ঢাকা ১১:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১৭ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ১৯৫, আহত ১১ হাজার: এইচআরএসএসের প্রতিবেদন ক্ষমতায় এলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে দেবে জামায়াত: মিন্টু অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে মাঠ পর্যায় পরিদর্শনে নৌবাহিনী প্রধান জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের ঘটনায় বঙ্গভবনের কর্মকর্তা আটক আমরা বসন্তের কোকিল নই, জুলুম-নির্যাতনের পরও দেশ ছাড়িনি: শফিকুর রহমান ‘শুধু একদিন আমার হাঁসটাকে পাহারা দেন, নির্বাচিত হলে ৫ বছর আপনাদেরকে পাহারা দেব’:রুমিন ফারহানা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ রুখতে ছাত্র-জনতাকে রাজপথে থাকতে হবে: মামুনুল হক সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য জনমুখী নীতিমালার আহ্বান বাংলাদেশের অনলাইন গেমে আসক্তি, নবম তলা থেকে লাফিয়ে তিন বোনের আত্মহত্যা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে ধানের শীষে ভোট চাইলেন যুবলীগ নেতা

তফসিল ঘোষণা একতরফা নির্বাচনের একটা ফাঁদ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) সভাপতি কমরেড মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেছেন, চলমান সংকট থেকে উত্তরণের জন্য সরকারের সঙ্গে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর যে সংলাপ চলছিল, সেই সংলাপের সম্ভাবনাকে একতরফাভাবে তফসিল ঘোষণার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন নাকচ করে দিয়েছে। সংলাপের তাৎপর্যকে ধূলিসাৎ করা হয়েছে। একতরফা তফসিল ঘোষণা আসলে একতরফা নির্বাচনের একটা ফাঁদ ছাড়া কিছুই নয়।

শুক্রবার বিকালে মুক্তি ভবনের মৈত্রী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সিপিবির কর্মীদের এক ব্রিফিংসভায় সেলিম এসব কথা বলেন।

এ সময় বক্তব্য রাখেন সিপিবির সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ আলম।

সেলিম বলেন, অপ্রয়োজনীয় দ্রুততার সঙ্গে তড়িঘড়ি করে তফসিল ঘোষণার বিষয়টি খুবই উসকানিমূলক। অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচনের ন্যূনতম অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত না করে এবং বিরোধী দলকে অপ্রস্তুত ও দমন-পীড়নের মধ্যে রেখে তফসিল ঘোষণা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার জন্য মাত্র ১০ দিন সময় বেঁধে দেওয়াও অগ্রহণযোগ্য।

তিনি বলেন, মনোনয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সময় না দিয়ে, নির্বাচন কমিশন তৃণমূল থেকে দলীয় মনোনয়নের গণতান্ত্রিক চর্চার বিষয়টিও উপেক্ষা করেছে। বড় দিনের মাত্র ২ দিন আগে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণাও উপযুক্ত নয়। বিরোধী দলগুলোর জন্য নির্বাচনে অংশগ্রহণ অসম্ভব করে তুলে, ফাঁকা মাঠে গোল দেওয়ার ক্ষেত্র প্রস্তুত করার একটি ফাঁদ ছাড়া আর কিছুই নয়। নির্বাচন কমিশন কার্যত একতরফা নির্বাচনের দিকে দেশকে ঠেলে দিয়েছে।

সেলিম বলেন, সব দলের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে হলে অবাধ নিরপেক্ষ গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। নির্বাচন সম্পর্কে জনগণের আস্থা সৃষ্টি করতে হবে। এসবের পরই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করাই কাঙ্ক্ষিত ও গ্রহণযোগ্য। এসব না করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চয়তার দিকে নিয়ে যাবে।

সিপিবি সভাপতি নির্বাচনে বিতর্কিত ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, জনগণের আস্থাহীন নির্বাচন কমিশন ‘ঐন্দ্রজালিক প্রহসন’কে পাকাপোক্ত করার জন্যই প্রয়োজন ও সুবিধামতো ইভিএম ব্যবহার করতে চায়। এই সিদ্ধান্ত বিতর্কিত নির্বাচন কমিশনের গ্রহণযোগ্যতাকে গুরুতরভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১৭ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ১৯৫, আহত ১১ হাজার: এইচআরএসএসের প্রতিবেদন

তফসিল ঘোষণা একতরফা নির্বাচনের একটা ফাঁদ

আপডেট সময় ১০:১৭:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) সভাপতি কমরেড মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেছেন, চলমান সংকট থেকে উত্তরণের জন্য সরকারের সঙ্গে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর যে সংলাপ চলছিল, সেই সংলাপের সম্ভাবনাকে একতরফাভাবে তফসিল ঘোষণার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন নাকচ করে দিয়েছে। সংলাপের তাৎপর্যকে ধূলিসাৎ করা হয়েছে। একতরফা তফসিল ঘোষণা আসলে একতরফা নির্বাচনের একটা ফাঁদ ছাড়া কিছুই নয়।

শুক্রবার বিকালে মুক্তি ভবনের মৈত্রী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সিপিবির কর্মীদের এক ব্রিফিংসভায় সেলিম এসব কথা বলেন।

এ সময় বক্তব্য রাখেন সিপিবির সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ আলম।

সেলিম বলেন, অপ্রয়োজনীয় দ্রুততার সঙ্গে তড়িঘড়ি করে তফসিল ঘোষণার বিষয়টি খুবই উসকানিমূলক। অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচনের ন্যূনতম অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত না করে এবং বিরোধী দলকে অপ্রস্তুত ও দমন-পীড়নের মধ্যে রেখে তফসিল ঘোষণা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার জন্য মাত্র ১০ দিন সময় বেঁধে দেওয়াও অগ্রহণযোগ্য।

তিনি বলেন, মনোনয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সময় না দিয়ে, নির্বাচন কমিশন তৃণমূল থেকে দলীয় মনোনয়নের গণতান্ত্রিক চর্চার বিষয়টিও উপেক্ষা করেছে। বড় দিনের মাত্র ২ দিন আগে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণাও উপযুক্ত নয়। বিরোধী দলগুলোর জন্য নির্বাচনে অংশগ্রহণ অসম্ভব করে তুলে, ফাঁকা মাঠে গোল দেওয়ার ক্ষেত্র প্রস্তুত করার একটি ফাঁদ ছাড়া আর কিছুই নয়। নির্বাচন কমিশন কার্যত একতরফা নির্বাচনের দিকে দেশকে ঠেলে দিয়েছে।

সেলিম বলেন, সব দলের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে হলে অবাধ নিরপেক্ষ গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। নির্বাচন সম্পর্কে জনগণের আস্থা সৃষ্টি করতে হবে। এসবের পরই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করাই কাঙ্ক্ষিত ও গ্রহণযোগ্য। এসব না করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চয়তার দিকে নিয়ে যাবে।

সিপিবি সভাপতি নির্বাচনে বিতর্কিত ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, জনগণের আস্থাহীন নির্বাচন কমিশন ‘ঐন্দ্রজালিক প্রহসন’কে পাকাপোক্ত করার জন্যই প্রয়োজন ও সুবিধামতো ইভিএম ব্যবহার করতে চায়। এই সিদ্ধান্ত বিতর্কিত নির্বাচন কমিশনের গ্রহণযোগ্যতাকে গুরুতরভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।