ঢাকা ১২:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নুরকে মন্ত্রীত্ব থেকে সরাতে ষড়যন্ত্র করছে দলের মধ্যে লুকিয়ে থাকা জামায়াত-শিবির:অভিযোগ রাশেদ খাঁনের বাংলাদেশকে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিতে হবে : অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা এনসিপি থেকে আরও এক নেত্রীর পদত্যাগ হামের টিকা না দেওয়া বিগত দুই সরকারের ক্ষমাহীন অপরাধ: প্রধানমন্ত্রী সরকার গত ২ মাসে জনগণের আস্থা অর্জন করেছে : প্রেস সচিব সংসদ বয়কটে ক্ষতিগ্রস্ত গণতন্ত্র, অধিকার বঞ্চিত জনগণ : স্পিকার হরমুজ প্রণালীতে ট্যাংকারে গুলি ইরানি বাহিনীর, ঝুঁকিতে যুদ্ধবিরতি হাদি হত্যা : অস্ত্র সরবরাহকারী মাজেদুলের দায় স্বীকার ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, বিস্ফোরণে প্রাণ গেলো ব্যবসায়ীর ক্যাপ্টেনস কার্ড নিয়ে অসন্তোষ জানিয়ে তাপসের পোস্ট, পরে ‘ডিলিট’

লেবু কী অ্যাসিডিটির ঝুঁকি বাড়ায়?

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

আমাদের অনেকের একটি ভুল ধারণা আছে তা হলো টকজাতীয় ফল খেলে আলসার বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হয়। কিন্তু এই ধারণা ভুল। টক জাতীয় ফল খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হয় না।

আসল বিষয় হল সিট্রাস বা টক ফল অ্যাসিডিক প্রকৃতির হলেও পাকস্থলীতে পৌঁছালে লালার সঙ্গে মিশ্রিত হয়ে এলকালাইন বা ক্ষারীয় হয়ে যায়।তাই এই ধরনের ফলগুলো অ্যাসিডিটি বা অম্লতার উপর হস্তক্ষেপ করে না।

অ্যাসিডিটির ঝুঁকি কমায় আসলে টক ফল খেলে স্বাস্থ্যের উন্নতি হয় এবং অ্যাসিডিটির ঝুঁকি কমায়।

আসুন জেনে নেই লেবু কীভাবে অ্যাসিডিটির ঝুঁকি কমায়।

খাবারের রুচি বাড়ায় :

খাবারের রুচি বাড়াতে লেবুর জুড়ি নেই। যাদের মুখে রুচি কম খাবার খেতে পারেন না তাদের জন্য লেবু খুবই কার্যকর।

আলসার ও অ্যাসিডিটির সমস্যা :

যাদের পেপটিক আলসার অথবা অ্যাসিডিটি রয়েছে, তারা খাবার সময় লেবু এড়িয়ে চলেন।তাদের ধারণা লেবু খেলে আলসার ও অ্যাসিডিটির সমস্যা বাড়ে।এই ভুল ধারণা নিয়ে যারা বসে আছেন তাদের জন্য সুখবর হচ্ছে লেবু খেলে পেটে অ্যাসিডিটি হয় না, উল্টো অ্যাসিডিটি কমাতে সাহায্য করে।

অ্যাসিডিটি কমায় ও বদহজম দূর করে

লেবুতে আছে সিট্রিক অ্যাসিড। যা পাকস্থলীর সোডিয়াম, পটাশিয়াম ইত্যাদি লবণের সঙ্গে বিক্রিয়া করে সোডিয়াম সাইট্রেইট, পটাশিয়াম সাইট্রেইট ইত্যাদি যৌগ তৈরি করে।পাকস্থলী থেকে ক্ষরিত হয় হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড। যার পরিমাণ বেশি হলে বুক-জ্বালা, গ্যাসের সমস্যা সৃষ্টি করে।

এ ক্ষেত্রে ক্ষারধর্মী সোডিয়াম সাইট্রেইট যৌগটি বাড়তি হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে তা প্রতিরোধ করে। ফলে বদহজম হয় না।

তাই সুস্থ থাকতে টকজাতীয় ফল খাওয়ার অভ্যাস করা উচিত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

নুরকে মন্ত্রীত্ব থেকে সরাতে ষড়যন্ত্র করছে দলের মধ্যে লুকিয়ে থাকা জামায়াত-শিবির:অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

লেবু কী অ্যাসিডিটির ঝুঁকি বাড়ায়?

আপডেট সময় ০১:১৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ ডিসেম্বর ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

আমাদের অনেকের একটি ভুল ধারণা আছে তা হলো টকজাতীয় ফল খেলে আলসার বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হয়। কিন্তু এই ধারণা ভুল। টক জাতীয় ফল খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হয় না।

আসল বিষয় হল সিট্রাস বা টক ফল অ্যাসিডিক প্রকৃতির হলেও পাকস্থলীতে পৌঁছালে লালার সঙ্গে মিশ্রিত হয়ে এলকালাইন বা ক্ষারীয় হয়ে যায়।তাই এই ধরনের ফলগুলো অ্যাসিডিটি বা অম্লতার উপর হস্তক্ষেপ করে না।

অ্যাসিডিটির ঝুঁকি কমায় আসলে টক ফল খেলে স্বাস্থ্যের উন্নতি হয় এবং অ্যাসিডিটির ঝুঁকি কমায়।

আসুন জেনে নেই লেবু কীভাবে অ্যাসিডিটির ঝুঁকি কমায়।

খাবারের রুচি বাড়ায় :

খাবারের রুচি বাড়াতে লেবুর জুড়ি নেই। যাদের মুখে রুচি কম খাবার খেতে পারেন না তাদের জন্য লেবু খুবই কার্যকর।

আলসার ও অ্যাসিডিটির সমস্যা :

যাদের পেপটিক আলসার অথবা অ্যাসিডিটি রয়েছে, তারা খাবার সময় লেবু এড়িয়ে চলেন।তাদের ধারণা লেবু খেলে আলসার ও অ্যাসিডিটির সমস্যা বাড়ে।এই ভুল ধারণা নিয়ে যারা বসে আছেন তাদের জন্য সুখবর হচ্ছে লেবু খেলে পেটে অ্যাসিডিটি হয় না, উল্টো অ্যাসিডিটি কমাতে সাহায্য করে।

অ্যাসিডিটি কমায় ও বদহজম দূর করে

লেবুতে আছে সিট্রিক অ্যাসিড। যা পাকস্থলীর সোডিয়াম, পটাশিয়াম ইত্যাদি লবণের সঙ্গে বিক্রিয়া করে সোডিয়াম সাইট্রেইট, পটাশিয়াম সাইট্রেইট ইত্যাদি যৌগ তৈরি করে।পাকস্থলী থেকে ক্ষরিত হয় হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড। যার পরিমাণ বেশি হলে বুক-জ্বালা, গ্যাসের সমস্যা সৃষ্টি করে।

এ ক্ষেত্রে ক্ষারধর্মী সোডিয়াম সাইট্রেইট যৌগটি বাড়তি হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে তা প্রতিরোধ করে। ফলে বদহজম হয় না।

তাই সুস্থ থাকতে টকজাতীয় ফল খাওয়ার অভ্যাস করা উচিত।