আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:
দুরন্ত গতিতে হরহামেশা ব্যাটসম্যানদের সমস্যায় ফেলতেন পাকিস্তানের পেস কিংবদন্তি শোয়েব আখতার। এ জন্য ক্রিকেটজগতে তাকে ডাকা হতো রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস নামে। বিশ্ব ক্রিকেটের দ্রুততম ডেলিভেরির মালিক তিনিই।
টিভিতে সেই শোয়েবের বোলিং দেখেই কিনা ভারতের সাবেক ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ কাইফের ছেলে কবীর বলে ওঠেন, যে গতিতে পাক স্পিডস্টার বল করছেন, তা কাজে লাগিয়ে অনায়াসে তা বাউন্ডারিতে পাঠানো যায়।
অর্থাৎ শোয়েবকে খেলা কোনো কঠিন ব্যাপার নয়; দ্রুত কাইফের ছেলের এ মন্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। তা নজরে পড়ে পাকিস্তানি সাবেক গতিতারকারও।
করোনার কারণে ভারতে এখন ২১ দিনের লকডাউন চলছে। এ পরিস্থিতিতে বিসিসিআইয়ের সঙ্গে আলোচনা করে আগের তুমুল জনপ্রিয় কিছু ম্যাচ টিভিতে দেখাচ্ছে সম্প্রচারকারী সংস্থা স্টার নেটওয়ার্ক। সংকটময় অবস্থায় ক্রিকেটপ্রেমীদের বিনোদিত করতেই এ ব্যবস্থা নিয়েছে তারা।
কয়েক দিন আগে অতীতের হাইভোল্টেজ ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের পুনঃপ্রচার করা হয়। ২০০৩ বিশ্বকাপের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর ম্যাচটি দেখতে কাইফ ও তার ছেলে কবীর একসঙ্গে টিভির পর্দায় চোখ রাখেন।
পরে ক্রীড়াবিষয়ক চ্যানেলটিকে ধন্যবাদ দিয়ে টুইটারে একটি ভিডিও পোস্ট করেন কাইফ। এর ক্যাপশনে তিনি লেখেন– স্টারের বদৌলতে অবশেষে ঐতিহাসিক ইন্দো-পাক ম্যাচ দেখল কবীর। এই প্রথম জুনিয়র কাইফ সেই মহারণ টিভিতে দেখার সুযোগ পেল। ছেলে পুরো ম্যাচটা দারুণ উপভোগ করেছে।’
কাইফের শেয়ার করা ভিডিওর শেষ অংশ দেখা গেছে কবীর বলে ওঠেন, গতির কারণে শোয়েবের বল খেলা সহজ। তার গতি কাজে লাগালেই তো বল বাউন্ডারিতে আছড়ে ফেলা যেতে পারে।
কাইফপুত্রের এ মন্তব্যকে নিছক মজার ছলে নিয়েছেন শোয়েব। পাল্টা তিনি তার ছেলে মাইকেলের সঙ্গে কবীরকে ম্যাচ খেলার প্রস্তাব দিয়েছেন। টুইটবার্তায় পাক গতিতারকা বলেন, তা হলে কবীর ও মাইকেল আলি আখতারের এখন একটা ম্যাচ হলে ভালো হতো! পেস নিয়ে নিশ্চয় কবীর ওর প্রশ্নের জবাব পেয়ে যেত। কাইফ, কবীরকে আমার ভালোবাসা দিও।
শোয়েবের এমন চ্যালেঞ্জ মনে ধরেছে কাইফের। সেটি নিতে দ্বিতীয়বার ভাবেননি তিনি। তার টুইট রি-টুইট করে ১২৫ ওয়ানডে ও ১৩ টেস্ট খেলা ভারতীয় ব্যাটার বলেন, চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করা হলো। ছেলেদের এ ম্যাচে আমি ও তুমি ফিল্ডার হিসেবে সাহায্য করব। এ ক্ষেত্রে কবীর একটি বড় সুবিধা পাবে। কারণ পাশে দুজন সেরা ফিল্ডার পাবে সে। মাইকেলের প্রতি ভালোবাসা রইল। নিরাপদে থেকো।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 





















