ঢাকা ০৬:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশ গড়ার ক্ষেত্রে শ্রমিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : মঈন খান মোস্তাফিজকে বাদ দিয়ে বিশ্বকাপ দল গঠনের সুপারিশ আইসিসির আমরা মা-বোনদের নিরাপত্তার ব্যাপারে অত্যন্ত এটেন্টিভ : ডা. শফিকুর রহমান আন্তর্জাতিক আদালতে সাক্ষ্য দিতে যাচ্ছেন তিন রোহিঙ্গা নির্বাচনে ৫ লাখ ৫৫ হাজার আনসার-ভিডিপি দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে গুলি ছুড়ে যুবককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ ইরানি কর্তৃপক্ষকে ‘সর্বোচ্চ সংযম’ প্রদর্শনের আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের দাঁড়িপাল্লার পক্ষে না থাকলে মাহফিল শোনার দরকার নেই :জামায়াতের আমির মো. মিজানুর রহমান বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুনের ঘটনায় রেস্তোরাঁ কর্মী মিলন গ্রেপ্তার নির্বাচন সামনে রেখে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সরকার ব্যর্থ : মির্জা ফখরুল

যেভাবে বুঝবেন সন্তান মোবাইল ফোনে আসক্ত

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

প্রযুক্তির যুগে কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণীদের সবচেয়ে বড় আসক্তি হলো কম্পিউটার-স্মার্টফোন-অনলাইন-ইন্টারনেট। কিন্তু তা থেকে বাঁচারও উপায় আছে৷

কিন্তু কম্পিউটার-স্মার্টফোন-অনলাইন-ইন্টারনেটে আসক্তি মোটেও ভালো নয়। এটি আপনার সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে। তাই সন্তানকে মোবাইলের আসক্তি থেকে বাঁচাতে আপনাকে সচেতন হতে হবে।

যেভাবে বুঝবেন সন্তান মোবাইল ফোনে আসক্ত –

ব্যাটারির চার্জ ফুরালেই আতঙ্ক :

যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা কিছু মানুষের মধ্যে স্মার্টফোনের আসক্তির এমন তীব্রতা লক্ষ্য করেছেন যা রীতিমতো বিস্ময়কর৷ আপনি খেয়াল করলে দেখবেন আপনার সন্তান মোবাইলের চার্জ শেষ হয়ে যাচ্ছে দেখলেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। যেন মোবাইল বন্ধ হয়ে গেলে জীবনই অচল৷ এটা আসক্তি।

ইন্টারনেটনির্ভর :

সন্তান ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়া এক মুহূর্তও থাকতে নারাজ৷ স্মার্টফোনের ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে জানলেই ওয়াইফাই জোনে যাওয়ার জন্য তারা হা-হুতাশ শুরু করেন৷ এমন সবারও মোবাইল আসক্তি বাড়তে বাড়তে ‘নোমোফোবিয়া’-র সীমা ছুঁয়েছে বলে ধরে নেয়া যায়৷

ইন্টারনেট থাকতেই হবে?

কোথাও বেড়াতে যাওয়ার আগে সবার আগে কী কী জানতে চান? ‘‘ওখানে ইন্টারনেট আছে?-’’এই প্রশ্ন করেন? যদি মনে হয়, যেখানে ইন্টারনেট সংযোগ নেই সেখানে বেড়াতে যাওয়া একদম উচিত নয়, তাহলে ‘নোমোফোবিয়া’ আপনার সন্তানকে গ্রাস করছে৷

স্ট্যাটাস’ না দিতে পারলে হতাশ :

ফেসবুক বা সামাজিক যোগাযোগের অন্যান্য মাধ্যমে প্রতিদিন ‘স্ট্যাটাস’ না লিখলেও একদমই চলে না৷ মনে হয়, খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা কাজ করা হয়নি৷ এমন হওয়াটাও খারাপ কথা, তখন বুঝতে হবে ‘নোমোফোবিয়া’ আপনার সন্তানকে পেয়েছে৷

আরেক সর্বনাশ :

ফোন বা এসএমএস আসছেন না আপনারা সন্তানের কাছে। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতেও খুব অসহায়বোধ করে। তাহলে কিন্তু চিন্তার বিষয়।

রিচার্জ করাতে পারেননি :

প্রিপেইড সিম ব্যবহার করেন এমন অনেকে ফোনের ‘ক্রেডিট’ শেষ হলে, অর্থাৎ ফোন বা এসএমএস করার উপায় না থাকলেই মহা দুশ্চিন্তায় পড়ে যায় কিশোর-কিশোরীরা৷ তখন মনে রাখতে হবে, মোবাইল ফোন ছাড়া একসময় পৃথিবীর সবারই জীবন চলতে, এ যুগেও কয়েক ঘণ্টা বা কয়েকটা দিন নিশ্চয়ই চলবে৷

