ঢাকা ১১:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১৭ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ১৯৫, আহত ১১ হাজার: এইচআরএসএসের প্রতিবেদন ক্ষমতায় এলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে দেবে জামায়াত: মিন্টু অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে মাঠ পর্যায় পরিদর্শনে নৌবাহিনী প্রধান জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের ঘটনায় বঙ্গভবনের কর্মকর্তা আটক আমরা বসন্তের কোকিল নই, জুলুম-নির্যাতনের পরও দেশ ছাড়িনি: শফিকুর রহমান ‘শুধু একদিন আমার হাঁসটাকে পাহারা দেন, নির্বাচিত হলে ৫ বছর আপনাদেরকে পাহারা দেব’:রুমিন ফারহানা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ রুখতে ছাত্র-জনতাকে রাজপথে থাকতে হবে: মামুনুল হক সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য জনমুখী নীতিমালার আহ্বান বাংলাদেশের অনলাইন গেমে আসক্তি, নবম তলা থেকে লাফিয়ে তিন বোনের আত্মহত্যা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে ধানের শীষে ভোট চাইলেন যুবলীগ নেতা

যেদিন উনি আলোচনায় বসেছে সেদিনই আপনারা জিতে গেছেন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

লাগাতার হরতাল অবরোধ দিয়েছিলেন খালেদা জিয়া। ২০১৫ সালে আমি খালেদা জিয়াকে অনুরোধ করেছিলাম আপনারা অবরোধ প্রত্যাহার করুন। অবরোধ প্রত্যাহার করা হয় নাই। দেশের মানুষ বিএনপির অনুরোধ নিজেরাই প্রত্যাখ্যান করেছে। শেখ হাসিনাকেও বলেছিলাম আপনি আলোচনায় বসুন, তিন বছর পরে হলেও উনি আলোচনায় বসেছে। যেদিন উনি আলোচনায় বসেছে সেদিনই আপনারা জিতে গেছেন।

শুক্রবার বিকালে রাজশাহীর আলিয়া মাদ্রাসার মাঠে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বিভাগীয় জনসভায় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী এসব কথা বলেন।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা কি জিততে চান, না চান না? এ সময় নেতাকর্মীরা কাদের সিদ্দিকীর বক্তব্যের জবাবে বলেন, অবশ্যই জিততে চাই।

এরপর তিনি আবারো প্রশ্ন করেন আপনারা কি শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখতে চান? তখন নেতাকর্মীরা বলেন, না আর রাখতে চাই না।

এ সময় কাদের সিদ্দিকী বলেন, তাহলে তো আপনাদের লড়তে হবে। লড়তে হলে নামতে হবে। আপনারা হরতাল অবরোধ ডেকেছিলেন তিন মাস। আপনারা প্রত্যাহার করতে পারেন নাই, কিন্তু এবার ৮ ফেব্রুয়ারি যখন বেগম খালেদা জিয়া জেলখানায় গেছেন তার আগে তিনি নেতাকর্মীদের বলেছেন, আমি যদি মরেও যাই তবুও তোমরা হরতাল দিতে পারবে না।

তিনি বলেন, তার এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের ১৬-১৭ কোটি মানুষের হৃদয় স্পর্শ করেছে, আমি আজকে মনে করি বাংলাদেশের রাজনীতি বলতে বেগম খালেদা জিয়া।

বঙ্গবীর বলেন, বাংলাদেশের এমন কোনো জায়গা নাই, যেখানে খালেদা জিয়াকে বন্দি রাখা সম্ভব।

তিনি বলেন, আপনারা অনেকক্ষণ বক্তব্য শুনেছেন, আমি কাদের সিদ্দিকী কিন্তু বিএনপির সমাবেশে আসি নাই। কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ঐক্যফ্রন্টের সভায় এসেছি, আপনারা যদি খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে চান তাহলে ঐক্যফ্রন্টকে অটুট রাখতে হবে।

তিনি বলেন, এখানে যারা এসেছেন তার শতকরা ৯০ ভাগ ধানের শীষ করেন। কিন্তু আপনাদের চাইতেও জনগণ অনেক বেশি। বেগম খালেদা জিয়ার জন্য আপনাদের ছটফট করতে হবে না।

তিনি বলেন, আমি আপনাদের আহ্বানে এসেছি, আপনারা একটিবারের জন্য ঐক্যফ্রন্টের কথা বলেন নাই, আমাদের নেতাদের কথা বলেন নাই, আমরা কিন্তু বিএনপির মিটিংয়ে তামুক খেতে আসি নাই।

