ঢাকা ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

যেভাবে বুঝবেন সন্তান মোবাইল ফোনে আসক্ত

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

প্রযুক্তির যুগে কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণীদের সবচেয়ে বড় আসক্তি হলো কম্পিউটার-স্মার্টফোন-অনলাইন-ইন্টারনেট। কিন্তু তা থেকে বাঁচারও উপায় আছে৷

কিন্তু কম্পিউটার-স্মার্টফোন-অনলাইন-ইন্টারনেটে আসক্তি মোটেও ভালো নয়। এটি আপনার সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে। তাই সন্তানকে মোবাইলের আসক্তি থেকে বাঁচাতে আপনাকে সচেতন হতে হবে।

যেভাবে বুঝবেন সন্তান মোবাইল ফোনে আসক্ত –

ব্যাটারির চার্জ ফুরালেই আতঙ্ক :

যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা কিছু মানুষের মধ্যে স্মার্টফোনের আসক্তির এমন তীব্রতা লক্ষ্য করেছেন যা রীতিমতো বিস্ময়কর৷ আপনি খেয়াল করলে দেখবেন আপনার সন্তান মোবাইলের চার্জ শেষ হয়ে যাচ্ছে দেখলেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। যেন মোবাইল বন্ধ হয়ে গেলে জীবনই অচল৷ এটা আসক্তি।

ইন্টারনেটনির্ভর :

সন্তান ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়া এক মুহূর্তও থাকতে নারাজ৷ স্মার্টফোনের ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে জানলেই ওয়াইফাই জোনে যাওয়ার জন্য তারা হা-হুতাশ শুরু করেন৷ এমন সবারও মোবাইল আসক্তি বাড়তে বাড়তে ‘নোমোফোবিয়া’-র সীমা ছুঁয়েছে বলে ধরে নেয়া যায়৷

ইন্টারনেট থাকতেই হবে?

কোথাও বেড়াতে যাওয়ার আগে সবার আগে কী কী জানতে চান? ‘‘ওখানে ইন্টারনেট আছে?-’’এই প্রশ্ন করেন? যদি মনে হয়, যেখানে ইন্টারনেট সংযোগ নেই সেখানে বেড়াতে যাওয়া একদম উচিত নয়, তাহলে ‘নোমোফোবিয়া’ আপনার সন্তানকে গ্রাস করছে৷

স্ট্যাটাস’ না দিতে পারলে হতাশ :

ফেসবুক বা সামাজিক যোগাযোগের অন্যান্য মাধ্যমে প্রতিদিন ‘স্ট্যাটাস’ না লিখলেও একদমই চলে না৷ মনে হয়, খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা কাজ করা হয়নি৷ এমন হওয়াটাও খারাপ কথা, তখন বুঝতে হবে ‘নোমোফোবিয়া’ আপনার সন্তানকে পেয়েছে৷

আরেক সর্বনাশ :

ফোন বা এসএমএস আসছেন না আপনারা সন্তানের কাছে। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতেও খুব অসহায়বোধ করে। তাহলে কিন্তু চিন্তার বিষয়।

রিচার্জ করাতে পারেননি :

প্রিপেইড সিম ব্যবহার করেন এমন অনেকে ফোনের ‘ক্রেডিট’ শেষ হলে, অর্থাৎ ফোন বা এসএমএস করার উপায় না থাকলেই মহা দুশ্চিন্তায় পড়ে যায় কিশোর-কিশোরীরা৷ তখন মনে রাখতে হবে, মোবাইল ফোন ছাড়া একসময় পৃথিবীর সবারই জীবন চলতে, এ যুগেও কয়েক ঘণ্টা বা কয়েকটা দিন নিশ্চয়ই চলবে৷

ঘুমের সময় :

স্মার্টফোনে মানুষ এতটাই নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে যে কারো কারো রাতে মোবাইল ফোনে একটা হাত না রাখলে ঠিকমতো ঘুমই হয় না৷ এটা নোমোফোবিয়ার চূড়ান্ত লক্ষণ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

