ঢাকা ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা সংসদে গেলে স্বর্ণের দেশে পরিণত হবে’: রেজাউল করিম শেখ হাসিনা চাচ্ছে না বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হোক : মেজর হাফিজ ৫৪ বছরে ক্ষমতায় যারা ছিল, তাদের শ্বশুরবাড়ির সম্পদ হু হু করে বেড়েছে:শফিকুর রহমান ৫ দশমিক ৯ মাত্রায় ফের ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থানকারী দলের ইতিহাস বিকৃতিতে জাতি স্তব্ধ: মাহদী আমিন সাপ আর ভারতীয়র দেখা একসঙ্গে পেলে, আগে ভারতীয়কে মারা উচিত: এপস্টেইন নথি ‘আগামীতে এমনও শুনতে হবে জামায়াত দেশের স্বাধীনতার পক্ষে যুদ্ধ করেছিল’:সালাহউদ্দিন দায়িত্ব শেষে আমি নাগরিক সমাজের কাজে ফিরে যাবো : শিক্ষা উপদেষ্টা আমেরিকার সঙ্গে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভিয়েতনাম, গোপন নথি ফাঁস পাতানো নির্বাচনের স্বপ্ন দেখে লাভ নেই, অধিকার আদায়ে জনগণ জীবন দিতে প্রস্তুত: আসিফ মাহমুদ

রাজনৈতিক সঙ্কটে শ্রীলঙ্কা, চিন্তিত ভারত

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

শ্রীলঙ্কার রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। আর এমন পরিস্থিতিতে বাড়ছে ভারতের দুশ্চিন্তা৷ নতুন প্রধানমন্ত্রী রাজাপাকসে চীন-ঘেঁষা বলেই দিল্লির দুশ্চিন্তা বেশি৷ দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মৈথিরিপালা সিরিসেনা রনিল বিক্রমসিংহেকে সরিয়ে প্রধানমন্ত্রী পদে বসিয়েছেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপাকসেকে। বিক্রমসিংহে এটাকে বলেছেন, অগণতান্ত্রিক অভ্যুথ্থান৷

রাজাপাকসে প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায় অর্থাৎ ২০০৫ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে শ্রীলঙ্কার মাটিতে শিকড় গেড়েছিল চীন৷ ব্যবসা-বাণিজ্য এবংপরিকাঠামো উন্নয়নে প্রচুর অর্থ বিনিয়োগ করেছিল চীন৷ রাজাপাকসে চীনের টাকায় দক্ষিণে নিজের নির্বাচন কেন্দ্রে হামবানটোটা বন্দর তৈরি করতে গিয়ে নাকানি-চুবানি খেয়ে শেষ পর্যন্ত চীনকেই তা বেচে দেন৷

দ্বিতীয়ত, ২০১৪ সালে রাজাপাকসের ক্ষমতা হারানোর পেছনে নাকি হাত ছিল দিল্লির, এমনটাই মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা৷ অন্যদিকে বিক্রমসিংহে ছিলেন কিছুটা ভারত-ঘেঁষা৷ ফলে রাজাপাকসের ক্ষমতায় ফিরে আসাটা দিল্লির পক্ষে দুশ্চিন্তার কারণ হবে বলে মনে করা হচ্ছে৷

ভারতের পররাষ্ট্র বিভাগ থেকে বলা হয়েছে, শ্রীলঙ্কার ক্ষমতা দখলের রাজনৈতিক টালমাটাল পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে চলেছে দিল্লি৷ ভারত আশা করে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়াকে মর্যাদা দেওয়া হবে৷

দক্ষিণ এশিয়া বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ত্রিদিব চক্রবর্তী এই প্রসঙ্গে বলেন, এই পরিস্থিতির মূলে আছে প্রেসিডেন্ট এবং প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার সংঘাত৷ কে বেশি ক্ষমতাবান ? এটা হচ্ছে প্রথম প্রশ্ন৷ প্রেসিডেন্টের সাংবিধানিক ক্ষমতা থাকলে তিনি তা করতে পারেন৷ আর তা না থাকলে তিনি তা করতে পারেন না৷ তবে কথা হচ্ছে, ক্ষমতার এই সংঘাতে বাইরের শক্তির ভূমিকা থাকতে পারে৷ চীনের ভূমিকা থাকতে পারে৷ চীন নানাভাবে তার ডানা বিস্তার করে চলেছে এই অঞ্চলে৷

