ঢাকা ০৪:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপি একটি উদারপন্থী গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল: মির্জা ফখরুল ক্ষমতায় গেলে ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে: তারেক রহমান একটা বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের ক্রিকেট বন্ধ হবে না : আবুল কালাম শাহজালাল ফার্টিলাইজার প্রকল্প আত্মসাৎ: ৩১ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে নতুন যে বার্তা দিল জাতিসংঘ বিশ্বকাপ খেলতে চায় বাংলাদেশও, বন্ধ হয়নি সব দরজা : বুলবুল নিউজিল্যান্ডে ভয়াবহ ভূমিধস, বহু মানুষ নিখোঁজ, উদ্ধার অভিযান জোরদার ২০২৬ বিশ্বকাপ বয়কটের ডাক দিল জার্মানি তারেক রহমানের প্রথম নির্বাচনি জনসভা, সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে জনসমুদ্র ফ্যাসিস্ট গোষ্ঠী এখনো ওত পেতে আছে : উপদেষ্টা ফরিদা আখতার

গ্রামীণফোনে চাকরি ছাঁটাই বন্ধে কর্মীদের ৬ দফা

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

যমুনা ফিউচার পার্কের আলবেনো রেস্টুরেন্ট হলে গ্রামীণফোনের সাধারণ এমপ্লয়িদের চাকরির নিশ্চয়তা বিষয়ক দিনব্যাপী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ সম্মেলনে গ্রামীণফোনের বিভিন্ন পর্যায়ের কয়েকশ চাকরিজীবী অংশগ্রহণ করেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার ‘কৌশলে ৬০০ কর্মী ছাঁটাই পরিকল্পনা করেছে গ্রামীণফোন’ শিরোনামে যুগান্তর একটি সংবাদ প্রকাশ করে। এতে বলা হয় দেশের শীর্ষ মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন তাদের ধারাবাহিক কর্মী ছাঁটাইয়ের অংশ হিসেবে এবার ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেছে। এবার সিডিসি (কমন ডেলিভারি সেন্টার) প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মী ছাঁটাই পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

শুক্রবার টেকনোলজি ডিভিশনের জিপিপিসি কাউন্সিলর আহম্মেদ মঞ্জুরুদ্দৌলা, মীর ইফরিয়ার হোসেন ইফতি ও আনীলা মজিদ এ সম্মেলনের ডাক দেন।

ইউনাইডেট টেকনোলজি ডিভিশনের কয়েকশ চাকরিজীবী ‘সিডিসি’ প্রজেক্ট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ শুরু করেন কোম্পানির ভেতরে।

টেকনোলজি ডিভিশনের চাকরিজীবীদের এ প্রতিবাদে শুরু থেকেই অন্যান্য ডিভিশনের চাকরিজীবীরা সংহতি জানিয়েছেন।

সাধারণ চাকরিজীবীদের সম্মেলনে সভাপতির আসন গ্রহণ করেন জেনারেল এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সভাপতি ও জিপিপিসি কাউন্সিলর আহম্মদ মঞ্জুরুদ্দৌলা। সুব্রত দাশ খোকনের সঞ্চালনায় সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মীর ইফতিয়ার হোসেন ইফতি। এছাড়া বিভিন্ন পর্যায়ে বক্তব্য রাখেন, আলীম আহম্মেদ প্রিন্স, আনীলা মজিদ, অ্যাডভোকেট মইনুল কাদের হিমু (সাবেক চেয়ারম্যান, জিপিপিসি), সামছুর রহমান তৌহিদ, রফিকুল কবির সৈকত, আতিকুজ্জামান মীর্জা, সায়েম, মিয়া মাসুদ (জিপিপিসির চেয়ারম্যান), গোলাম মোহাম্মদ সোহাগ (বাংলালিংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সভাপতি), ফজলুল হক (সভাপতি, গ্রামীণফোনে এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন)

এ সময় বক্তরা তাদের দাবি তুলে ধরে বলেন, জব কাট প্রজেক্ট অতিসত্বর শর্তহীনভাবে বন্ধ করতে হবে, যৌক্তিক ইনক্রিমেন্ট নিশ্চিত করতে হবে, ২০০৬ সাল থেকে ৫ শতাংশ লভ্যাংশ চাকরিজীবীদের মধ্যে বণ্টন করতে হবে ও WPPF বোর্ডে জমা বণ্টনযোগ্য টাকা অতিসত্বর চাকরিজীবীদের মধ্যে বণ্টন করতে হবে।

সম্মেলন থেকে সম্মিলিতভাবে ৬ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন আহম্মদ মঞ্জুরুদ্দৌলা।

১.যদি ৭ দিনের মধ্যে সিডিসি বন্ধ ঘোষণা না করা হয় তাহলে এমপ্লয়িরা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বরাবরে বিস্তারিত প্রেক্ষাপট জানিয়ে পত্র প্রদান করবে।

২. স্মারকলিপি প্রদান করা হবে শ্রম মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানসমূহকে

৩. গণমাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময় এর আয়োজন করা হবে

