ঢাকা ০৮:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রেসেবিলিটি নিশ্চিত হলে মূল্যশৃঙ্খলের দুর্বলতা চিহ্নিত করা সহজ হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগে জনপ্রশাসন হবে জনবান্ধব: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা দেশ আবার পুরোনো অন্ধকার পথে ফিরে যাচ্ছে: জামায়াত আমির তারেক রহমান এখন শেখ হাসিনার পথে হাঁটছেন: সারজিস আলম ৫০ হাজার শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দেবে ইউজিসি রক্তমাখা পতাকা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ জুলাই যোদ্ধা শেখ আজিজুরের দুই মাসের মধ্যে রমেক হাসপাতালের আইসিইউ শয্যা ২০টিতে উন্নীত করা হবে: আসাদুল হাবীব দুলু আ.লীগ যেভাবে হামলা করেছিল, একইভাবে বিএনপি করছে: নাহিদ ইসলাম পানি প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে বরদাশত করা হবে না: মেয়র শাহাদাত বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

তারল্য সংকটে শেয়ারবাজার

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শেয়ারবাজারে তারল্য সংকট কাটছে না। টানা ছয় কার্যদিবস ৫০০ কোটি টাকার নিচে রয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেন।

আর বৃহস্পতিবার ডিএসইতে ৪২৫ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। যদিও এ লেনদেন আগের দিনের চেয়ে কিছুটা বেশি। কিন্তু সামগ্রিকভাবে এই মানের লেনদেন দিয়ে ব্রোকারেজ হাউসগুলোর খরচ পুষিয়ে টিকে থাকা কষ্টকর।

লেনদেন কমছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই)। এদিকে সপ্তাহের শেষদিন বৃহস্পতিবার উভয় শেয়ারবাজারে মূল্যসূচক কিছুটা বেড়েছে। বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ডিএসইতে বৃহস্পতিবার ৩৩৮টি কোম্পানির ১১ কোটি ৬৩ লাখ শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

যার মোট মূল্য ৪২৫ কোটি ১০ লাখ টাকা। আগের দিনের চেয়ে যা ৫৭ কোটি টাকা বেশি। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের, কমেছে ১৫৯টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪২টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

ডিএসইর ব্রডসূচক আগের দিনের চেয়ে ৫ দশমিক ৭১ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ২৮২ দশমিক ৪ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। ডিএসই-৩০ মূল্যসূচক ৪ দশমিক ৪ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৮৭৬ দশমিক ৬ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে।

ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৫ দশমিক ৪৩ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ২২৩ দশমিক ৭৯ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। ডিএসইর বাজারমূলধন আগের দিনের চেয়ে বেড়ে ৩ লাখ ৮৪ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে।

সিএসই : চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে বৃহস্পতিবার ২২৮টি প্রতিষ্ঠানের ৭০ লাখ ২৫ হাজার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার মোট মূল্য ২০ কোটি ২৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৯৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের, কমেছে ৯৬টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৩১ পয়েন্ট বেড়ে ১৬ হাজার ২৪৭ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। সিএসই-৩০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৫৫ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৫১৩ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। সিএসইর বাজারমূলধন আগের দিনের চেয়ে বেড়ে ৩ লাখ ১৪ হাজার টাকায় উন্নীত হয়েছে।

শীর্ষ দশ কোম্পানি : ডিএসইতে এদিন যেসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বেশি লেনদেন হয়েছে সেগুলো হল ,খুলনা পাওয়ার, অ্যাকটিভ ফাইন, লংকা-বাংলা ফাইন্যান্স, শাহাজালাল ইসলামী ব্যাংক, ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স, বেক্সিমকো লিমিটেড, সামিট পাওয়ার, ইউনাইটেড পাওয়ার, বিবিএস ক্যাবলস এবং গ্রামীণফোন। ডিএসইতে যেসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেশি বেড়েছে সেগুলো হল : এসকে ট্রিমস, মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ, অ্যাকটিভ ফাইন, খুলনা পাওয়ার, ইন্দো-বাংলা ফার্মা, ড্রাগন সোয়েটার, ভিএফএস থ্রেড ডায়িং, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস, আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ এবং আইডিএলসি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রেসেবিলিটি নিশ্চিত হলে মূল্যশৃঙ্খলের দুর্বলতা চিহ্নিত করা সহজ হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

তারল্য সংকটে শেয়ারবাজার

আপডেট সময় ১১:২০:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শেয়ারবাজারে তারল্য সংকট কাটছে না। টানা ছয় কার্যদিবস ৫০০ কোটি টাকার নিচে রয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেন।

আর বৃহস্পতিবার ডিএসইতে ৪২৫ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। যদিও এ লেনদেন আগের দিনের চেয়ে কিছুটা বেশি। কিন্তু সামগ্রিকভাবে এই মানের লেনদেন দিয়ে ব্রোকারেজ হাউসগুলোর খরচ পুষিয়ে টিকে থাকা কষ্টকর।

লেনদেন কমছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই)। এদিকে সপ্তাহের শেষদিন বৃহস্পতিবার উভয় শেয়ারবাজারে মূল্যসূচক কিছুটা বেড়েছে। বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ডিএসইতে বৃহস্পতিবার ৩৩৮টি কোম্পানির ১১ কোটি ৬৩ লাখ শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

যার মোট মূল্য ৪২৫ কোটি ১০ লাখ টাকা। আগের দিনের চেয়ে যা ৫৭ কোটি টাকা বেশি। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের, কমেছে ১৫৯টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪২টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

ডিএসইর ব্রডসূচক আগের দিনের চেয়ে ৫ দশমিক ৭১ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ২৮২ দশমিক ৪ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। ডিএসই-৩০ মূল্যসূচক ৪ দশমিক ৪ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৮৭৬ দশমিক ৬ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে।

ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৫ দশমিক ৪৩ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ২২৩ দশমিক ৭৯ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। ডিএসইর বাজারমূলধন আগের দিনের চেয়ে বেড়ে ৩ লাখ ৮৪ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে।

সিএসই : চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে বৃহস্পতিবার ২২৮টি প্রতিষ্ঠানের ৭০ লাখ ২৫ হাজার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার মোট মূল্য ২০ কোটি ২৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৯৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের, কমেছে ৯৬টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৩১ পয়েন্ট বেড়ে ১৬ হাজার ২৪৭ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। সিএসই-৩০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৫৫ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৫১৩ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। সিএসইর বাজারমূলধন আগের দিনের চেয়ে বেড়ে ৩ লাখ ১৪ হাজার টাকায় উন্নীত হয়েছে।

শীর্ষ দশ কোম্পানি : ডিএসইতে এদিন যেসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বেশি লেনদেন হয়েছে সেগুলো হল ,খুলনা পাওয়ার, অ্যাকটিভ ফাইন, লংকা-বাংলা ফাইন্যান্স, শাহাজালাল ইসলামী ব্যাংক, ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স, বেক্সিমকো লিমিটেড, সামিট পাওয়ার, ইউনাইটেড পাওয়ার, বিবিএস ক্যাবলস এবং গ্রামীণফোন। ডিএসইতে যেসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেশি বেড়েছে সেগুলো হল : এসকে ট্রিমস, মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ, অ্যাকটিভ ফাইন, খুলনা পাওয়ার, ইন্দো-বাংলা ফার্মা, ড্রাগন সোয়েটার, ভিএফএস থ্রেড ডায়িং, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস, আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ এবং আইডিএলসি।