ঢাকা ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১৭ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ১৯৫, আহত ১১ হাজার: এইচআরএসএসের প্রতিবেদন ক্ষমতায় এলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে দেবে জামায়াত: মিন্টু অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে মাঠ পর্যায় পরিদর্শনে নৌবাহিনী প্রধান জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের ঘটনায় বঙ্গভবনের কর্মকর্তা আটক আমরা বসন্তের কোকিল নই, জুলুম-নির্যাতনের পরও দেশ ছাড়িনি: শফিকুর রহমান ‘শুধু একদিন আমার হাঁসটাকে পাহারা দেন, নির্বাচিত হলে ৫ বছর আপনাদেরকে পাহারা দেব’:রুমিন ফারহানা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ রুখতে ছাত্র-জনতাকে রাজপথে থাকতে হবে: মামুনুল হক সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য জনমুখী নীতিমালার আহ্বান বাংলাদেশের অনলাইন গেমে আসক্তি, নবম তলা থেকে লাফিয়ে তিন বোনের আত্মহত্যা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে ধানের শীষে ভোট চাইলেন যুবলীগ নেতা

২০২২ পর্যন্ত সামাজিক দূরত্বে থাকতে হবে: গবেষণা

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

২০২২ সাল পর্যন্ত সামাজিক দূরত্বে থাকতে হবে বিশ্বকে। না হলে বিপুলসংখ্যক মানুষ অতিমহামারীতে আক্রান্ত হবেন। হাসপাতালে তাদের জায়গা দেয়া যাবে না।

সায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে এ হুশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা। খবর গার্ডিয়ানের।

গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, ‘আগামী দিনে নির্দিষ্ট ঋতুতে বারবার ফিরে আসতে পারে কোভিড ১৯। ওই রোগ সাধারণ সর্দিকাশির চেয়ে অনেক বেশি ছোঁয়াচে। সবচেয়ে বড় কথা, আমরা এখনও নতুন রোগটির সম্পর্কে বেশিকিছু জানি না। একবার সংক্রমণ হলে শরীরে কী ধরনের প্রতিরোধক্ষমতা জন্মায়, সেই ক্ষমতা কতদিন বজায় থাকে, আমরা কিছুই জানি না।’

বিজ্ঞানীদের অন্যতম স্টিফেন কিসলার বলেন, ‘আমরা যতদূর জানতে পেরেছি, কিছুদিনের জন্য সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাই যথেষ্ট নয়। আমেরিকার চিকিৎসা ব্যবস্থার সঙ্গে সাযুজ্য রেখে ভবিষ্যতে দফায় দফায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। কোভিড ১৯ এর নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। রোগ ঠেকাতে বারে বারে সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং বজায় রাখাই হল পথ।’

বিজ্ঞানীদের মতে, ভবিষ্যতে যখনই রোগটি ফের ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দেবে, তখনই ব্যাপক হারে টেস্ট করা প্রয়োজন। করোনার ভ্যাকসিন তৈরি হলে লকডাউনের সময়সীমা কমানো যেতে পারে।

লকডাউনের সময় কিছু ছাড়ও দেয়া যেতে পারে। কিন্তু যতদিন ভ্যাকসিন না বেরোচ্ছে, ততদিন মাঝে মাঝেই লকডাউন চালিয়ে যেতে হবে। যখনই ছাড় দেয়া হবে, তখনই বাড়বে রোগীর সংখ্যা। কিন্তু মাঝে মধ্যে লকডাউন হলে হাসপাতালগুলো তাদের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটের ক্ষমতা বাড়াতে পারবে।

একইসঙ্গে টানা দীর্ঘদিন লকডাউন বা সোশ্যাল ডিসট্যান্সিংয়ের বিরোধিতা করেছেন বিজ্ঞানীরা। তাদের মতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার সময় জনসাধারণের মধ্যে কোনো প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি হয় না। সেজন্য মাঝে মাঝে লকডাউনে ছাড় দেয়া দরকার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১৭ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ১৯৫, আহত ১১ হাজার: এইচআরএসএসের প্রতিবেদন

২০২২ পর্যন্ত সামাজিক দূরত্বে থাকতে হবে: গবেষণা

আপডেট সময় ০৮:৫২:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

২০২২ সাল পর্যন্ত সামাজিক দূরত্বে থাকতে হবে বিশ্বকে। না হলে বিপুলসংখ্যক মানুষ অতিমহামারীতে আক্রান্ত হবেন। হাসপাতালে তাদের জায়গা দেয়া যাবে না।

সায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে এ হুশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা। খবর গার্ডিয়ানের।

গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, ‘আগামী দিনে নির্দিষ্ট ঋতুতে বারবার ফিরে আসতে পারে কোভিড ১৯। ওই রোগ সাধারণ সর্দিকাশির চেয়ে অনেক বেশি ছোঁয়াচে। সবচেয়ে বড় কথা, আমরা এখনও নতুন রোগটির সম্পর্কে বেশিকিছু জানি না। একবার সংক্রমণ হলে শরীরে কী ধরনের প্রতিরোধক্ষমতা জন্মায়, সেই ক্ষমতা কতদিন বজায় থাকে, আমরা কিছুই জানি না।’

বিজ্ঞানীদের অন্যতম স্টিফেন কিসলার বলেন, ‘আমরা যতদূর জানতে পেরেছি, কিছুদিনের জন্য সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাই যথেষ্ট নয়। আমেরিকার চিকিৎসা ব্যবস্থার সঙ্গে সাযুজ্য রেখে ভবিষ্যতে দফায় দফায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। কোভিড ১৯ এর নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। রোগ ঠেকাতে বারে বারে সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং বজায় রাখাই হল পথ।’

বিজ্ঞানীদের মতে, ভবিষ্যতে যখনই রোগটি ফের ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দেবে, তখনই ব্যাপক হারে টেস্ট করা প্রয়োজন। করোনার ভ্যাকসিন তৈরি হলে লকডাউনের সময়সীমা কমানো যেতে পারে।

লকডাউনের সময় কিছু ছাড়ও দেয়া যেতে পারে। কিন্তু যতদিন ভ্যাকসিন না বেরোচ্ছে, ততদিন মাঝে মাঝেই লকডাউন চালিয়ে যেতে হবে। যখনই ছাড় দেয়া হবে, তখনই বাড়বে রোগীর সংখ্যা। কিন্তু মাঝে মধ্যে লকডাউন হলে হাসপাতালগুলো তাদের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটের ক্ষমতা বাড়াতে পারবে।

একইসঙ্গে টানা দীর্ঘদিন লকডাউন বা সোশ্যাল ডিসট্যান্সিংয়ের বিরোধিতা করেছেন বিজ্ঞানীরা। তাদের মতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার সময় জনসাধারণের মধ্যে কোনো প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি হয় না। সেজন্য মাঝে মাঝে লকডাউনে ছাড় দেয়া দরকার।