ঢাকা ০৮:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা সংসদে গেলে স্বর্ণের দেশে পরিণত হবে’: রেজাউল করিম শেখ হাসিনা চাচ্ছে না বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হোক : মেজর হাফিজ ৫৪ বছরে ক্ষমতায় যারা ছিল, তাদের শ্বশুরবাড়ির সম্পদ হু হু করে বেড়েছে:শফিকুর রহমান ৫ দশমিক ৯ মাত্রায় ফের ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থানকারী দলের ইতিহাস বিকৃতিতে জাতি স্তব্ধ: মাহদী আমিন সাপ আর ভারতীয়র দেখা একসঙ্গে পেলে, আগে ভারতীয়কে মারা উচিত: এপস্টেইন নথি ‘আগামীতে এমনও শুনতে হবে জামায়াত দেশের স্বাধীনতার পক্ষে যুদ্ধ করেছিল’:সালাহউদ্দিন দায়িত্ব শেষে আমি নাগরিক সমাজের কাজে ফিরে যাবো : শিক্ষা উপদেষ্টা আমেরিকার সঙ্গে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভিয়েতনাম, গোপন নথি ফাঁস পাতানো নির্বাচনের স্বপ্ন দেখে লাভ নেই, অধিকার আদায়ে জনগণ জীবন দিতে প্রস্তুত: আসিফ মাহমুদ

নাগরিকত্ব বাতিলে ট্রাম্পের বিপক্ষে স্পিকার

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার পল রায়ান।

এ পরিকল্পনার নিন্দা জানিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন কংগ্রেসর এ শীর্ষ রিপাবলিকান রাজনীতিক। যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার নিয়ম বাতিল চান ট্রাম্প।

এ বিষয়ে শিগগিরই নির্বাহী আদেশ জারি করবেন বলেও হুশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। ট্রাম্পের এ পরিকল্পনার তীব্র বিরোধিতা করে মঙ্গলবার কেনটাকি রেডিও স্টেশনকে এক সাক্ষাৎকারে পল রায়ান বলেন, কলমের এক খোঁচায় জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের অধিকার বাতিল করতে পারেন না।

যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করা বেশির ভাগ মানুষই আইনগতভাবে মার্কিন নাগরিকত্ব পায়। যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান এবং আদালতের সিদ্ধান্তেই এ অধিকার সংরক্ষিত আছে। ট্রাম্প মঙ্গলবার এক্সিওস নিউজকে এক সাক্ষাৎকারে দেশে জন্মসূত্রে নাগিরকত্বের প্রচলিত নিয়ম বদলাতে কংগ্রেসের অনুমোদন না নিয়েই একতরফাভাবে নির্বাহী আদেশ জারি করবেন বলে জানান।

সেই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে জন্মগ্রহণকারী যে কারও স্বয়ংক্রিয়ভাবে মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার দিন শেষ হওয়া দরকার বলে তিনি মন্তব্য করেন। ট্রাম্প দাবি করেন, বিশ্বে আমরাই একমাত্র দেশ, যেখানে একজন ব্যক্তি আসেন, একটি সন্তান নেন আর এই সন্তান সব ধরনের সুযোগ-সুবিধাসহ ৮৫ বছরের জন্য মার্কিন নাগরিকত্ব পেয়ে যায়।

এটি হাস্যকর। এ নিয়ম শেষ করার সময় এসেছে। ট্রাম্পকে উদ্দেশ করে রায়ান বলেন, আপনি এ কাজ করতে পারেন না। নির্বাহী আদেশ দিয়ে জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব কেড়ে নেয়া যাবে না। ওবামা (সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট) যখন নির্বাহী আদেশ দিয়ে অভিবাসন আইন পরিবর্তনের চেষ্টা করেছিলেন, তখন আমরা তা পছন্দ করিনি।

আর কনজারভেটিভ দল হিসেবে আমরা সংবিধানে বিশ্বাসী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা সংসদে গেলে স্বর্ণের দেশে পরিণত হবে’: রেজাউল করিম

নাগরিকত্ব বাতিলে ট্রাম্পের বিপক্ষে স্পিকার

আপডেট সময় ০৫:৫৫:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার পল রায়ান।

এ পরিকল্পনার নিন্দা জানিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন কংগ্রেসর এ শীর্ষ রিপাবলিকান রাজনীতিক। যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার নিয়ম বাতিল চান ট্রাম্প।

এ বিষয়ে শিগগিরই নির্বাহী আদেশ জারি করবেন বলেও হুশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। ট্রাম্পের এ পরিকল্পনার তীব্র বিরোধিতা করে মঙ্গলবার কেনটাকি রেডিও স্টেশনকে এক সাক্ষাৎকারে পল রায়ান বলেন, কলমের এক খোঁচায় জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের অধিকার বাতিল করতে পারেন না।

যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করা বেশির ভাগ মানুষই আইনগতভাবে মার্কিন নাগরিকত্ব পায়। যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান এবং আদালতের সিদ্ধান্তেই এ অধিকার সংরক্ষিত আছে। ট্রাম্প মঙ্গলবার এক্সিওস নিউজকে এক সাক্ষাৎকারে দেশে জন্মসূত্রে নাগিরকত্বের প্রচলিত নিয়ম বদলাতে কংগ্রেসের অনুমোদন না নিয়েই একতরফাভাবে নির্বাহী আদেশ জারি করবেন বলে জানান।

সেই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে জন্মগ্রহণকারী যে কারও স্বয়ংক্রিয়ভাবে মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার দিন শেষ হওয়া দরকার বলে তিনি মন্তব্য করেন। ট্রাম্প দাবি করেন, বিশ্বে আমরাই একমাত্র দেশ, যেখানে একজন ব্যক্তি আসেন, একটি সন্তান নেন আর এই সন্তান সব ধরনের সুযোগ-সুবিধাসহ ৮৫ বছরের জন্য মার্কিন নাগরিকত্ব পেয়ে যায়।

এটি হাস্যকর। এ নিয়ম শেষ করার সময় এসেছে। ট্রাম্পকে উদ্দেশ করে রায়ান বলেন, আপনি এ কাজ করতে পারেন না। নির্বাহী আদেশ দিয়ে জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব কেড়ে নেয়া যাবে না। ওবামা (সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট) যখন নির্বাহী আদেশ দিয়ে অভিবাসন আইন পরিবর্তনের চেষ্টা করেছিলেন, তখন আমরা তা পছন্দ করিনি।

আর কনজারভেটিভ দল হিসেবে আমরা সংবিধানে বিশ্বাসী।