তিনি বলেন, আপনাদের নেতা জিয়াউর রহমানের সঙ্গে আমার তেল ঢালা ক্যাম্পে মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রথম দেখা হয়েছিল।

এ সময় তিনি কর্নেল অলি আহমেদকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আজকে এই অলি আহমেদ মুক্তিযুদ্ধের সময় আমাদেরকে দারুণ সহযোগিতা করেছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১৭ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ১৯৫, আহত ১১ হাজার: এইচআরএসএসের প্রতিবেদন

যেদিন উনি আলোচনায় বসেছে সেদিনই আপনারা জিতে গেছেন

আপডেট সময় ১০:০০:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

লাগাতার হরতাল অবরোধ দিয়েছিলেন খালেদা জিয়া। ২০১৫ সালে আমি খালেদা জিয়াকে অনুরোধ করেছিলাম আপনারা অবরোধ প্রত্যাহার করুন। অবরোধ প্রত্যাহার করা হয় নাই। দেশের মানুষ বিএনপির অনুরোধ নিজেরাই প্রত্যাখ্যান করেছে। শেখ হাসিনাকেও বলেছিলাম আপনি আলোচনায় বসুন, তিন বছর পরে হলেও উনি আলোচনায় বসেছে। যেদিন উনি আলোচনায় বসেছে সেদিনই আপনারা জিতে গেছেন।

শুক্রবার বিকালে রাজশাহীর আলিয়া মাদ্রাসার মাঠে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বিভাগীয় জনসভায় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী এসব কথা বলেন।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা কি জিততে চান, না চান না? এ সময় নেতাকর্মীরা কাদের সিদ্দিকীর বক্তব্যের জবাবে বলেন, অবশ্যই জিততে চাই।

এরপর তিনি আবারো প্রশ্ন করেন আপনারা কি শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখতে চান? তখন নেতাকর্মীরা বলেন, না আর রাখতে চাই না।

এ সময় কাদের সিদ্দিকী বলেন, তাহলে তো আপনাদের লড়তে হবে। লড়তে হলে নামতে হবে। আপনারা হরতাল অবরোধ ডেকেছিলেন তিন মাস। আপনারা প্রত্যাহার করতে পারেন নাই, কিন্তু এবার ৮ ফেব্রুয়ারি যখন বেগম খালেদা জিয়া জেলখানায় গেছেন তার আগে তিনি নেতাকর্মীদের বলেছেন, আমি যদি মরেও যাই তবুও তোমরা হরতাল দিতে পারবে না।

তিনি বলেন, তার এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের ১৬-১৭ কোটি মানুষের হৃদয় স্পর্শ করেছে, আমি আজকে মনে করি বাংলাদেশের রাজনীতি বলতে বেগম খালেদা জিয়া।

বঙ্গবীর বলেন, বাংলাদেশের এমন কোনো জায়গা নাই, যেখানে খালেদা জিয়াকে বন্দি রাখা সম্ভব।

তিনি বলেন, আপনারা অনেকক্ষণ বক্তব্য শুনেছেন, আমি কাদের সিদ্দিকী কিন্তু বিএনপির সমাবেশে আসি নাই। কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ঐক্যফ্রন্টের সভায় এসেছি, আপনারা যদি খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে চান তাহলে ঐক্যফ্রন্টকে অটুট রাখতে হবে।

তিনি বলেন, এখানে যারা এসেছেন তার শতকরা ৯০ ভাগ ধানের শীষ করেন। কিন্তু আপনাদের চাইতেও জনগণ অনেক বেশি। বেগম খালেদা জিয়ার জন্য আপনাদের ছটফট করতে হবে না।

তিনি বলেন, আমি আপনাদের আহ্বানে এসেছি, আপনারা একটিবারের জন্য ঐক্যফ্রন্টের কথা বলেন নাই, আমাদের নেতাদের কথা বলেন নাই, আমরা কিন্তু বিএনপির মিটিংয়ে তামুক খেতে আসি নাই।

তিনি বলেন, আপনাদের নেতা জিয়াউর রহমানের সঙ্গে আমার তেল ঢালা ক্যাম্পে মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রথম দেখা হয়েছিল।

এ সময় তিনি কর্নেল অলি আহমেদকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আজকে এই অলি আহমেদ মুক্তিযুদ্ধের সময় আমাদেরকে দারুণ সহযোগিতা করেছিলেন।