ঢাকা ০৯:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

রাজনৈতিক সঙ্কটে শ্রীলঙ্কা, চিন্তিত ভারত

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

শ্রীলঙ্কার রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। আর এমন পরিস্থিতিতে বাড়ছে ভারতের দুশ্চিন্তা৷ নতুন প্রধানমন্ত্রী রাজাপাকসে চীন-ঘেঁষা বলেই দিল্লির দুশ্চিন্তা বেশি৷ দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মৈথিরিপালা সিরিসেনা রনিল বিক্রমসিংহেকে সরিয়ে প্রধানমন্ত্রী পদে বসিয়েছেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপাকসেকে। বিক্রমসিংহে এটাকে বলেছেন, অগণতান্ত্রিক অভ্যুথ্থান৷

রাজাপাকসে প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায় অর্থাৎ ২০০৫ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে শ্রীলঙ্কার মাটিতে শিকড় গেড়েছিল চীন৷ ব্যবসা-বাণিজ্য এবংপরিকাঠামো উন্নয়নে প্রচুর অর্থ বিনিয়োগ করেছিল চীন৷ রাজাপাকসে চীনের টাকায় দক্ষিণে নিজের নির্বাচন কেন্দ্রে হামবানটোটা বন্দর তৈরি করতে গিয়ে নাকানি-চুবানি খেয়ে শেষ পর্যন্ত চীনকেই তা বেচে দেন৷

দ্বিতীয়ত, ২০১৪ সালে রাজাপাকসের ক্ষমতা হারানোর পেছনে নাকি হাত ছিল দিল্লির, এমনটাই মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা৷ অন্যদিকে বিক্রমসিংহে ছিলেন কিছুটা ভারত-ঘেঁষা৷ ফলে রাজাপাকসের ক্ষমতায় ফিরে আসাটা দিল্লির পক্ষে দুশ্চিন্তার কারণ হবে বলে মনে করা হচ্ছে৷

ভারতের পররাষ্ট্র বিভাগ থেকে বলা হয়েছে, শ্রীলঙ্কার ক্ষমতা দখলের রাজনৈতিক টালমাটাল পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে চলেছে দিল্লি৷ ভারত আশা করে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়াকে মর্যাদা দেওয়া হবে৷

দক্ষিণ এশিয়া বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ত্রিদিব চক্রবর্তী এই প্রসঙ্গে বলেন, এই পরিস্থিতির মূলে আছে প্রেসিডেন্ট এবং প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার সংঘাত৷ কে বেশি ক্ষমতাবান ? এটা হচ্ছে প্রথম প্রশ্ন৷ প্রেসিডেন্টের সাংবিধানিক ক্ষমতা থাকলে তিনি তা করতে পারেন৷ আর তা না থাকলে তিনি তা করতে পারেন না৷ তবে কথা হচ্ছে, ক্ষমতার এই সংঘাতে বাইরের শক্তির ভূমিকা থাকতে পারে৷ চীনের ভূমিকা থাকতে পারে৷ চীন নানাভাবে তার ডানা বিস্তার করে চলেছে এই অঞ্চলে৷

রাজাপাকসের নিয়োগে চীন খুশি৷ নতুন প্রধানমন্ত্রী রাজাপাকসেকে অভিনন্দন জানিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট৷ মোটকথা শ্রীলঙ্কা পরিস্থিতিতে ভারত মহাসাগরীয় এলাকায় চীন আর ভারতের প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়াবে৷ সূত্র: ডয়চে ভেলে

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

রাজনৈতিক সঙ্কটে শ্রীলঙ্কা, চিন্তিত ভারত

আপডেট সময় ১২:৫০:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

শ্রীলঙ্কার রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। আর এমন পরিস্থিতিতে বাড়ছে ভারতের দুশ্চিন্তা৷ নতুন প্রধানমন্ত্রী রাজাপাকসে চীন-ঘেঁষা বলেই দিল্লির দুশ্চিন্তা বেশি৷ দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মৈথিরিপালা সিরিসেনা রনিল বিক্রমসিংহেকে সরিয়ে প্রধানমন্ত্রী পদে বসিয়েছেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপাকসেকে। বিক্রমসিংহে এটাকে বলেছেন, অগণতান্ত্রিক অভ্যুথ্থান৷

রাজাপাকসে প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায় অর্থাৎ ২০০৫ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে শ্রীলঙ্কার মাটিতে শিকড় গেড়েছিল চীন৷ ব্যবসা-বাণিজ্য এবংপরিকাঠামো উন্নয়নে প্রচুর অর্থ বিনিয়োগ করেছিল চীন৷ রাজাপাকসে চীনের টাকায় দক্ষিণে নিজের নির্বাচন কেন্দ্রে হামবানটোটা বন্দর তৈরি করতে গিয়ে নাকানি-চুবানি খেয়ে শেষ পর্যন্ত চীনকেই তা বেচে দেন৷

দ্বিতীয়ত, ২০১৪ সালে রাজাপাকসের ক্ষমতা হারানোর পেছনে নাকি হাত ছিল দিল্লির, এমনটাই মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা৷ অন্যদিকে বিক্রমসিংহে ছিলেন কিছুটা ভারত-ঘেঁষা৷ ফলে রাজাপাকসের ক্ষমতায় ফিরে আসাটা দিল্লির পক্ষে দুশ্চিন্তার কারণ হবে বলে মনে করা হচ্ছে৷

ভারতের পররাষ্ট্র বিভাগ থেকে বলা হয়েছে, শ্রীলঙ্কার ক্ষমতা দখলের রাজনৈতিক টালমাটাল পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে চলেছে দিল্লি৷ ভারত আশা করে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়াকে মর্যাদা দেওয়া হবে৷

দক্ষিণ এশিয়া বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ত্রিদিব চক্রবর্তী এই প্রসঙ্গে বলেন, এই পরিস্থিতির মূলে আছে প্রেসিডেন্ট এবং প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার সংঘাত৷ কে বেশি ক্ষমতাবান ? এটা হচ্ছে প্রথম প্রশ্ন৷ প্রেসিডেন্টের সাংবিধানিক ক্ষমতা থাকলে তিনি তা করতে পারেন৷ আর তা না থাকলে তিনি তা করতে পারেন না৷ তবে কথা হচ্ছে, ক্ষমতার এই সংঘাতে বাইরের শক্তির ভূমিকা থাকতে পারে৷ চীনের ভূমিকা থাকতে পারে৷ চীন নানাভাবে তার ডানা বিস্তার করে চলেছে এই অঞ্চলে৷

রাজাপাকসের নিয়োগে চীন খুশি৷ নতুন প্রধানমন্ত্রী রাজাপাকসেকে অভিনন্দন জানিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট৷ মোটকথা শ্রীলঙ্কা পরিস্থিতিতে ভারত মহাসাগরীয় এলাকায় চীন আর ভারতের প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়াবে৷ সূত্র: ডয়চে ভেলে