ঢাকা ০৯:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

অক্টোবরে প্রবাসী আয় বেড়েছে ৬.৫৬%

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে অক্টোবর মাসে ১২৩ কোটি ৯১ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে অর্থাৎ গত বছরের অক্টোবরের চেয়ে এই অক্টোবর রেমিটেন্স বেড়েছে ৬ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

ওই সময় রেমিটেন্স এসেছিল ১১৬ কোটি ডলার। এ নিয়ে চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে প্রবাসীরা প্রায় ৫১০ কোটি ডলারের রেমিটেন্স দেশে পাঠিয়েছেন, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ১২ শতাংশ বেশি।

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দর বৃদ্ধি, স্থানীয় বাজারে ডলারের উচ্চমূল্য এবং হুণ্ডি ঠেকাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নানা পদক্ষেপের কারণে গত অর্থবছরের মতো চলতি অর্থবছরেও রেমিটেন্সের ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্যে দেখা যায়, চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ৫০৯ কোটি ৫৭ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন। গত বছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে বাংলাদেশে ৪৫৫ কোটি ৩৭ লাখ ডলারের রেমিটেন্স এসেছিল।

সে হিসাবে চার মাসে রেমিটেন্স বেড়েছে ১১ দশমিক ৯০ শতাংশ। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইন্সটিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, গত কয়েক বছর ধরেই রেমিটেন্স ১৩ থেকে ১৫ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে।

গত অর্থবছর ১৭ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি হলেও রেমিটেন্স ১৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়নি। কারণ তার আগের বছর রেমিটেন্স অনেক কম এসেছিল। চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রেমিটেন্সে ভালো প্রবৃদ্ধি হলেও তা আগস্টে স্থির থাকেনি।

সেপ্টেম্বরে আবার ভালো প্রবৃদ্ধি হয়েছে। রেমিটেন্স বৃদ্ধির ধারা ধরে রাখতে হলে বিভিন্ন দেশে দক্ষ জনবল পাঠাতে হবে। পাশাপাশি তারা যেন কোনো ঝামেলা ছাড়া কম খরচে দ্রুত টাকা দেশে পাঠাতে পারেন তা নিশ্চিত করতে হবে। বর্তমানে এক কোটির বেশি

বাংলাদেশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থান করছেন। তাদের পাঠানো অর্থ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। বাংলাদেশের জিডিপিতে রেমিটেন্সের অবদান ১২ শতাংশের মতো। রেমিটেন্স বাড়ায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও রয়েছে সন্তোষজনক অবস্থায়। গত বৃহস্পতিবার দিন শেষে রিজার্ভে ছিল ৩২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

অক্টোবরে প্রবাসী আয় বেড়েছে ৬.৫৬%

আপডেট সময় ০৫:৪৫:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে অক্টোবর মাসে ১২৩ কোটি ৯১ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে অর্থাৎ গত বছরের অক্টোবরের চেয়ে এই অক্টোবর রেমিটেন্স বেড়েছে ৬ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

ওই সময় রেমিটেন্স এসেছিল ১১৬ কোটি ডলার। এ নিয়ে চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে প্রবাসীরা প্রায় ৫১০ কোটি ডলারের রেমিটেন্স দেশে পাঠিয়েছেন, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ১২ শতাংশ বেশি।

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দর বৃদ্ধি, স্থানীয় বাজারে ডলারের উচ্চমূল্য এবং হুণ্ডি ঠেকাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নানা পদক্ষেপের কারণে গত অর্থবছরের মতো চলতি অর্থবছরেও রেমিটেন্সের ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্যে দেখা যায়, চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ৫০৯ কোটি ৫৭ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন। গত বছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে বাংলাদেশে ৪৫৫ কোটি ৩৭ লাখ ডলারের রেমিটেন্স এসেছিল।

সে হিসাবে চার মাসে রেমিটেন্স বেড়েছে ১১ দশমিক ৯০ শতাংশ। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইন্সটিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, গত কয়েক বছর ধরেই রেমিটেন্স ১৩ থেকে ১৫ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে।

গত অর্থবছর ১৭ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি হলেও রেমিটেন্স ১৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়নি। কারণ তার আগের বছর রেমিটেন্স অনেক কম এসেছিল। চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রেমিটেন্সে ভালো প্রবৃদ্ধি হলেও তা আগস্টে স্থির থাকেনি।

সেপ্টেম্বরে আবার ভালো প্রবৃদ্ধি হয়েছে। রেমিটেন্স বৃদ্ধির ধারা ধরে রাখতে হলে বিভিন্ন দেশে দক্ষ জনবল পাঠাতে হবে। পাশাপাশি তারা যেন কোনো ঝামেলা ছাড়া কম খরচে দ্রুত টাকা দেশে পাঠাতে পারেন তা নিশ্চিত করতে হবে। বর্তমানে এক কোটির বেশি

বাংলাদেশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থান করছেন। তাদের পাঠানো অর্থ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। বাংলাদেশের জিডিপিতে রেমিটেন্সের অবদান ১২ শতাংশের মতো। রেমিটেন্স বাড়ায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও রয়েছে সন্তোষজনক অবস্থায়। গত বৃহস্পতিবার দিন শেষে রিজার্ভে ছিল ৩২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার।