ঢাকা ১১:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এলডিসি থেকে উত্তরণে বাড়তি তিন বছর সময় নেওয়া বিলাসিতা নয়: তিতুমীর চাঁদা না পেয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ৩৫ লাখ টাকা লুট দোষারোপের সময় নয়, দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে: প্রতিমন্ত্রী অমিত জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংসদে না হলে রাজপথে আন্দোলন: গোলাম পরওয়ার অনলাইনে মাদক কেনাবেচার সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড, সংসদে বিল পাস জাপা নেতার বাসায় নাহিদ ও হাসনাতের ডিনার-রাতযাপন জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে সমুন্নত রাখতে জাতীয় ঐক্য গঠনে কাজ করবে এবি পার্টি বিরোধী দলের ওয়াকআউট হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেবে যুক্তরাষ্ট্র, দাবি ট্রাম্পের রাতারাতি বড় কোন পরিবর্তন করা সম্ভব নয়: আইএমএফকে অর্থমন্ত্রী

সাধারণ ছুটি বাড়লো ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটি আগামী ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখের কারণে ওইদিনের ছুটিও সাধারণ ছুটির মধ্যে পড়বে।

রোববার (০৫ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব শেখ ইউসুফ হারুন সাধারণ ছুটি বাড়ানোর বিষয়টি আকাশ নিউজকে নিশ্চিত করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি বাড়ানোর নির্দেশনা দিয়েছেন বলেন জনপ্রশাসন সচিব শেখ ইউসুফ হারুন।

তিনি আরও বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে আগের ছুটির ধারাবাহিকতায় আগামী ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি বাড়ানো হয়েছে। তবে ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখের ছুটিও এ ছুটির সঙ্গে যুক্ত হবে।

এর আগে গত ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল এবং পরে ৫ থেকে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল সাধারণ ছুটি।

গত ৮ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে করোনা ভাইরাসে মৃত্যু নয়জন এবং সংক্রমণ হয়েছেন ৮৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় একজনের মৃত্যু ও নতুন ১৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

তৃতীয় দফায় সাধারণ ছুটির প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, দেশব্যাপী করোনা ভাইরাস রোগ মোকাবিলা এবং এর ব্যাপক বিস্তার রোধকল্পে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে সাধারণ ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটির ধারাবাহিকতায় ১২ ও ১৩ এপ্রিল সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলো। ১৪ এপ্রিল নববর্ষের নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটির সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, জরুরি পরিসেবার (বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট ইত্যাদি) ক্ষেত্রে এ ব্যবস্থা (ছুটি) প্রযোজ্য হবে না।

‘কৃষিপণ্য, সার, জ্বালানি, সংবাদপত্র, কীটনাশক, খাদ্য, শিল্প পণ্য, চিকিৎসা সরঞ্জমাদি, জরুরি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহন এবং কাঁচা বাজার, খাবার, ওষুধের দোকান ও হাসপাতাল এ ছুটির আওতাবহির্ভূত থাকবে। জরুরি প্রয়োজনে অফিসসমূহ খোলা রাখা যাবে। প্রয়োজনে ওষুধশিল্প, উৎপাদন ও রপ্তানিমুখী শিল্প কলকারখানা চালু রাখতে পারবে। মানুষের জীবন জীবিকার স্বার্থে রিকশা-ভ্যানসহ যানবাহন, রেল, বাস, পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে।’

জনগণের প্রয়োজন বিবেচনায় ছুটিকালীন বাংলাদেশ ব্যাংক সীমিত আকারে ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু রাখার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এলডিসি থেকে উত্তরণে বাড়তি তিন বছর সময় নেওয়া বিলাসিতা নয়: তিতুমীর

সাধারণ ছুটি বাড়লো ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত

আপডেট সময় ০৩:৫৭:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটি আগামী ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখের কারণে ওইদিনের ছুটিও সাধারণ ছুটির মধ্যে পড়বে।

রোববার (০৫ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব শেখ ইউসুফ হারুন সাধারণ ছুটি বাড়ানোর বিষয়টি আকাশ নিউজকে নিশ্চিত করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি বাড়ানোর নির্দেশনা দিয়েছেন বলেন জনপ্রশাসন সচিব শেখ ইউসুফ হারুন।

তিনি আরও বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে আগের ছুটির ধারাবাহিকতায় আগামী ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি বাড়ানো হয়েছে। তবে ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখের ছুটিও এ ছুটির সঙ্গে যুক্ত হবে।

এর আগে গত ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল এবং পরে ৫ থেকে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল সাধারণ ছুটি।

গত ৮ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে করোনা ভাইরাসে মৃত্যু নয়জন এবং সংক্রমণ হয়েছেন ৮৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় একজনের মৃত্যু ও নতুন ১৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

তৃতীয় দফায় সাধারণ ছুটির প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, দেশব্যাপী করোনা ভাইরাস রোগ মোকাবিলা এবং এর ব্যাপক বিস্তার রোধকল্পে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে সাধারণ ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটির ধারাবাহিকতায় ১২ ও ১৩ এপ্রিল সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলো। ১৪ এপ্রিল নববর্ষের নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটির সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, জরুরি পরিসেবার (বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট ইত্যাদি) ক্ষেত্রে এ ব্যবস্থা (ছুটি) প্রযোজ্য হবে না।

‘কৃষিপণ্য, সার, জ্বালানি, সংবাদপত্র, কীটনাশক, খাদ্য, শিল্প পণ্য, চিকিৎসা সরঞ্জমাদি, জরুরি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহন এবং কাঁচা বাজার, খাবার, ওষুধের দোকান ও হাসপাতাল এ ছুটির আওতাবহির্ভূত থাকবে। জরুরি প্রয়োজনে অফিসসমূহ খোলা রাখা যাবে। প্রয়োজনে ওষুধশিল্প, উৎপাদন ও রপ্তানিমুখী শিল্প কলকারখানা চালু রাখতে পারবে। মানুষের জীবন জীবিকার স্বার্থে রিকশা-ভ্যানসহ যানবাহন, রেল, বাস, পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে।’

জনগণের প্রয়োজন বিবেচনায় ছুটিকালীন বাংলাদেশ ব্যাংক সীমিত আকারে ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু রাখার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।