ঢাকা ০১:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

জেনে নিন পেইন কিলারের প্রাকৃতিক উপাদান সম্পর্কে

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

নিত্যদিনের কর্মব্যস্ততার মাঝে হঠাৎ করেই শরীরে চোট বা আঘাত লাগাটা স্বাভাবিক । আর এক্ষেত্রে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষই কষ্ট কমাতে পেইনকিলারের উপর ভরসা করে থাকেন। কিন্তু এমন ওষুধের ক্ষতিকর দিকগুলো দিনের আলোর মতো পরিষ্কার যে, বেশি মাত্রায় পেইনকিলার খেলে একাধিক শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। এমনকি কিডনির কর্মক্ষমতাও কমতে শুরু করে। তাই এখন থেকেই সাবধান হওয়াটা জরুরি!

চলুন জেনে নেওয়া যাক কার্যকরী প্রাকৃতিক পেইনকিলারগুলো সম্পর্কে:

 চেরি:
লাল লাল ছোট্ট-মিষ্টি এই ফলটি দেখতে যতটা সুন্দর, খেতেও ততটাই সুস্বাদু! শুধু তাই নয়, যে কোনও ধরনের যন্ত্রণা কমাতেও এই ফলটির কার্যকারিতাকে উপেক্ষা করা সম্ভব নয়। আসলে চেরিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্থোসিয়ানিন নামে এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরের প্রদাহ এবং ব্যথা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

হলুদ:
কয়েক হাজার বছর ধরে যন্ত্রণা কমানো সহ একাধিক রোগের উপশমে হলুদের ব্যবহার হয়ে আসছে। এতে উপস্থিত কার্কিউমিন নামে একটি উপাদানে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটারি প্রপার্টিজ, যা জয়েন্ট এবং পেশির ব্যথা কমাতে বিশেষভাবে সাহায্য করে থাকে। এক্ষেত্রে দুধে বা চায়ে অল্প করে হলুদ মিশিয়ে খেতে হবে। তাহলেই উপকার পাওয়া যাবে।

আদা:
হলুদের মতোই এই প্রাকৃতিক উপাদানটিও বহু শতাব্দী ধরে ব্যথা উপশমে কাজ করে আসছে। আদাতে আছে এমন অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজ যা অর্থ্রাইটিস, পেটের যন্ত্রণা, বুকে ব্যথা, পিরিয়ডের যন্ত্রণা সহ যে কোনও ধরনের ব্যথা কমাতে দারুন উপকারে লাগে।

 আঙুর:
ব্যাথা উপশমে আঙুরের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। বিশেষত লাল আঙুর এক্ষেত্রে বেশি কাজে আসে। এই ফলটির শরীরজুড়ে রয়েছে রেসভার্টল নামে একটি অতি কার্যকরী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টট প্রপার্টিজ, যা নিমেষে যে কোনও ধরনের যন্ত্রণা কমাতে সক্ষম। সেই সঙ্গে জয়েন্টে উপস্থিত কার্টিলেজের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে সার্বিকভাবে শরীরকে সচল রাখতেও আঙুর বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

লবণ:
যন্ত্রণার মতো শারীরিক কষ্ট কমাতে লবণকে কাজে লাগানো যেতে পারে। এক্ষেত্রে ১০-১৫ চামচ লবণ পানিতে মিশিয়ে সেই পানি দিয়ে গোসল করলেই উপকার মেলে। কেন এমনটা হয় জানেন? কারণ লবণ পানি শরীরের ভেতরে প্রবেশ করে একাধিক কোষকে উজ্জীবিত করে তোলে। আর সেই সঙ্গে দেহের প্রতিটি কোণায় রক্ত চলাচলও খুব বেড়ে যায়। ফলে যন্ত্রণা কমতে শুরু করে।

দই:
তলপেটের যন্ত্রণা কমাতে এটি দারুন কাজে আসে। শুধু তাই নয়, দইয়ে উপস্থিত উপকারি ব্যাকটেরিয়া শরীরে প্রবেশ করা মাত্র হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটানোর পাশাপাশি পেট সংক্রান্ত নানাবিধ সমস্যা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

মরিচ:
খাবারের স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি ব্যথা-যন্ত্রণা কমাতে মরিচের বাস্তবিকই কোনও প্রতিপক্ষ নেই। এতে থাকা ক্যাপসিয়াসিন নামে একটি উপাদান দ্রুত যন্ত্রণা কমাতে দারুন কাজে আসে। শারীরিক কষ্ট কমাতে ২টার বেশি মরিচ খাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। আর যদি হাতের কাছে কাঁচা লঙ্কা না থাকে, তাহলে দু চামচ লঙ্কা গুঁড়ো খাবারে মিশিয়ে খেতে পারেন, সমান উপকার পাবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