রাজাপাকসের নিয়োগে চীন খুশি৷ নতুন প্রধানমন্ত্রী রাজাপাকসেকে অভিনন্দন জানিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট৷ মোটকথা শ্রীলঙ্কা পরিস্থিতিতে ভারত মহাসাগরীয় এলাকায় চীন আর ভারতের প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়াবে৷ সূত্র: ডয়চে ভেলে

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা সংসদে গেলে স্বর্ণের দেশে পরিণত হবে’: রেজাউল করিম

রাজনৈতিক সঙ্কটে শ্রীলঙ্কা, চিন্তিত ভারত

আপডেট সময় ১২:৫০:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

শ্রীলঙ্কার রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। আর এমন পরিস্থিতিতে বাড়ছে ভারতের দুশ্চিন্তা৷ নতুন প্রধানমন্ত্রী রাজাপাকসে চীন-ঘেঁষা বলেই দিল্লির দুশ্চিন্তা বেশি৷ দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মৈথিরিপালা সিরিসেনা রনিল বিক্রমসিংহেকে সরিয়ে প্রধানমন্ত্রী পদে বসিয়েছেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপাকসেকে। বিক্রমসিংহে এটাকে বলেছেন, অগণতান্ত্রিক অভ্যুথ্থান৷

রাজাপাকসে প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায় অর্থাৎ ২০০৫ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে শ্রীলঙ্কার মাটিতে শিকড় গেড়েছিল চীন৷ ব্যবসা-বাণিজ্য এবংপরিকাঠামো উন্নয়নে প্রচুর অর্থ বিনিয়োগ করেছিল চীন৷ রাজাপাকসে চীনের টাকায় দক্ষিণে নিজের নির্বাচন কেন্দ্রে হামবানটোটা বন্দর তৈরি করতে গিয়ে নাকানি-চুবানি খেয়ে শেষ পর্যন্ত চীনকেই তা বেচে দেন৷

দ্বিতীয়ত, ২০১৪ সালে রাজাপাকসের ক্ষমতা হারানোর পেছনে নাকি হাত ছিল দিল্লির, এমনটাই মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা৷ অন্যদিকে বিক্রমসিংহে ছিলেন কিছুটা ভারত-ঘেঁষা৷ ফলে রাজাপাকসের ক্ষমতায় ফিরে আসাটা দিল্লির পক্ষে দুশ্চিন্তার কারণ হবে বলে মনে করা হচ্ছে৷

ভারতের পররাষ্ট্র বিভাগ থেকে বলা হয়েছে, শ্রীলঙ্কার ক্ষমতা দখলের রাজনৈতিক টালমাটাল পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে চলেছে দিল্লি৷ ভারত আশা করে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়াকে মর্যাদা দেওয়া হবে৷

দক্ষিণ এশিয়া বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ত্রিদিব চক্রবর্তী এই প্রসঙ্গে বলেন, এই পরিস্থিতির মূলে আছে প্রেসিডেন্ট এবং প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার সংঘাত৷ কে বেশি ক্ষমতাবান ? এটা হচ্ছে প্রথম প্রশ্ন৷ প্রেসিডেন্টের সাংবিধানিক ক্ষমতা থাকলে তিনি তা করতে পারেন৷ আর তা না থাকলে তিনি তা করতে পারেন না৷ তবে কথা হচ্ছে, ক্ষমতার এই সংঘাতে বাইরের শক্তির ভূমিকা থাকতে পারে৷ চীনের ভূমিকা থাকতে পারে৷ চীন নানাভাবে তার ডানা বিস্তার করে চলেছে এই অঞ্চলে৷

রাজাপাকসের নিয়োগে চীন খুশি৷ নতুন প্রধানমন্ত্রী রাজাপাকসেকে অভিনন্দন জানিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট৷ মোটকথা শ্রীলঙ্কা পরিস্থিতিতে ভারত মহাসাগরীয় এলাকায় চীন আর ভারতের প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়াবে৷ সূত্র: ডয়চে ভেলে