ঘুমের সময় :

স্মার্টফোনে মানুষ এতটাই নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে যে কারো কারো রাতে মোবাইল ফোনে একটা হাত না রাখলে ঠিকমতো ঘুমই হয় না৷ এটা নোমোফোবিয়ার চূড়ান্ত লক্ষণ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশ গড়ার ক্ষেত্রে শ্রমিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : মঈন খান

যেভাবে বুঝবেন সন্তান মোবাইল ফোনে আসক্ত

আপডেট সময় ১২:০৭:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

প্রযুক্তির যুগে কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণীদের সবচেয়ে বড় আসক্তি হলো কম্পিউটার-স্মার্টফোন-অনলাইন-ইন্টারনেট। কিন্তু তা থেকে বাঁচারও উপায় আছে৷

কিন্তু কম্পিউটার-স্মার্টফোন-অনলাইন-ইন্টারনেটে আসক্তি মোটেও ভালো নয়। এটি আপনার সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে। তাই সন্তানকে মোবাইলের আসক্তি থেকে বাঁচাতে আপনাকে সচেতন হতে হবে।

যেভাবে বুঝবেন সন্তান মোবাইল ফোনে আসক্ত –

ব্যাটারির চার্জ ফুরালেই আতঙ্ক :

যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা কিছু মানুষের মধ্যে স্মার্টফোনের আসক্তির এমন তীব্রতা লক্ষ্য করেছেন যা রীতিমতো বিস্ময়কর৷ আপনি খেয়াল করলে দেখবেন আপনার সন্তান মোবাইলের চার্জ শেষ হয়ে যাচ্ছে দেখলেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। যেন মোবাইল বন্ধ হয়ে গেলে জীবনই অচল৷ এটা আসক্তি।

ইন্টারনেটনির্ভর :

সন্তান ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়া এক মুহূর্তও থাকতে নারাজ৷ স্মার্টফোনের ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে জানলেই ওয়াইফাই জোনে যাওয়ার জন্য তারা হা-হুতাশ শুরু করেন৷ এমন সবারও মোবাইল আসক্তি বাড়তে বাড়তে ‘নোমোফোবিয়া’-র সীমা ছুঁয়েছে বলে ধরে নেয়া যায়৷

ইন্টারনেট থাকতেই হবে?

কোথাও বেড়াতে যাওয়ার আগে সবার আগে কী কী জানতে চান? ‘‘ওখানে ইন্টারনেট আছে?-’’এই প্রশ্ন করেন? যদি মনে হয়, যেখানে ইন্টারনেট সংযোগ নেই সেখানে বেড়াতে যাওয়া একদম উচিত নয়, তাহলে ‘নোমোফোবিয়া’ আপনার সন্তানকে গ্রাস করছে৷

স্ট্যাটাস’ না দিতে পারলে হতাশ :

ফেসবুক বা সামাজিক যোগাযোগের অন্যান্য মাধ্যমে প্রতিদিন ‘স্ট্যাটাস’ না লিখলেও একদমই চলে না৷ মনে হয়, খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা কাজ করা হয়নি৷ এমন হওয়াটাও খারাপ কথা, তখন বুঝতে হবে ‘নোমোফোবিয়া’ আপনার সন্তানকে পেয়েছে৷

আরেক সর্বনাশ :

ফোন বা এসএমএস আসছেন না আপনারা সন্তানের কাছে। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতেও খুব অসহায়বোধ করে। তাহলে কিন্তু চিন্তার বিষয়।

রিচার্জ করাতে পারেননি :

প্রিপেইড সিম ব্যবহার করেন এমন অনেকে ফোনের ‘ক্রেডিট’ শেষ হলে, অর্থাৎ ফোন বা এসএমএস করার উপায় না থাকলেই মহা দুশ্চিন্তায় পড়ে যায় কিশোর-কিশোরীরা৷ তখন মনে রাখতে হবে, মোবাইল ফোন ছাড়া একসময় পৃথিবীর সবারই জীবন চলতে, এ যুগেও কয়েক ঘণ্টা বা কয়েকটা দিন নিশ্চয়ই চলবে৷

ঘুমের সময় :

স্মার্টফোনে মানুষ এতটাই নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে যে কারো কারো রাতে মোবাইল ফোনে একটা হাত না রাখলে ঠিকমতো ঘুমই হয় না৷ এটা নোমোফোবিয়ার চূড়ান্ত লক্ষণ।