ঢাকা ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নয় মাসে রাজস্ব ঘাটতি ১১৭ কোটি টাকা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দরে চলতি অর্থবছরের (২০১৮-১৯) ৯ মাসে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। এসময় আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৩৭ কোটি ২ লাখ ৭১ হাজার টাকা।

আয় হয়েছে ২১৯ কোটি ১৫ লাখ ৯৬ হাজার টাকা। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় কম হয়েছে ১১৭ কোটি ৮৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। সোনামসজিদ স্থলবন্দর কাস্টমস সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

আমদানিকারক ও সিএন্ডএফ এজেন্ট নেতারা জানান, দেশের অন্য বন্দরগুলোর মতো আমদানিকৃত পণ্য ছাড়ের ক্ষেত্রে সরকারি নিয়ম মেনে চললে সোনামসজিদ বন্দরেও রাজস্ব আয় বাড়বে। তারা জানান, স্থলবন্দরের পানামা ইয়ার্ডের ভেতরে পণ্য ছাড়ের ক্ষেত্রে ত্রুটি, কাস্টমসের শতভাগ রাজস্ব আদায় ও জনবল সংকটের ফলে যথাসময়ে পণ্য ছাড়ে বিলম্ব হয়ে থাকে।

ফলে এই বন্দর দিয়ে অনেকেই পণ্য আমদানি করতে অনীহা প্রকাশ করে। গত মাস থেকে সোনামসজিদ বন্দরে ব্যবসা-বাণিজ্য গতিশীলতা ফিরিয়ে আনার জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। ফলে মার্চ মাস থেকে সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি বেড়েছে।

ফলে রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. মেসবাহ জানান। তিনি বলেন, দেশের অন্যান্য বন্দরের মতো সরকারের বিধি বিধান মেনে পণ্য আমদানি ও রাজস্ব আদায় করা হলে সোনামসজিদে রাজস্ব আয় বাড়বে। এ স্থলবন্দর দিয়ে যেসব পণ্য আমদানিতে রাজস্ব আয় বেশি হয়, সেগুলো বর্তমানে কিছু কিছু আমদানি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নয় মাসে রাজস্ব ঘাটতি ১১৭ কোটি টাকা

আপডেট সময় ১১:৫৬:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০১৯

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দরে চলতি অর্থবছরের (২০১৮-১৯) ৯ মাসে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। এসময় আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৩৭ কোটি ২ লাখ ৭১ হাজার টাকা।

আয় হয়েছে ২১৯ কোটি ১৫ লাখ ৯৬ হাজার টাকা। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় কম হয়েছে ১১৭ কোটি ৮৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। সোনামসজিদ স্থলবন্দর কাস্টমস সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

আমদানিকারক ও সিএন্ডএফ এজেন্ট নেতারা জানান, দেশের অন্য বন্দরগুলোর মতো আমদানিকৃত পণ্য ছাড়ের ক্ষেত্রে সরকারি নিয়ম মেনে চললে সোনামসজিদ বন্দরেও রাজস্ব আয় বাড়বে। তারা জানান, স্থলবন্দরের পানামা ইয়ার্ডের ভেতরে পণ্য ছাড়ের ক্ষেত্রে ত্রুটি, কাস্টমসের শতভাগ রাজস্ব আদায় ও জনবল সংকটের ফলে যথাসময়ে পণ্য ছাড়ে বিলম্ব হয়ে থাকে।

ফলে এই বন্দর দিয়ে অনেকেই পণ্য আমদানি করতে অনীহা প্রকাশ করে। গত মাস থেকে সোনামসজিদ বন্দরে ব্যবসা-বাণিজ্য গতিশীলতা ফিরিয়ে আনার জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। ফলে মার্চ মাস থেকে সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি বেড়েছে।

ফলে রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. মেসবাহ জানান। তিনি বলেন, দেশের অন্যান্য বন্দরের মতো সরকারের বিধি বিধান মেনে পণ্য আমদানি ও রাজস্ব আদায় করা হলে সোনামসজিদে রাজস্ব আয় বাড়বে। এ স্থলবন্দর দিয়ে যেসব পণ্য আমদানিতে রাজস্ব আয় বেশি হয়, সেগুলো বর্তমানে কিছু কিছু আমদানি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।