ঢাকা ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

মানবিক বিবেচনায় ১৪২ কয়েদির মুক্তি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বিভিন্ন মামলার ১৪২ জন কয়েদি মুক্তি পেয়েছেন। এরা লঘু অপরাধে কারাভোগ করছিলেন। রবিবার রাতে তাদের কারাগার থেকে মুক্তি দেয়া হয় বলে জানিয়েছেন সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার আব্দুল জলিল।

কারা সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি বিশেষ মানবিক উদ্যোগ অনুসারে- যারা ছোটখাটো তথা লঘু অপরাধ করে কারাগারে আছেন, তারা যদি দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চান ও ভালো পথে চলার অঙ্গিকার করেন, তবে মানবিক দিক বিবেচনা করে তাদের যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় মুক্তি দেয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। এই উদ্যোগের প্রথম বাস্তবায়ন ঘটল সিলেটে।

লঘু অপরাধে অভিযুক্ত বিভিন্ন মামলার ১৪২ জন আসামিকে রবিবার সিলেট মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত, সিলেট জেলা দায়রা জজ আদালতসহ বিভিন্ন আদালতে হাজির করা হয়। এসব আসামি মেট্রো আইনে, চুরি, ছিনতাই, পতিতাবৃত্তি প্রভৃতি অপরাধে অভিযুক্ত ছিলেন। আদালতে এসব আসামি নিজেদের দোষ স্বীকার করেন। তারা ভবিষ্যতে সঠিক পথে চলার অঙ্গিকার করেন। আদালত মানবিক দিক বিবেচনা করে সকল আসামির জামিন মঞ্জুর করেন। কিছু আসামির সাজার মেয়াদ পেরিয়ে যাওয়ায় তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেন।

বিশেষ উদ্যোগের বাস্তবায়ন হিসেবে এসব কয়েদির মুক্তি পাওয়ার আগে সিলেট কারাগার পরিদর্শন করেন স্বরাষ্ট্র সচিব (সুরক্ষা ও সেবা) ফরিদ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী ও আইন সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হক।

সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার আব্দুল জলিল জানান, ‘এই ১৪২ আসামি আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থন করলে আদালত তাদেরকে জামিন দেন। অনেকে মামলা থেকেও অব্যাহতি পেয়েছেন। দেশে এই প্রথম কোন কারাগারের এতোজন আসামি একসাথে জামিন লাভ করলেন।

তিনি বলেন, কারাগারে অতিরিক্ত বন্দির চাপ কমাতে নেয়া এ উদ্যোগে বলেন তিনি।

আগামীতেও এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

মানবিক বিবেচনায় ১৪২ কয়েদির মুক্তি

আপডেট সময় ০১:৩৫:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বিভিন্ন মামলার ১৪২ জন কয়েদি মুক্তি পেয়েছেন। এরা লঘু অপরাধে কারাভোগ করছিলেন। রবিবার রাতে তাদের কারাগার থেকে মুক্তি দেয়া হয় বলে জানিয়েছেন সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার আব্দুল জলিল।

কারা সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি বিশেষ মানবিক উদ্যোগ অনুসারে- যারা ছোটখাটো তথা লঘু অপরাধ করে কারাগারে আছেন, তারা যদি দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চান ও ভালো পথে চলার অঙ্গিকার করেন, তবে মানবিক দিক বিবেচনা করে তাদের যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় মুক্তি দেয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। এই উদ্যোগের প্রথম বাস্তবায়ন ঘটল সিলেটে।

লঘু অপরাধে অভিযুক্ত বিভিন্ন মামলার ১৪২ জন আসামিকে রবিবার সিলেট মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত, সিলেট জেলা দায়রা জজ আদালতসহ বিভিন্ন আদালতে হাজির করা হয়। এসব আসামি মেট্রো আইনে, চুরি, ছিনতাই, পতিতাবৃত্তি প্রভৃতি অপরাধে অভিযুক্ত ছিলেন। আদালতে এসব আসামি নিজেদের দোষ স্বীকার করেন। তারা ভবিষ্যতে সঠিক পথে চলার অঙ্গিকার করেন। আদালত মানবিক দিক বিবেচনা করে সকল আসামির জামিন মঞ্জুর করেন। কিছু আসামির সাজার মেয়াদ পেরিয়ে যাওয়ায় তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেন।

বিশেষ উদ্যোগের বাস্তবায়ন হিসেবে এসব কয়েদির মুক্তি পাওয়ার আগে সিলেট কারাগার পরিদর্শন করেন স্বরাষ্ট্র সচিব (সুরক্ষা ও সেবা) ফরিদ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী ও আইন সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হক।

সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার আব্দুল জলিল জানান, ‘এই ১৪২ আসামি আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থন করলে আদালত তাদেরকে জামিন দেন। অনেকে মামলা থেকেও অব্যাহতি পেয়েছেন। দেশে এই প্রথম কোন কারাগারের এতোজন আসামি একসাথে জামিন লাভ করলেন।

তিনি বলেন, কারাগারে অতিরিক্ত বন্দির চাপ কমাতে নেয়া এ উদ্যোগে বলেন তিনি।

আগামীতেও এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।