৪. মশাল মিছিলের আয়োজন করা হবে। ৫. গণসংগীতের আয়োজন করা হবে।

৬. বিভাগীয় শহরে চাকরিজীবীদের সম্মেলন আয়োজন করা হবে।

কর্মসূচি সফল করার জন্য সবাইকে উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে সভার সভাপতি আহমেদ মঞ্জুরুদ্দৌলা সভার সমাপ্তি টানেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপি একটি উদারপন্থী গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল: মির্জা ফখরুল

গ্রামীণফোনে চাকরি ছাঁটাই বন্ধে কর্মীদের ৬ দফা

আপডেট সময় ১০:৪৭:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ অক্টোবর ২০১৮

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

যমুনা ফিউচার পার্কের আলবেনো রেস্টুরেন্ট হলে গ্রামীণফোনের সাধারণ এমপ্লয়িদের চাকরির নিশ্চয়তা বিষয়ক দিনব্যাপী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ সম্মেলনে গ্রামীণফোনের বিভিন্ন পর্যায়ের কয়েকশ চাকরিজীবী অংশগ্রহণ করেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার ‘কৌশলে ৬০০ কর্মী ছাঁটাই পরিকল্পনা করেছে গ্রামীণফোন’ শিরোনামে যুগান্তর একটি সংবাদ প্রকাশ করে। এতে বলা হয় দেশের শীর্ষ মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন তাদের ধারাবাহিক কর্মী ছাঁটাইয়ের অংশ হিসেবে এবার ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেছে। এবার সিডিসি (কমন ডেলিভারি সেন্টার) প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মী ছাঁটাই পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

শুক্রবার টেকনোলজি ডিভিশনের জিপিপিসি কাউন্সিলর আহম্মেদ মঞ্জুরুদ্দৌলা, মীর ইফরিয়ার হোসেন ইফতি ও আনীলা মজিদ এ সম্মেলনের ডাক দেন।

ইউনাইডেট টেকনোলজি ডিভিশনের কয়েকশ চাকরিজীবী ‘সিডিসি’ প্রজেক্ট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ শুরু করেন কোম্পানির ভেতরে।

টেকনোলজি ডিভিশনের চাকরিজীবীদের এ প্রতিবাদে শুরু থেকেই অন্যান্য ডিভিশনের চাকরিজীবীরা সংহতি জানিয়েছেন।

সাধারণ চাকরিজীবীদের সম্মেলনে সভাপতির আসন গ্রহণ করেন জেনারেল এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সভাপতি ও জিপিপিসি কাউন্সিলর আহম্মদ মঞ্জুরুদ্দৌলা। সুব্রত দাশ খোকনের সঞ্চালনায় সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মীর ইফতিয়ার হোসেন ইফতি। এছাড়া বিভিন্ন পর্যায়ে বক্তব্য রাখেন, আলীম আহম্মেদ প্রিন্স, আনীলা মজিদ, অ্যাডভোকেট মইনুল কাদের হিমু (সাবেক চেয়ারম্যান, জিপিপিসি), সামছুর রহমান তৌহিদ, রফিকুল কবির সৈকত, আতিকুজ্জামান মীর্জা, সায়েম, মিয়া মাসুদ (জিপিপিসির চেয়ারম্যান), গোলাম মোহাম্মদ সোহাগ (বাংলালিংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সভাপতি), ফজলুল হক (সভাপতি, গ্রামীণফোনে এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন)

এ সময় বক্তরা তাদের দাবি তুলে ধরে বলেন, জব কাট প্রজেক্ট অতিসত্বর শর্তহীনভাবে বন্ধ করতে হবে, যৌক্তিক ইনক্রিমেন্ট নিশ্চিত করতে হবে, ২০০৬ সাল থেকে ৫ শতাংশ লভ্যাংশ চাকরিজীবীদের মধ্যে বণ্টন করতে হবে ও WPPF বোর্ডে জমা বণ্টনযোগ্য টাকা অতিসত্বর চাকরিজীবীদের মধ্যে বণ্টন করতে হবে।

সম্মেলন থেকে সম্মিলিতভাবে ৬ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন আহম্মদ মঞ্জুরুদ্দৌলা।

১.যদি ৭ দিনের মধ্যে সিডিসি বন্ধ ঘোষণা না করা হয় তাহলে এমপ্লয়িরা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বরাবরে বিস্তারিত প্রেক্ষাপট জানিয়ে পত্র প্রদান করবে।

২. স্মারকলিপি প্রদান করা হবে শ্রম মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানসমূহকে

৩. গণমাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময় এর আয়োজন করা হবে

৪. মশাল মিছিলের আয়োজন করা হবে। ৫. গণসংগীতের আয়োজন করা হবে।

৬. বিভাগীয় শহরে চাকরিজীবীদের সম্মেলন আয়োজন করা হবে।

কর্মসূচি সফল করার জন্য সবাইকে উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে সভার সভাপতি আহমেদ মঞ্জুরুদ্দৌলা সভার সমাপ্তি টানেন।