ঢাকা ০৮:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ হাসনাত আব্দুল্লাহর আসনে বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থককে ছুরিকাঘাতে হত্যা কৌশলের অজুহাতে বিএনপি কোনো গোপন বেশ ধারণ করেনি: তারেক রহমান

সেই ভয় এখন কেটে গেছে: মিঠুন

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

২০১৪ সালে ওয়ানডে ক্রিকেটের মধ্য দিয়ে জাতীয় দলে অভিষেক হয় মোহাম্মদ মিঠুনের। এরপর অফ ফর্মের কারণে দল থেকে বাদ পড়েন। চার বছর পর চলতি বছরের জানুয়ারিতে শ্রীলংকার বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে সুযোগ পেয়েও তা কাজে লাগাতে পারেননি। ফের বাদ পড়েন দল থেকে।

তবে সদ্য শেষ হওয়া এশিয়া কাপে দুর্দান্ত খেলেছেন এ উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশ দলকে এশিয়া কাপের ফাইনালে তুলে দেয়ার পেছনে বড় ভূমিকা ছিল তার। শ্রীলংকা এবং পাকিস্তানের বিপক্ষে দুর্দান্ত ইনিংস খেলায় তার আত্মবিশ্বাস এখন চাঙ্গা।

এশিয়া কাপের আগে বাদ পড়ার আতঙ্ক নিয়েই মাঠে নামতে হত। তবে সেটা এখন কেটে গেছে। এমনটি জানিয়ে রোববার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মিঠুন বলেন, ‘আগে একটা জড়তা কাজ করত। না পারলে আবারও দলের বাইরে, এই চিন্তা কাজ করত। এখন সেটা আপাতত নেই। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সাফল্য এসেছে। এখন আত্মবিশ্বাস আছে এই পর্যায়ে ভালো করতে পারব।’

একটা সময়ে খেলাধুলা ছিল শখের বিষয়। ভদ্রলোকের খেলা হিসেবেই পরিচিত ছিল ক্রিকেট। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের আবিস্কারের পর থেকে ক্রিকেটে অর্থের মোহ বেড়েছে। বেড়েছে ক্রিকেটারদের কদরও। যে কারণে অনেক তরুণই এখন ক্রিকেটকে পেশা হিসেবে বেছে নিচ্ছেন। তাদের মধ্যে অন্যতম মোহাম্মদ মিঠুন। ক্রিকেট এখন তার পেশা।

এমনটি জানিয়ে এ উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান বলেন, ‘ক্রিকেট আমার পেশা। ঘুম থেকে উঠে মাঠে না আসলে আমার ভালো লাগে না। মাঠে এসে যদি কিছু করে যাই তাহলে দিন শেষে এটাই আমার সন্তুষ্টি।’

দুবাই সদ্য শেষ হওয়া এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে শ্রীলংকার বিপক্ষে ৩ রানে তিন উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় বাংলাদেশ। দলের এমন কঠিন মুহূর্তে মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে হাল ধরেন মিঠুন। চতুর্থ উইকেট জুটিতে ১৩১ রান করার পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবে ৬৩ রান করেন মিঠুন। ১৪৪ রান করেন মুশফিক। তাদের দায়িত্বশীলতায় শেষ পর্যন্ত ম্যাচে ১৩৭ রানের বড় ব্যবধানে জয় পায় বাংলাদেশ।

এরপর পাকিস্তানের বিপক্ষে অঘোষিত সেমিফাইনাল ম্যাচে ১২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ দল। সেই মুহূর্তে দলকে খেলায় ফেরান মিঠুন ও মুশফিক। তাদের ১৪৪ রানের জুটিতে দল খেলায়ই ফিরেনি, ৩৭ রানে জিতে এশিয়া কাপের ফাইনালে উঠে বাংলাদেশ দল। সেদিন মুশফিক ৯৯ রান করলেও ৬০ রান করেছিলেন মিঠুন।

বাংলাদেশ দলকে এশিয়া কাপের ফাইনালে তুলে দেয়ার পেছনে বড় ভূমিকা রাখা মিঠুন আছেন, আসন্ন জিম্বাবুয়ে সিরিজে। ২১ অক্টোবর থেকে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরু হবে। আসন্ন সিরিজে নিজের লক্ষ্য নিয়ে মিঠুন বলেন, ‘আমি ম্যাচ বাই ম্যাচ চিন্তা করি। আপাতত জিম্বাবুয়ে সিরিজ নিয়ে চিন্তা করছি। সেখানে ভালো খেলাই লক্ষ্য।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সালমানের পর বিষ্ণোই গ্যাংয়ের টার্গেটে আরেক জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী

