ঢাকা ০৮:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্ভরযোগ্য ডাটা জাতীয় উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি : অর্থমন্ত্রী ১৬ জুলাইকে ‘শহীদ দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত : মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মিয়ানমার সীমা‌ন্তে নজরদা‌রি বা‌ড়ানো হয়েছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিশালে স্ট্যাম্প-চেকে জোর করে স্বাক্ষরের ঘটনায় দুজন গ্রেফতার খামেনির জানাজায় অংশ নেওয়ায় বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা ইরানের নিউইয়র্কে গোলাগুলি, ৪ শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ৮ ফিলিস্তিনে দখলদারত্ব না শেষ হলে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক নয় : সিসি জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ড ছিল একটি বর্বরোচিত ঘটনা : শ্রম প্রতিমন্ত্রী অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে ডিএসসিসির অভিযান জাইকার সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যাশা স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর

শহরের নামকরা ৫টি হাসপাতাল ঘুরে রাস্তাতেই মৃত্যু হল আড়াই মাসের শিশুর

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

শহরের নামকরা ৫টি হাসপাতাল ঘুরেও বাঁচানো গেলো না আড়াই মাসের শিশুকে। বুধবার সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত শিশুকে নিয়ে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ পৌঁছানোর পর পরিবার জানতে পারে রাস্তাতেই ওই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের আতঙ্কের মাঝেই এক মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী হল কলকাতা।

চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, রাস্তাতেই যেহেতু শিশুর মৃত্যু হয়েছে তাই তার ময়নাতদন্ত করা হবে। তারপর দেহ পরিবারের হাতে দেওয়া হবে। পরে কাগজপত্র তৈরি করতে গিয়ে চিকিৎসকরা দেখেন এই শিশু ভর্তি ছিল শিশু-মঙ্গল হাসপাতালে। সেখানেও উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। চিকিৎসকরা তার নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণ করোনার সংক্রমণ কিনা সেটা জানার জন্য ডিএনএ নমুনা পাঠিয়েছিলেন বেলেঘাটার নাইসড এবং এসএসকেএম হাসপাতালে ল্যাবরেটরিতে।

ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, শিশুটির মৃত্যুর খবর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে পৌছতেই শুরু হয় তৎপরতা। চিকিৎসককে আলাদা করে একটি ঘরে বসে থাকার অনুরোধ করা হয়। নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের আলাদা করে ফেলা হয়। মাদার এন্ড চাইল্ড হাবে ঢোকার দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরিবারকেও একটি ঘরে বসে থাকার অনুরোধ জানানো হয়। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে রিপোর্ট এসে পৌঁছয় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে। সেই রিপোর্টে দেখা যায়, ওই শিশু করোনা নেগেটিভ ছিলো। নিয়ম মেনে তারপর ওই দেহ পাঠানো হয় মর্গে।

শিশুটির দাদা বাটানগরের বাসিন্দা শরফুদ্দিনের অভিযোগ, বুধবার সকালে অবস্থার অবনতি হলে শিশু-মঙ্গল চিকিৎসকরা এসএসকেএম স্থানান্তর করেন। শিশুটি নভেল করোনায় আক্রান্ত কিনা সেটা জানার জন্য সোয়াব কালেক্ট করা হয়েছিল। এসএসকেএম থেকে জানানো হয় বেড নেই। সেখান থেকে আইসি এইচএ যেতে বলা হয়। আইসিএইচ কর্তৃপক্ষও জানান, সেখানে বেড নেই। তারা বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। ফের এসএসকেএম ঘুরে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পৌঁছন তারা। কিন্তু হাসপাতালেই পৌঁছতেই চিকিৎসক জানান, রাস্তাতেই অক্সিজেনের অভাবে মৃত্যু হয়েছে শিশুটির।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মানুষের হৃদয়ে যখন প্রশান্তি ও বরকত নেমে আসে

শহরের নামকরা ৫টি হাসপাতাল ঘুরে রাস্তাতেই মৃত্যু হল আড়াই মাসের শিশুর

আপডেট সময় ০৪:২১:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

শহরের নামকরা ৫টি হাসপাতাল ঘুরেও বাঁচানো গেলো না আড়াই মাসের শিশুকে। বুধবার সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত শিশুকে নিয়ে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ পৌঁছানোর পর পরিবার জানতে পারে রাস্তাতেই ওই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের আতঙ্কের মাঝেই এক মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী হল কলকাতা।

চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, রাস্তাতেই যেহেতু শিশুর মৃত্যু হয়েছে তাই তার ময়নাতদন্ত করা হবে। তারপর দেহ পরিবারের হাতে দেওয়া হবে। পরে কাগজপত্র তৈরি করতে গিয়ে চিকিৎসকরা দেখেন এই শিশু ভর্তি ছিল শিশু-মঙ্গল হাসপাতালে। সেখানেও উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। চিকিৎসকরা তার নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণ করোনার সংক্রমণ কিনা সেটা জানার জন্য ডিএনএ নমুনা পাঠিয়েছিলেন বেলেঘাটার নাইসড এবং এসএসকেএম হাসপাতালে ল্যাবরেটরিতে।

ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, শিশুটির মৃত্যুর খবর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে পৌছতেই শুরু হয় তৎপরতা। চিকিৎসককে আলাদা করে একটি ঘরে বসে থাকার অনুরোধ করা হয়। নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের আলাদা করে ফেলা হয়। মাদার এন্ড চাইল্ড হাবে ঢোকার দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরিবারকেও একটি ঘরে বসে থাকার অনুরোধ জানানো হয়। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে রিপোর্ট এসে পৌঁছয় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে। সেই রিপোর্টে দেখা যায়, ওই শিশু করোনা নেগেটিভ ছিলো। নিয়ম মেনে তারপর ওই দেহ পাঠানো হয় মর্গে।

শিশুটির দাদা বাটানগরের বাসিন্দা শরফুদ্দিনের অভিযোগ, বুধবার সকালে অবস্থার অবনতি হলে শিশু-মঙ্গল চিকিৎসকরা এসএসকেএম স্থানান্তর করেন। শিশুটি নভেল করোনায় আক্রান্ত কিনা সেটা জানার জন্য সোয়াব কালেক্ট করা হয়েছিল। এসএসকেএম থেকে জানানো হয় বেড নেই। সেখান থেকে আইসি এইচএ যেতে বলা হয়। আইসিএইচ কর্তৃপক্ষও জানান, সেখানে বেড নেই। তারা বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। ফের এসএসকেএম ঘুরে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পৌঁছন তারা। কিন্তু হাসপাতালেই পৌঁছতেই চিকিৎসক জানান, রাস্তাতেই অক্সিজেনের অভাবে মৃত্যু হয়েছে শিশুটির।