ঢাকা ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

শিশুর হাতে স্মার্টফোন, ডেকে আনছে ভয়াবহ বিপদ!

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে যে প্রযুক্তিগুলো ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে তার মধ্যে স্মার্টফোন অন্যতম। এটি যেমন দরকারি, তেমনি এর প্রতি আসক্তি আপনার সন্তানকে নানা বিপদে ফেলতে পারে। তাই শিশুর হাতে স্মার্টফোন দেবেন না।

স্মার্টফোনের আপনার সন্তানের জীবন যাপনের প্রতি ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। আসুন জেনে নেই কেন শিশুর হাতে স্মার্টফোন দেবেন না।

আচরণগত সমস্যা​ :

খুব বেশি কম্পিউটার ও মোবাইল ব্যবহারের ফলে শিশুদের মধ্যে আচরণগত সমস্যা দেখা দেয়। আপনার শিশুকে আচরণগত সমস্যার ঝুঁকি থেকে দূরে রাখতে চাইলে ওর হাতে স্মার্টফোন দেবেন না!

ছোট বয়সে মোবাইল​ :

অনেক মা-বাবা শিশুকে ব্যস্ত বা শান্ত রাখতে হাতে মোবাইল দিয়ে রাখেন। নিজেদের সুবিধা বা আরামের ফল পরবর্তীতে ভয়ঙ্কর হতে পারে। বিশেষ করে একেবারে ছোট বয়সে মোবাইল হাতে দিলে শঙ্কাটা বেশি৷

নিজেরাই পরীক্ষা করুন :

যে শিশু নিয়মিত মোবাইল ব্যবহার করে, তাকে কয়েকদিন মোবাইল থেকে দূরে রাখুন৷। তার আচরণের পরিবর্তনটুকু নিজেরাই বুঝতে পারবেন।

বয়স যখন সাত :

তবে ৭ বছর বয়সের শিশুদের দিনে আধ ঘণ্টা মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, টিভি বা ট্যাবলেট ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

বই পড়ার উপকার :

একটি শিশু যখন একটি বই পড়ে বা ছবির বই দেখে, তখন কিন্তু সে নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারে কখন সে বইয়ের পাতা উল্টাবে। অর্থাৎ, শিশুটি তখন তার নিজের গতিতে চলতে পারে। ফলে তাকে তাড়াহুড়ো করতে হয় না।

বাইরে খেলতে দিন :

শিশুরা মুক্ত বাতাসে খেলাধুলা করে যে প্রচুর আনন্দ পায়। একটি শিশুর শারীরিক ও মানসিকভাবে ফিট থাকার জন্য মুক্ত হাওয়া যেমন প্রযোজন, তেমনি প্রয়োজন মুক্ত পরিবেশ। তবেই সে একজন পরিপূর্ণ মানুষ হয়ে উঠতে পারে৷

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

শিশুর হাতে স্মার্টফোন, ডেকে আনছে ভয়াবহ বিপদ!

আপডেট সময় ১১:৫৮:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে যে প্রযুক্তিগুলো ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে তার মধ্যে স্মার্টফোন অন্যতম। এটি যেমন দরকারি, তেমনি এর প্রতি আসক্তি আপনার সন্তানকে নানা বিপদে ফেলতে পারে। তাই শিশুর হাতে স্মার্টফোন দেবেন না।

স্মার্টফোনের আপনার সন্তানের জীবন যাপনের প্রতি ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। আসুন জেনে নেই কেন শিশুর হাতে স্মার্টফোন দেবেন না।

আচরণগত সমস্যা​ :

খুব বেশি কম্পিউটার ও মোবাইল ব্যবহারের ফলে শিশুদের মধ্যে আচরণগত সমস্যা দেখা দেয়। আপনার শিশুকে আচরণগত সমস্যার ঝুঁকি থেকে দূরে রাখতে চাইলে ওর হাতে স্মার্টফোন দেবেন না!

ছোট বয়সে মোবাইল​ :

অনেক মা-বাবা শিশুকে ব্যস্ত বা শান্ত রাখতে হাতে মোবাইল দিয়ে রাখেন। নিজেদের সুবিধা বা আরামের ফল পরবর্তীতে ভয়ঙ্কর হতে পারে। বিশেষ করে একেবারে ছোট বয়সে মোবাইল হাতে দিলে শঙ্কাটা বেশি৷

নিজেরাই পরীক্ষা করুন :

যে শিশু নিয়মিত মোবাইল ব্যবহার করে, তাকে কয়েকদিন মোবাইল থেকে দূরে রাখুন৷। তার আচরণের পরিবর্তনটুকু নিজেরাই বুঝতে পারবেন।

বয়স যখন সাত :

তবে ৭ বছর বয়সের শিশুদের দিনে আধ ঘণ্টা মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, টিভি বা ট্যাবলেট ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

বই পড়ার উপকার :

একটি শিশু যখন একটি বই পড়ে বা ছবির বই দেখে, তখন কিন্তু সে নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারে কখন সে বইয়ের পাতা উল্টাবে। অর্থাৎ, শিশুটি তখন তার নিজের গতিতে চলতে পারে। ফলে তাকে তাড়াহুড়ো করতে হয় না।

বাইরে খেলতে দিন :

শিশুরা মুক্ত বাতাসে খেলাধুলা করে যে প্রচুর আনন্দ পায়। একটি শিশুর শারীরিক ও মানসিকভাবে ফিট থাকার জন্য মুক্ত হাওয়া যেমন প্রযোজন, তেমনি প্রয়োজন মুক্ত পরিবেশ। তবেই সে একজন পরিপূর্ণ মানুষ হয়ে উঠতে পারে৷