ঢাকা ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাহাবুদ্দিনকে গ্রেফতার করতে হবে: নাহিদ ইসলাম পদত্যাগপত্রে যা লিখলেন মো. সাহাবুদ্দিন ফেসবুক স্ট্যাটাসে ৯ দফার ঘোষক কাদের: ফিমেল জোন যেন ফিমেল উইংয়ের ‘টিএসসি শাখা অফিস’ না হয় ৩০০ এমপিকে হাওড় ঘুরে আসার আহ্বান নাহিদের ভয়াবহ দাবানল : ফ্রান্সে সরানো হলো ৬৩ হাজার মানুষ, স্পেনে জরুরি অবস্থা মোহাম্মদপুরে এসআইয়ের পিঠে ছুরিকাঘাত, লেগেছে ৪৩ সেলাই আসিয়ানকে আরও শক্তিশালী করতে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ধর্মের নামে যারা বিভক্তি চায়, তারা জাতি ও ঈশ্বরের শত্রু: তথ্যমন্ত্রী স্পিকারের দায়িত্বে কায়সার কামাল বিনিয়োগনির্ভর উৎপাদন ও কর্মসংস্থানই বাংলাদেশের পরবর্তী প্রবৃদ্ধির চাবিকাঠি: তিতুমীর

‘সালাতুত তাসবিহ’র নামাজের ফজিলত

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

‘সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার’ তাসবিহটি যে নামাজে বার বার পড়া হয়, ওই নামাজকে সালাতুত তাসবিহ নামাজ বলে। এ নামাজের ফজিলত বর্ণনা করেছে মহানবী (সাঃ)। যা তিনি তার চাচা হজরত আব্বাস (রাঃ) কে বর্ণনা করে শুনান। হাদিসটি তুলে ধরা হলো-

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, একদিন মহানবী (সাঃ) (আমার পিতা) হজরত আব্বাস ইবনে আবদুল মুত্তালিবকে বললেন, ‘হে আব্বাস, হে চাচাজান! আমি কি আপনাকে দেব না? আমি কি আপনাকে দান করব না? আমি কি আপনাকে সংবাদ দেব না? আমি কি আপনার সাথে দশটি সৎকাজ করব না? (অর্থাৎ দশটি উত্তম তাসবিহ শিক্ষা দেব না)যখন আপনি তার (তাসবিহ) আমল করবেন তখন আল্লাহ তাআলা আপনার আগের, পরের, পুরাতন, নতুন, সব প্রকার গোনাহ, ইচ্ছাকৃত ও অনিচ্ছাকৃত গোনাহ, সগিরা গোনাহ, কবিরা গোনাহ, গুপ্ত ও প্রকাশ্য গোনাহ গোনাহ মাফ করে দেবেন।

আপনি চার রাকাআত নামাজ পড়বেন এবং প্রত্যেক রাকাআতে সুরা ফাতেহা পাঠ করবেন এবং যে কোনো একটি সুরা মেলাবেন।

১. প্রথম রাকাআতে যখন কেরাত পাঠ (সুরা মিলানো) সম্পন্ন করবেন; তখন আপনি দাঁড়ানো অবস্থায় বলবেন- সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার ১৫ বার।

২. অতঃপর রুকু করবেন এবং রুকু অবস্থায় (এ তাসবিহ) ১০ বার পাঠ করবেন।

৩. তারপর রুকু থেকে মাথা ওঠাবেন (সোজা হয়ে দাঁড়ানো অবস্থায় এ সাতবিহ) ১০ বার পাঠ করবেন।

৪. অতঃপর সিজদায় মাথা নত করবেন এবং সিজদা অবস্থায় (এ তাসবিহ) ১০ বার পাঠ করবেন।

৫. তারপর সিজদা থেকে মাথা ওঠাবেন এবং (বসা অবস্থায় এ তাসবিহ) ১০ বার পাঠ করবেন।

৬. অতঃপর পুনরায় সিজদা করবেন এবং সিজদায় গিয়ে ১০ বার এবং

৭. পুনরায় সিজদা থেকে মাথা ওঠিয়ে ১০ বার এ তাসবিহ পাঠ করবেন।

এ তাসবিহ প্রত্যেক রাকাআতে ৭৫ বার করে ৪ রাকাআত নামাজের প্রতি রাকাআতেই এভাবে আদায় করবেন। এভাবে যদি প্রতিদিন একবার এ নামাজ পড়তে সক্ষম হন; তবে তা পড়বেন। আর যদি সক্ষম না হন, তবে প্রত্যেক জুমআর দিনে একবার পড়বনে। তাও যদি না পারেন তবে প্রত্যেক মাসে একবার পড়বেন। তাও যদি না পারেন তবে প্রত্যেক বছর একবার পড়বেন, আর যদি তাও না পারেন তবে আপনার জীবনে অন্তত একবার পড়বেন। (তিরমিজি, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ, মিশকাত)