সেই ভয় এখন কেটে গেছে: মিঠুন

আপডেট সময় ০১:৫২:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

২০১৪ সালে ওয়ানডে ক্রিকেটের মধ্য দিয়ে জাতীয় দলে অভিষেক হয় মোহাম্মদ মিঠুনের। এরপর অফ ফর্মের কারণে দল থেকে বাদ পড়েন। চার বছর পর চলতি বছরের জানুয়ারিতে শ্রীলংকার বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে সুযোগ পেয়েও তা কাজে লাগাতে পারেননি। ফের বাদ পড়েন দল থেকে।

তবে সদ্য শেষ হওয়া এশিয়া কাপে দুর্দান্ত খেলেছেন এ উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশ দলকে এশিয়া কাপের ফাইনালে তুলে দেয়ার পেছনে বড় ভূমিকা ছিল তার। শ্রীলংকা এবং পাকিস্তানের বিপক্ষে দুর্দান্ত ইনিংস খেলায় তার আত্মবিশ্বাস এখন চাঙ্গা।

এশিয়া কাপের আগে বাদ পড়ার আতঙ্ক নিয়েই মাঠে নামতে হত। তবে সেটা এখন কেটে গেছে। এমনটি জানিয়ে রোববার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মিঠুন বলেন, ‘আগে একটা জড়তা কাজ করত। না পারলে আবারও দলের বাইরে, এই চিন্তা কাজ করত। এখন সেটা আপাতত নেই। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সাফল্য এসেছে। এখন আত্মবিশ্বাস আছে এই পর্যায়ে ভালো করতে পারব।’

একটা সময়ে খেলাধুলা ছিল শখের বিষয়। ভদ্রলোকের খেলা হিসেবেই পরিচিত ছিল ক্রিকেট। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের আবিস্কারের পর থেকে ক্রিকেটে অর্থের মোহ বেড়েছে। বেড়েছে ক্রিকেটারদের কদরও। যে কারণে অনেক তরুণই এখন ক্রিকেটকে পেশা হিসেবে বেছে নিচ্ছেন। তাদের মধ্যে অন্যতম মোহাম্মদ মিঠুন। ক্রিকেট এখন তার পেশা।

এমনটি জানিয়ে এ উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান বলেন, ‘ক্রিকেট আমার পেশা। ঘুম থেকে উঠে মাঠে না আসলে আমার ভালো লাগে না। মাঠে এসে যদি কিছু করে যাই তাহলে দিন শেষে এটাই আমার সন্তুষ্টি।’

দুবাই সদ্য শেষ হওয়া এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে শ্রীলংকার বিপক্ষে ৩ রানে তিন উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় বাংলাদেশ। দলের এমন কঠিন মুহূর্তে মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে হাল ধরেন মিঠুন। চতুর্থ উইকেট জুটিতে ১৩১ রান করার পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবে ৬৩ রান করেন মিঠুন। ১৪৪ রান করেন মুশফিক। তাদের দায়িত্বশীলতায় শেষ পর্যন্ত ম্যাচে ১৩৭ রানের বড় ব্যবধানে জয় পায় বাংলাদেশ।

এরপর পাকিস্তানের বিপক্ষে অঘোষিত সেমিফাইনাল ম্যাচে ১২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ দল। সেই মুহূর্তে দলকে খেলায় ফেরান মিঠুন ও মুশফিক। তাদের ১৪৪ রানের জুটিতে দল খেলায়ই ফিরেনি, ৩৭ রানে জিতে এশিয়া কাপের ফাইনালে উঠে বাংলাদেশ দল। সেদিন মুশফিক ৯৯ রান করলেও ৬০ রান করেছিলেন মিঠুন।

বাংলাদেশ দলকে এশিয়া কাপের ফাইনালে তুলে দেয়ার পেছনে বড় ভূমিকা রাখা মিঠুন আছেন, আসন্ন জিম্বাবুয়ে সিরিজে। ২১ অক্টোবর থেকে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরু হবে। আসন্ন সিরিজে নিজের লক্ষ্য নিয়ে মিঠুন বলেন, ‘আমি ম্যাচ বাই ম্যাচ চিন্তা করি। আপাতত জিম্বাবুয়ে সিরিজ নিয়ে চিন্তা করছি। সেখানে ভালো খেলাই লক্ষ্য।’