ঢাকা ১২:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মহাত্মা গান্ধী সারা বিশ্বের জন্য এক আলোকবর্তিকা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বলেছেন, শুধু ভারত নয়, বিশ্বের আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় মহাত্মা গান্ধীর (মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী) আদর্শ, জীবন ও শিক্ষা অনুকরণীয়। তিনি আমাদের আদর্শ। তার অহিংস আন্দোলন, মানবতাবাদী দর্শন ও ধর্মীয় সহিষ্ণুতা শুধু বাংলাদেশে বা ভারতে নয়, সারা বিশ্বের জন্য এক আলোকবর্তিকা।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভারতীয় হাইকমিশনে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভারতীয় হাইকমিশনে মহাত্মা গান্ধীর ১৫০তম জন্মবার্ষিকী শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বাংলাদেশের নোয়াখালীতেও এসেছিলেন শান্তির বাণী নিয়ে, মানুষের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠিত করতে। মহাত্মা গান্ধীর অহিংস ও আপসহীন আন্দোলনে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও। আমরা মহাত্মা গান্ধীকে লালন করি। তার অহিংস ধারায় আমরা চলি। তার আদর্শময় জীবন মেনে চললে গোটা পৃথিবীতে শান্তি আসবে। মানুষের মঙ্গল হবে।

হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বলেন, মহাত্মা গান্ধী সব ধরনের কর্মসূচি পালন করেছেন শান্তিপূর্ণভাবে। তার মূল রাজনৈতিক দর্শন ছিল অহিংস আন্দোলন। তিনি সব ধর্মের প্রতি অন্তত শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। দেশের জন্য তার ত্যাগ ও ভালোবাসা, স্বাধীনতা ও উন্নয়নের জন্য আমৃত্যু সংগ্রাম ও সুদৃঢ় জাতীয়তাবাদ আমাদের মহান মানুষটিকে মহামানবে পরিণত করেছেন। তিনি নিজে চরকায় সুতা বুনে কাপড় তৈরি করে পড়তেন। তিনি মানবতার প্রতীক।

অনুষ্ঠানে মহাত্মা গান্ধীর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ৭টি ডাকটিকিট উন্মোচন করেন ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি হাইকমিশনার ড. আদর্শ সোয়াইকা, ও নোয়াখালী গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের সভাপতি স্বদেশ রায়। অনুষ্ঠানে নোয়াখালী গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের সভাপতি স্বদেশ রায়কে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

এছাড়া রাজধানীর তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তিনজন করে মোট ৯ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কার ও সার্টিফিকেট প্রদান করেন। অনুষ্ঠান শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যাসহ অন্যান্য শিল্পীরা সঙ্গীত পরিবেশন করেন।

১৮৪৮ সালের ৩০ জানুয়ারি নয়াদিল্লিতে রাত্রিকালীন পথসভা করার সময় মহাত্মা গান্ধীকে গুলি করে হত্যা করেন হিন্দু মৌলবাদী নাথুরাম গডসে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফার্স্ট সেক্রেটারি পলিটিক্যাল রাজেক ইউকে, ফার্স্ট সেক্রেটারি পলিটিক্যাল নবনীতা চক্রবর্তী, মিডিয়া অ্যাটাশে রঞ্জন মণ্ডলসহ হাইকমিশনের বিভিন্ন কর্মকর্তারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

মহাত্মা গান্ধী সারা বিশ্বের জন্য এক আলোকবর্তিকা

আপডেট সময় ১০:৪০:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বলেছেন, শুধু ভারত নয়, বিশ্বের আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় মহাত্মা গান্ধীর (মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী) আদর্শ, জীবন ও শিক্ষা অনুকরণীয়। তিনি আমাদের আদর্শ। তার অহিংস আন্দোলন, মানবতাবাদী দর্শন ও ধর্মীয় সহিষ্ণুতা শুধু বাংলাদেশে বা ভারতে নয়, সারা বিশ্বের জন্য এক আলোকবর্তিকা।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভারতীয় হাইকমিশনে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভারতীয় হাইকমিশনে মহাত্মা গান্ধীর ১৫০তম জন্মবার্ষিকী শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বাংলাদেশের নোয়াখালীতেও এসেছিলেন শান্তির বাণী নিয়ে, মানুষের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠিত করতে। মহাত্মা গান্ধীর অহিংস ও আপসহীন আন্দোলনে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও। আমরা মহাত্মা গান্ধীকে লালন করি। তার অহিংস ধারায় আমরা চলি। তার আদর্শময় জীবন মেনে চললে গোটা পৃথিবীতে শান্তি আসবে। মানুষের মঙ্গল হবে।

হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বলেন, মহাত্মা গান্ধী সব ধরনের কর্মসূচি পালন করেছেন শান্তিপূর্ণভাবে। তার মূল রাজনৈতিক দর্শন ছিল অহিংস আন্দোলন। তিনি সব ধর্মের প্রতি অন্তত শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। দেশের জন্য তার ত্যাগ ও ভালোবাসা, স্বাধীনতা ও উন্নয়নের জন্য আমৃত্যু সংগ্রাম ও সুদৃঢ় জাতীয়তাবাদ আমাদের মহান মানুষটিকে মহামানবে পরিণত করেছেন। তিনি নিজে চরকায় সুতা বুনে কাপড় তৈরি করে পড়তেন। তিনি মানবতার প্রতীক।

অনুষ্ঠানে মহাত্মা গান্ধীর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ৭টি ডাকটিকিট উন্মোচন করেন ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি হাইকমিশনার ড. আদর্শ সোয়াইকা, ও নোয়াখালী গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের সভাপতি স্বদেশ রায়। অনুষ্ঠানে নোয়াখালী গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের সভাপতি স্বদেশ রায়কে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

এছাড়া রাজধানীর তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তিনজন করে মোট ৯ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কার ও সার্টিফিকেট প্রদান করেন। অনুষ্ঠান শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যাসহ অন্যান্য শিল্পীরা সঙ্গীত পরিবেশন করেন।

১৮৪৮ সালের ৩০ জানুয়ারি নয়াদিল্লিতে রাত্রিকালীন পথসভা করার সময় মহাত্মা গান্ধীকে গুলি করে হত্যা করেন হিন্দু মৌলবাদী নাথুরাম গডসে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফার্স্ট সেক্রেটারি পলিটিক্যাল রাজেক ইউকে, ফার্স্ট সেক্রেটারি পলিটিক্যাল নবনীতা চক্রবর্তী, মিডিয়া অ্যাটাশে রঞ্জন মণ্ডলসহ হাইকমিশনের বিভিন্ন কর্মকর্তারা।