ঢাকা ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা সংসদে গেলে স্বর্ণের দেশে পরিণত হবে’: রেজাউল করিম শেখ হাসিনা চাচ্ছে না বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হোক : মেজর হাফিজ ৫৪ বছরে ক্ষমতায় যারা ছিল, তাদের শ্বশুরবাড়ির সম্পদ হু হু করে বেড়েছে:শফিকুর রহমান ৫ দশমিক ৯ মাত্রায় ফের ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থানকারী দলের ইতিহাস বিকৃতিতে জাতি স্তব্ধ: মাহদী আমিন সাপ আর ভারতীয়র দেখা একসঙ্গে পেলে, আগে ভারতীয়কে মারা উচিত: এপস্টেইন নথি ‘আগামীতে এমনও শুনতে হবে জামায়াত দেশের স্বাধীনতার পক্ষে যুদ্ধ করেছিল’:সালাহউদ্দিন দায়িত্ব শেষে আমি নাগরিক সমাজের কাজে ফিরে যাবো : শিক্ষা উপদেষ্টা আমেরিকার সঙ্গে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভিয়েতনাম, গোপন নথি ফাঁস পাতানো নির্বাচনের স্বপ্ন দেখে লাভ নেই, অধিকার আদায়ে জনগণ জীবন দিতে প্রস্তুত: আসিফ মাহমুদ

মওদুদ আহমদ ভোটে না থাকলে কষ্ট পাব: কাদের

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আওয়ামী লীগ ফাঁকা মাঠে গোল দিতে চায় না জানিয়ে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, একাদশ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ফাঁকা মাঠে গোল দিতে চায় না। নিজ এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ সম্পর্কে বলেন, মওদুদ আহমদ সাহেবের মনোনয়নপত্রে ত্রুটি ছিল, ঘাপলা ছিল।তার প্রার্থিতা না টিকলে আমি কষ্ট পেতাম। তিনি ভোটে না থাকলে আমি খুব কষ্ট পাব।

সোমবার সকালে ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

নোয়াখালী-৫ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ওবায়দুল কাদের। আর বিএনপির প্রার্থী দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ।এই দুই হেভিওয়েটের লড়াইয়ে জমে উঠেছে নোয়াখালী অঞ্চলের নির্বাচনী রাজনীতি।

এ বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমার আসনে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী মওদুদ আহমদ।মনোনয়ন যাচাই বাছাইয়ের আগে আমাকে একটি বিশ্বস্ত সূত্র থেকে জানানো হয়েছিল যে, মওদুদের ফরমে কিছু কিছু ত্রুটি আছে, ঘাপলা আছে। আমি তখন মন্তব্য করেছিলাম যে, মওদুদ সাহেব ভোট না করলে আমি খুব কষ্ট পাবো।

ওবায়দুল কাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জিততে চান জানিয়ে বলেন, মওদুদ সাহেব নির্বাচন না করলে আমি কার সঙ্গে নির্বাচন করবো? আমার প্রতিদ্বন্দ্বিতা তো জমবে না।

একাদশ সংসদ নির্বাচন বিশ্বাসযোগ্য ও গ্রহণযোগ্য হোক সেটি আওয়ামী লীগ চায়-জানিয়ে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন,

‘কাজেই ফাঁকা বুলি, ফাঁকা প্রতিশ্রুতি দিতে চাই না।যা সত্য তাই বলছি, আমরা একটা ক্রেডিবল ইলেকশন করতে চাই। কারণ, গত নির্বাচনে বিএনপি অনুপস্থিত থেকে একটা সমস্যা সৃষ্টি করেছে, আপাতদৃষ্টিতে।

আওয়ামী লীগ এক কথায় বিশ্বাসী-এমনটি জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের তো জনগণের মধ্যেই থাকতে হবে। দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে আমার একটি দায়িত্ব আছে। এখন এক কথা বলব, আজ থেকে ২৬-২৭ দিন পর যদি এর ব্যত্যয় ঘটে, তখন কি হবে। আমরা এক কথায় বিশ্বাসী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা সংসদে গেলে স্বর্ণের দেশে পরিণত হবে’: রেজাউল করিম

মওদুদ আহমদ ভোটে না থাকলে কষ্ট পাব: কাদের

আপডেট সময় ০৭:২৬:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ ডিসেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আওয়ামী লীগ ফাঁকা মাঠে গোল দিতে চায় না জানিয়ে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, একাদশ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ফাঁকা মাঠে গোল দিতে চায় না। নিজ এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ সম্পর্কে বলেন, মওদুদ আহমদ সাহেবের মনোনয়নপত্রে ত্রুটি ছিল, ঘাপলা ছিল।তার প্রার্থিতা না টিকলে আমি কষ্ট পেতাম। তিনি ভোটে না থাকলে আমি খুব কষ্ট পাব।

সোমবার সকালে ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

নোয়াখালী-৫ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ওবায়দুল কাদের। আর বিএনপির প্রার্থী দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ।এই দুই হেভিওয়েটের লড়াইয়ে জমে উঠেছে নোয়াখালী অঞ্চলের নির্বাচনী রাজনীতি।

এ বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমার আসনে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী মওদুদ আহমদ।মনোনয়ন যাচাই বাছাইয়ের আগে আমাকে একটি বিশ্বস্ত সূত্র থেকে জানানো হয়েছিল যে, মওদুদের ফরমে কিছু কিছু ত্রুটি আছে, ঘাপলা আছে। আমি তখন মন্তব্য করেছিলাম যে, মওদুদ সাহেব ভোট না করলে আমি খুব কষ্ট পাবো।

ওবায়দুল কাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জিততে চান জানিয়ে বলেন, মওদুদ সাহেব নির্বাচন না করলে আমি কার সঙ্গে নির্বাচন করবো? আমার প্রতিদ্বন্দ্বিতা তো জমবে না।

একাদশ সংসদ নির্বাচন বিশ্বাসযোগ্য ও গ্রহণযোগ্য হোক সেটি আওয়ামী লীগ চায়-জানিয়ে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন,

‘কাজেই ফাঁকা বুলি, ফাঁকা প্রতিশ্রুতি দিতে চাই না।যা সত্য তাই বলছি, আমরা একটা ক্রেডিবল ইলেকশন করতে চাই। কারণ, গত নির্বাচনে বিএনপি অনুপস্থিত থেকে একটা সমস্যা সৃষ্টি করেছে, আপাতদৃষ্টিতে।

আওয়ামী লীগ এক কথায় বিশ্বাসী-এমনটি জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের তো জনগণের মধ্যেই থাকতে হবে। দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে আমার একটি দায়িত্ব আছে। এখন এক কথা বলব, আজ থেকে ২৬-২৭ দিন পর যদি এর ব্যত্যয় ঘটে, তখন কি হবে। আমরা এক কথায় বিশ্বাসী।