ঢাকা ১২:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ

মহাত্মা গান্ধী সারা বিশ্বের জন্য এক আলোকবর্তিকা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বলেছেন, শুধু ভারত নয়, বিশ্বের আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় মহাত্মা গান্ধীর (মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী) আদর্শ, জীবন ও শিক্ষা অনুকরণীয়। তিনি আমাদের আদর্শ। তার অহিংস আন্দোলন, মানবতাবাদী দর্শন ও ধর্মীয় সহিষ্ণুতা শুধু বাংলাদেশে বা ভারতে নয়, সারা বিশ্বের জন্য এক আলোকবর্তিকা।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভারতীয় হাইকমিশনে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভারতীয় হাইকমিশনে মহাত্মা গান্ধীর ১৫০তম জন্মবার্ষিকী শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বাংলাদেশের নোয়াখালীতেও এসেছিলেন শান্তির বাণী নিয়ে, মানুষের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠিত করতে। মহাত্মা গান্ধীর অহিংস ও আপসহীন আন্দোলনে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও। আমরা মহাত্মা গান্ধীকে লালন করি। তার অহিংস ধারায় আমরা চলি। তার আদর্শময় জীবন মেনে চললে গোটা পৃথিবীতে শান্তি আসবে। মানুষের মঙ্গল হবে।

হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বলেন, মহাত্মা গান্ধী সব ধরনের কর্মসূচি পালন করেছেন শান্তিপূর্ণভাবে। তার মূল রাজনৈতিক দর্শন ছিল অহিংস আন্দোলন। তিনি সব ধর্মের প্রতি অন্তত শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। দেশের জন্য তার ত্যাগ ও ভালোবাসা, স্বাধীনতা ও উন্নয়নের জন্য আমৃত্যু সংগ্রাম ও সুদৃঢ় জাতীয়তাবাদ আমাদের মহান মানুষটিকে মহামানবে পরিণত করেছেন। তিনি নিজে চরকায় সুতা বুনে কাপড় তৈরি করে পড়তেন। তিনি মানবতার প্রতীক।

অনুষ্ঠানে মহাত্মা গান্ধীর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ৭টি ডাকটিকিট উন্মোচন করেন ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি হাইকমিশনার ড. আদর্শ সোয়াইকা, ও নোয়াখালী গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের সভাপতি স্বদেশ রায়। অনুষ্ঠানে নোয়াখালী গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের সভাপতি স্বদেশ রায়কে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

এছাড়া রাজধানীর তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তিনজন করে মোট ৯ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কার ও সার্টিফিকেট প্রদান করেন। অনুষ্ঠান শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যাসহ অন্যান্য শিল্পীরা সঙ্গীত পরিবেশন করেন।

১৮৪৮ সালের ৩০ জানুয়ারি নয়াদিল্লিতে রাত্রিকালীন পথসভা করার সময় মহাত্মা গান্ধীকে গুলি করে হত্যা করেন হিন্দু মৌলবাদী নাথুরাম গডসে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফার্স্ট সেক্রেটারি পলিটিক্যাল রাজেক ইউকে, ফার্স্ট সেক্রেটারি পলিটিক্যাল নবনীতা চক্রবর্তী, মিডিয়া অ্যাটাশে রঞ্জন মণ্ডলসহ হাইকমিশনের বিভিন্ন কর্মকর্তারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

হায়দরাবাদে সফটওয়্যার কর্মীর অস্বাভাবিক মৃত্যু: তদন্তে পুলিশ

মহাত্মা গান্ধী সারা বিশ্বের জন্য এক আলোকবর্তিকা

আপডেট সময় ১০:৪০:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বলেছেন, শুধু ভারত নয়, বিশ্বের আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় মহাত্মা গান্ধীর (মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী) আদর্শ, জীবন ও শিক্ষা অনুকরণীয়। তিনি আমাদের আদর্শ। তার অহিংস আন্দোলন, মানবতাবাদী দর্শন ও ধর্মীয় সহিষ্ণুতা শুধু বাংলাদেশে বা ভারতে নয়, সারা বিশ্বের জন্য এক আলোকবর্তিকা।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভারতীয় হাইকমিশনে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভারতীয় হাইকমিশনে মহাত্মা গান্ধীর ১৫০তম জন্মবার্ষিকী শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বাংলাদেশের নোয়াখালীতেও এসেছিলেন শান্তির বাণী নিয়ে, মানুষের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠিত করতে। মহাত্মা গান্ধীর অহিংস ও আপসহীন আন্দোলনে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও। আমরা মহাত্মা গান্ধীকে লালন করি। তার অহিংস ধারায় আমরা চলি। তার আদর্শময় জীবন মেনে চললে গোটা পৃথিবীতে শান্তি আসবে। মানুষের মঙ্গল হবে।

হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বলেন, মহাত্মা গান্ধী সব ধরনের কর্মসূচি পালন করেছেন শান্তিপূর্ণভাবে। তার মূল রাজনৈতিক দর্শন ছিল অহিংস আন্দোলন। তিনি সব ধর্মের প্রতি অন্তত শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। দেশের জন্য তার ত্যাগ ও ভালোবাসা, স্বাধীনতা ও উন্নয়নের জন্য আমৃত্যু সংগ্রাম ও সুদৃঢ় জাতীয়তাবাদ আমাদের মহান মানুষটিকে মহামানবে পরিণত করেছেন। তিনি নিজে চরকায় সুতা বুনে কাপড় তৈরি করে পড়তেন। তিনি মানবতার প্রতীক।

অনুষ্ঠানে মহাত্মা গান্ধীর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ৭টি ডাকটিকিট উন্মোচন করেন ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি হাইকমিশনার ড. আদর্শ সোয়াইকা, ও নোয়াখালী গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের সভাপতি স্বদেশ রায়। অনুষ্ঠানে নোয়াখালী গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের সভাপতি স্বদেশ রায়কে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

এছাড়া রাজধানীর তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তিনজন করে মোট ৯ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কার ও সার্টিফিকেট প্রদান করেন। অনুষ্ঠান শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যাসহ অন্যান্য শিল্পীরা সঙ্গীত পরিবেশন করেন।

১৮৪৮ সালের ৩০ জানুয়ারি নয়াদিল্লিতে রাত্রিকালীন পথসভা করার সময় মহাত্মা গান্ধীকে গুলি করে হত্যা করেন হিন্দু মৌলবাদী নাথুরাম গডসে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফার্স্ট সেক্রেটারি পলিটিক্যাল রাজেক ইউকে, ফার্স্ট সেক্রেটারি পলিটিক্যাল নবনীতা চক্রবর্তী, মিডিয়া অ্যাটাশে রঞ্জন মণ্ডলসহ হাইকমিশনের বিভিন্ন কর্মকর্তারা।