ঢাকা ১০:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ইরান বিপদে পড়লে তারা আরও ঔদ্ধত্য হবে: রুহানি

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি বলেছেন, যদি আমরা এই অঞ্চলে বিপদে পড়ি, তাহলে এটি ইহুদিবাদী বা আমেরিকানরা আরও ঔদ্ধত্য হবে। তিনি বলেন, আসুন একসঙ্গে দাঁড়াই, এক হই এবং এ অঞ্চল থেকে আগ্রাসনকে ঠেকাই।

রুহানি প্রতিবেশী রাষ্ট্রের উদ্দেশে বলেন, ইরানের সামরিক বাহিনী আপনার বা আপনাদের জাতীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে না কিন্তু আক্রমণকারীদের বিরুদ্ধে। আমেরিকার নেতারা তাদের সম্মান হারিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওয়াশিংটন এই অঞ্চলের সন্ত্রাসের উৎস।

বৃহস্পতিবার দেশটির সেনা দিবসে দীর্ঘ বক্তৃতায় তিনি ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের শত্রু হিসেবে ইসরাইলের কথা তুলে ধরেন।

দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারে বলেন, অঞ্চলগুলোর জাতি শতাব্দী ধরে একে অপরের পাশে বসবাস করেছে এবং তাদের কোনো সমস্যা হচ্ছে না। যদি কোনো সমস্যা হয়, তবে অন্যের কারণে হবে।

সেনাদের উদ্দেশে দেয়া বক্তব্যে রুহানি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে ইহুদিবাদ থেকে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমাদের সামরিক ক্ষমতা এই অঞ্চলের দেশগুলোর ক্ষমতা, ইসলামিক বিশ্বের ক্ষমতা।

রহানি বলেন, আমাদের সামরিক ক্ষমতা এই অঞ্চলের দেশগুলোর ক্ষমতা, ইসলামিক বিশ্বের ক্ষমতা।

যদি আমরা এই অঞ্চলে বিপদে পড়ি, তাহলে এটি ইহুদিবাদী বা আমেরিকানরা আরও ঔদ্ধত্য হবে।

রুহানি মুসলিম জাতিকে ফিলিস্তিনিদের ঐতিহাসিক অধিকারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, গত ৭০ বছর এই অঞ্চলে ইসরাইল অপরাধ সংঘটিত করে আসছে। তিনি বলেন, চূড়ান্ত বিজয় অবশ্যই ধার্মিকদের হবে।

এদিকে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু শপথ করে বলেছেন, ইসরাইলের প্রতিবেশী উত্তরপূর্ব এই অঞ্চলে ইরানের সামরিক বাহিনীর দীর্ঘ উপস্থিতি মেনে নেবে না।

রুহানি বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনকে সতর্ক করে বলেন, ইরানের বাহিনীকে অপমান করা হচ্ছে ইরানের মহান জাতিকে অপমান করা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ইরান বিপদে পড়লে তারা আরও ঔদ্ধত্য হবে: রুহানি

আপডেট সময় ০৯:৩২:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০১৯

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি বলেছেন, যদি আমরা এই অঞ্চলে বিপদে পড়ি, তাহলে এটি ইহুদিবাদী বা আমেরিকানরা আরও ঔদ্ধত্য হবে। তিনি বলেন, আসুন একসঙ্গে দাঁড়াই, এক হই এবং এ অঞ্চল থেকে আগ্রাসনকে ঠেকাই।

রুহানি প্রতিবেশী রাষ্ট্রের উদ্দেশে বলেন, ইরানের সামরিক বাহিনী আপনার বা আপনাদের জাতীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে না কিন্তু আক্রমণকারীদের বিরুদ্ধে। আমেরিকার নেতারা তাদের সম্মান হারিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওয়াশিংটন এই অঞ্চলের সন্ত্রাসের উৎস।

বৃহস্পতিবার দেশটির সেনা দিবসে দীর্ঘ বক্তৃতায় তিনি ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের শত্রু হিসেবে ইসরাইলের কথা তুলে ধরেন।

দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারে বলেন, অঞ্চলগুলোর জাতি শতাব্দী ধরে একে অপরের পাশে বসবাস করেছে এবং তাদের কোনো সমস্যা হচ্ছে না। যদি কোনো সমস্যা হয়, তবে অন্যের কারণে হবে।

সেনাদের উদ্দেশে দেয়া বক্তব্যে রুহানি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে ইহুদিবাদ থেকে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমাদের সামরিক ক্ষমতা এই অঞ্চলের দেশগুলোর ক্ষমতা, ইসলামিক বিশ্বের ক্ষমতা।

রহানি বলেন, আমাদের সামরিক ক্ষমতা এই অঞ্চলের দেশগুলোর ক্ষমতা, ইসলামিক বিশ্বের ক্ষমতা।

যদি আমরা এই অঞ্চলে বিপদে পড়ি, তাহলে এটি ইহুদিবাদী বা আমেরিকানরা আরও ঔদ্ধত্য হবে।

রুহানি মুসলিম জাতিকে ফিলিস্তিনিদের ঐতিহাসিক অধিকারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, গত ৭০ বছর এই অঞ্চলে ইসরাইল অপরাধ সংঘটিত করে আসছে। তিনি বলেন, চূড়ান্ত বিজয় অবশ্যই ধার্মিকদের হবে।

এদিকে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু শপথ করে বলেছেন, ইসরাইলের প্রতিবেশী উত্তরপূর্ব এই অঞ্চলে ইরানের সামরিক বাহিনীর দীর্ঘ উপস্থিতি মেনে নেবে না।

রুহানি বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনকে সতর্ক করে বলেন, ইরানের বাহিনীকে অপমান করা হচ্ছে ইরানের মহান জাতিকে অপমান করা।