যেভাবে বুঝবেন সন্তান মোবাইল ফোনে আসক্ত

আপডেট সময় ১২:০৭:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

প্রযুক্তির যুগে কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণীদের সবচেয়ে বড় আসক্তি হলো কম্পিউটার-স্মার্টফোন-অনলাইন-ইন্টারনেট। কিন্তু তা থেকে বাঁচারও উপায় আছে৷

কিন্তু কম্পিউটার-স্মার্টফোন-অনলাইন-ইন্টারনেটে আসক্তি মোটেও ভালো নয়। এটি আপনার সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে। তাই সন্তানকে মোবাইলের আসক্তি থেকে বাঁচাতে আপনাকে সচেতন হতে হবে।

যেভাবে বুঝবেন সন্তান মোবাইল ফোনে আসক্ত –

ব্যাটারির চার্জ ফুরালেই আতঙ্ক :

যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা কিছু মানুষের মধ্যে স্মার্টফোনের আসক্তির এমন তীব্রতা লক্ষ্য করেছেন যা রীতিমতো বিস্ময়কর৷ আপনি খেয়াল করলে দেখবেন আপনার সন্তান মোবাইলের চার্জ শেষ হয়ে যাচ্ছে দেখলেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। যেন মোবাইল বন্ধ হয়ে গেলে জীবনই অচল৷ এটা আসক্তি।

ইন্টারনেটনির্ভর :

সন্তান ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়া এক মুহূর্তও থাকতে নারাজ৷ স্মার্টফোনের ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে জানলেই ওয়াইফাই জোনে যাওয়ার জন্য তারা হা-হুতাশ শুরু করেন৷ এমন সবারও মোবাইল আসক্তি বাড়তে বাড়তে ‘নোমোফোবিয়া’-র সীমা ছুঁয়েছে বলে ধরে নেয়া যায়৷

ইন্টারনেট থাকতেই হবে?

কোথাও বেড়াতে যাওয়ার আগে সবার আগে কী কী জানতে চান? ‘‘ওখানে ইন্টারনেট আছে?-’’এই প্রশ্ন করেন? যদি মনে হয়, যেখানে ইন্টারনেট সংযোগ নেই সেখানে বেড়াতে যাওয়া একদম উচিত নয়, তাহলে ‘নোমোফোবিয়া’ আপনার সন্তানকে গ্রাস করছে৷

স্ট্যাটাস’ না দিতে পারলে হতাশ :

ফেসবুক বা সামাজিক যোগাযোগের অন্যান্য মাধ্যমে প্রতিদিন ‘স্ট্যাটাস’ না লিখলেও একদমই চলে না৷ মনে হয়, খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা কাজ করা হয়নি৷ এমন হওয়াটাও খারাপ কথা, তখন বুঝতে হবে ‘নোমোফোবিয়া’ আপনার সন্তানকে পেয়েছে৷

আরেক সর্বনাশ :

ফোন বা এসএমএস আসছেন না আপনারা সন্তানের কাছে। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতেও খুব অসহায়বোধ করে। তাহলে কিন্তু চিন্তার বিষয়।

রিচার্জ করাতে পারেননি :

প্রিপেইড সিম ব্যবহার করেন এমন অনেকে ফোনের ‘ক্রেডিট’ শেষ হলে, অর্থাৎ ফোন বা এসএমএস করার উপায় না থাকলেই মহা দুশ্চিন্তায় পড়ে যায় কিশোর-কিশোরীরা৷ তখন মনে রাখতে হবে, মোবাইল ফোন ছাড়া একসময় পৃথিবীর সবারই জীবন চলতে, এ যুগেও কয়েক ঘণ্টা বা কয়েকটা দিন নিশ্চয়ই চলবে৷

ঘুমের সময় :

স্মার্টফোনে মানুষ এতটাই নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে যে কারো কারো রাতে মোবাইল ফোনে একটা হাত না রাখলে ঠিকমতো ঘুমই হয় না৷ এটা নোমোফোবিয়ার চূড়ান্ত লক্ষণ।