকে চারমাস ধরে বেতন দেয়া হচ্ছে না। এছাড়া বিনা বেতনে তাদের ছুটিতে পাঠানো হয়। এমনকি ঠিকমত খাবারও দেয়া হয় না। তবে অভিযোগ ওঠার কিছুদিনের মধ্যেই শ্রম মন্ত্রণালয় এবং ভারতীয় দূতাবাস আটশ শ্রমিককে সহায়তার জন্য এগিয়ে আসে।