জেনে নিন পেইন কিলারের প্রাকৃতিক উপাদান সম্পর্কে

আপডেট সময় ০৮:৫১:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

নিত্যদিনের কর্মব্যস্ততার মাঝে হঠাৎ করেই শরীরে চোট বা আঘাত লাগাটা স্বাভাবিক । আর এক্ষেত্রে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষই কষ্ট কমাতে পেইনকিলারের উপর ভরসা করে থাকেন। কিন্তু এমন ওষুধের ক্ষতিকর দিকগুলো দিনের আলোর মতো পরিষ্কার যে, বেশি মাত্রায় পেইনকিলার খেলে একাধিক শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। এমনকি কিডনির কর্মক্ষমতাও কমতে শুরু করে। তাই এখন থেকেই সাবধান হওয়াটা জরুরি!

চলুন জেনে নেওয়া যাক কার্যকরী প্রাকৃতিক পেইনকিলারগুলো সম্পর্কে:

 চেরি:
লাল লাল ছোট্ট-মিষ্টি এই ফলটি দেখতে যতটা সুন্দর, খেতেও ততটাই সুস্বাদু! শুধু তাই নয়, যে কোনও ধরনের যন্ত্রণা কমাতেও এই ফলটির কার্যকারিতাকে উপেক্ষা করা সম্ভব নয়। আসলে চেরিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্থোসিয়ানিন নামে এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরের প্রদাহ এবং ব্যথা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

হলুদ:
কয়েক হাজার বছর ধরে যন্ত্রণা কমানো সহ একাধিক রোগের উপশমে হলুদের ব্যবহার হয়ে আসছে। এতে উপস্থিত কার্কিউমিন নামে একটি উপাদানে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটারি প্রপার্টিজ, যা জয়েন্ট এবং পেশির ব্যথা কমাতে বিশেষভাবে সাহায্য করে থাকে। এক্ষেত্রে দুধে বা চায়ে অল্প করে হলুদ মিশিয়ে খেতে হবে। তাহলেই উপকার পাওয়া যাবে।

আদা:
হলুদের মতোই এই প্রাকৃতিক উপাদানটিও বহু শতাব্দী ধরে ব্যথা উপশমে কাজ করে আসছে। আদাতে আছে এমন অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজ যা অর্থ্রাইটিস, পেটের যন্ত্রণা, বুকে ব্যথা, পিরিয়ডের যন্ত্রণা সহ যে কোনও ধরনের ব্যথা কমাতে দারুন উপকারে লাগে।

 আঙুর:
ব্যাথা উপশমে আঙুরের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। বিশেষত লাল আঙুর এক্ষেত্রে বেশি কাজে আসে। এই ফলটির শরীরজুড়ে রয়েছে রেসভার্টল নামে একটি অতি কার্যকরী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টট প্রপার্টিজ, যা নিমেষে যে কোনও ধরনের যন্ত্রণা কমাতে সক্ষম। সেই সঙ্গে জয়েন্টে উপস্থিত কার্টিলেজের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে সার্বিকভাবে শরীরকে সচল রাখতেও আঙুর বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

লবণ:
যন্ত্রণার মতো শারীরিক কষ্ট কমাতে লবণকে কাজে লাগানো যেতে পারে। এক্ষেত্রে ১০-১৫ চামচ লবণ পানিতে মিশিয়ে সেই পানি দিয়ে গোসল করলেই উপকার মেলে। কেন এমনটা হয় জানেন? কারণ লবণ পানি শরীরের ভেতরে প্রবেশ করে একাধিক কোষকে উজ্জীবিত করে তোলে। আর সেই সঙ্গে দেহের প্রতিটি কোণায় রক্ত চলাচলও খুব বেড়ে যায়। ফলে যন্ত্রণা কমতে শুরু করে।

দই:
তলপেটের যন্ত্রণা কমাতে এটি দারুন কাজে আসে। শুধু তাই নয়, দইয়ে উপস্থিত উপকারি ব্যাকটেরিয়া শরীরে প্রবেশ করা মাত্র হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটানোর পাশাপাশি পেট সংক্রান্ত নানাবিধ সমস্যা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

মরিচ:
খাবারের স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি ব্যথা-যন্ত্রণা কমাতে মরিচের বাস্তবিকই কোনও প্রতিপক্ষ নেই। এতে থাকা ক্যাপসিয়াসিন নামে একটি উপাদান দ্রুত যন্ত্রণা কমাতে দারুন কাজে আসে। শারীরিক কষ্ট কমাতে ২টার বেশি মরিচ খাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। আর যদি হাতের কাছে কাঁচা লঙ্কা না থাকে, তাহলে দু চামচ লঙ্কা গুঁড়ো খাবারে মিশিয়ে খেতে পারেন, সমান উপকার পাবেন।