উল্লেখিত দীর্ঘ হাদিসে মহানবী (সাঃ) জীবনে একবার হলেও তাসবিহ নামাজ আদায়ের প্রতি গুরুত্ব প্রদান করেছেন। আর পবিত্র রমজান মাসই সাতাতুত তাসবিহ বা তাসবিহ-এর নামাজ আদায়ের উত্তম সুযোগ ও সময়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাহাবুদ্দিনকে গ্রেফতার করতে হবে: নাহিদ ইসলাম

‘সালাতুত তাসবিহ’র নামাজের ফজিলত

আপডেট সময় ০৭:৩৭:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

‘সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার’ তাসবিহটি যে নামাজে বার বার পড়া হয়, ওই নামাজকে সালাতুত তাসবিহ নামাজ বলে। এ নামাজের ফজিলত বর্ণনা করেছে মহানবী (সাঃ)। যা তিনি তার চাচা হজরত আব্বাস (রাঃ) কে বর্ণনা করে শুনান। হাদিসটি তুলে ধরা হলো-

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, একদিন মহানবী (সাঃ) (আমার পিতা) হজরত আব্বাস ইবনে আবদুল মুত্তালিবকে বললেন, ‘হে আব্বাস, হে চাচাজান! আমি কি আপনাকে দেব না? আমি কি আপনাকে দান করব না? আমি কি আপনাকে সংবাদ দেব না? আমি কি আপনার সাথে দশটি সৎকাজ করব না? (অর্থাৎ দশটি উত্তম তাসবিহ শিক্ষা দেব না)যখন আপনি তার (তাসবিহ) আমল করবেন তখন আল্লাহ তাআলা আপনার আগের, পরের, পুরাতন, নতুন, সব প্রকার গোনাহ, ইচ্ছাকৃত ও অনিচ্ছাকৃত গোনাহ, সগিরা গোনাহ, কবিরা গোনাহ, গুপ্ত ও প্রকাশ্য গোনাহ গোনাহ মাফ করে দেবেন।

আপনি চার রাকাআত নামাজ পড়বেন এবং প্রত্যেক রাকাআতে সুরা ফাতেহা পাঠ করবেন এবং যে কোনো একটি সুরা মেলাবেন।

১. প্রথম রাকাআতে যখন কেরাত পাঠ (সুরা মিলানো) সম্পন্ন করবেন; তখন আপনি দাঁড়ানো অবস্থায় বলবেন- সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার ১৫ বার।

২. অতঃপর রুকু করবেন এবং রুকু অবস্থায় (এ তাসবিহ) ১০ বার পাঠ করবেন।

৩. তারপর রুকু থেকে মাথা ওঠাবেন (সোজা হয়ে দাঁড়ানো অবস্থায় এ সাতবিহ) ১০ বার পাঠ করবেন।

৪. অতঃপর সিজদায় মাথা নত করবেন এবং সিজদা অবস্থায় (এ তাসবিহ) ১০ বার পাঠ করবেন।

৫. তারপর সিজদা থেকে মাথা ওঠাবেন এবং (বসা অবস্থায় এ তাসবিহ) ১০ বার পাঠ করবেন।

৬. অতঃপর পুনরায় সিজদা করবেন এবং সিজদায় গিয়ে ১০ বার এবং

৭. পুনরায় সিজদা থেকে মাথা ওঠিয়ে ১০ বার এ তাসবিহ পাঠ করবেন।

এ তাসবিহ প্রত্যেক রাকাআতে ৭৫ বার করে ৪ রাকাআত নামাজের প্রতি রাকাআতেই এভাবে আদায় করবেন। এভাবে যদি প্রতিদিন একবার এ নামাজ পড়তে সক্ষম হন; তবে তা পড়বেন। আর যদি সক্ষম না হন, তবে প্রত্যেক জুমআর দিনে একবার পড়বনে। তাও যদি না পারেন তবে প্রত্যেক মাসে একবার পড়বেন। তাও যদি না পারেন তবে প্রত্যেক বছর একবার পড়বেন, আর যদি তাও না পারেন তবে আপনার জীবনে অন্তত একবার পড়বেন। (তিরমিজি, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ, মিশকাত)

উল্লেখিত দীর্ঘ হাদিসে মহানবী (সাঃ) জীবনে একবার হলেও তাসবিহ নামাজ আদায়ের প্রতি গুরুত্ব প্রদান করেছেন। আর পবিত্র রমজান মাসই সাতাতুত তাসবিহ বা তাসবিহ-এর নামাজ আদায়ের উত্তম সুযোগ ও সময়।