অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
যশোর শহরের চৌরাস্তার মোড় এলাকার অভিজাত মিষ্টির দোকান গনেশ সুইটস থেকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার বিকেলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনিসুর রহমান এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
একই দিনে ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদফতর যশোর জেলা শাখার সহকারী পরিচালক সোহেল শেখের নেতৃত্বে উপশহর বি-ব্লকের একটি ভ্যারাইটিজ স্টোর থেকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, গনেশ সুইটস যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই অবৈধভাবে মিষ্টি তৈরির কারখানা পরিচালনা করে আসছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে কারখানার পরিবেশ নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় পাওয়া যায়। যা স্বাস্থ্যের জন্য চরম ক্ষতিকর।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র আরও জানান, গনেশ সুইটসের কারখানায় অনুমোদনহীন পাউডার মিল্ক দিয়ে দই এবং খাবার সোডা দিয়ে তৈরি রসগোল্লা পাওয়া গিয়েছে। ভোক্তাদের জানাবোঝার অগোচরে ভেজাল এসব খাদ্যদ্রব্য বাজারজাত করা হয়।
এছাড়া প্রতিষ্ঠানটিতে বিএসটিআই’র ছাড়পত্র নেই, নেই পরিবেশের ছাড়পত্রও। এমনকি ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্র ও কলকারখানা প্রতিষ্ঠা পরিদর্শন অধিদফতরের ছাড়পত্র বাদেই চলছে ব্যবসায়ীক কার্যক্রম। এসবের দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৪৩ ধারায় গনেশ সুইটসের শংকর সাহাকে মামলা দিয়ে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন আদালত। শংকর যশোরের বেজপাড়ার মৃত নারায়ণ চন্দ্র সাহার ছেলে।
গনেশ সুইটসে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করেন জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর যশোরের সহকারী পরিচালক সোহেল শেখ। সাথে ছিলেন পেশকার জালাল উদ্দিন ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পুলিশ সদস্যরা।
এ দিকে সোহেল শেখের নেতৃত্বে অপর এক অভিযানে উপশহর বি-ব্লকের সোহেল ভ্যারাইটিজ স্টোর থেকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। অভিযানকালে ভ্যারাইটিজ স্টোরের ফ্রিজে বিক্রির জন্য মেয়াদোত্তীর্ণ কোমল পানীয় ও অনুমোদনহীন যৌন উত্তেজক সিরাপ পাওয়া যায়। অনিয়মতান্ত্রিক ও অস্বাস্থ্যকর এসব পণ্য রাখার দায়ে সোহেল ভ্যারাইটিজ স্টোরকে এই জরিমানা আদায় করা হয়।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















