ঢাকা ০৩:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার

আইসিবির ৫ কর্মকর্তাসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের ১৩ মামলা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শেয়ারবাজার কারসাজির মাধ্যমে ৬৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) পাঁচ কর্মকর্তাসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে ১৩টি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কশিমন (দুদক)।

সোমবার দুদকের সহকারী পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান বাদী হয়ে রমনা মডেল থানায় মামলাগুলো দায়ের করেন। ১৩ মামলার মধ্যে ১টি মামলা হয় ৩০ আগস্ট। ওই মামলায় ৩ কোটি ৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়। মামলা দায়েরের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আইসিবির দুই কর্মকর্তা ও আইএফআইসি ব্যাংকের এক কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করেছে দুদক। পরে তাদের জেলে পাঠানো হয়।

সোমবার যে ১২টি মামলা হয়েছে তার সবকটিতেই ৩০ আগস্ট গ্রেফতার হওয়া আইসিবির সাবেক উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) টিপু সুলতান ফারাজিসহ তিনজনের নাম রয়েছে। অপর দুজন হলেন- আইসিবির সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. এহিয়া মণ্ডল ও আইএফআইসি ব্যাংকের পল্লবী শাখার ব্যবস্থাপক মো. আবদুস সামাদ।

২০০৯, ২০১০ ও ২০১১ সালে শেয়ার কারসাজি করে প্রতারণার আশ্রয়ে আইসিবির কর্মকর্তাদের সহায়তায় ৬৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয় ১৫ আসামির বিরুদ্ধে।

গ্রেফতারকৃত তিন আসামি ছাড়াও মামলায় অপর যে ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে তারা হলেন- আইএফআইসি ব্যাংকের পল্লবী শাখার ব্যবস্থাপক মো. আবদুস সামাদের স্ত্রী নাসিমা আক্তার, আইসিবির গ্রাহক একেএম রেজাউল হক ও তার স্ত্রী পাপিয়া সুলতানা, গ্রাহক লাইলা নুর, একেএম আতিকুজ্জামান, কাজী মাহমুদুল হাসান, শেখ মেসবাহ উদ্দিন ও তার স্ত্রী সীমা আক্তার, মিসেস বুলবুল আক্তার, আইসিবির সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. শরিকুল আনাম, মো. শামসুল আলম আকন্দ ও সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার ধনঞ্জয় কুমার মজুমদার।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে ২০০৯, ২০১০ ও ২০১১ সালের শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির ৬৫ কোটি ৭ লাখ টাকা ৫৮ হাজার ৯ ০৭ টাকা আত্মসাৎসহ ও বিশ্বাসভঙ্গ করে দণ্ড বিধির ৪০৯, ৪২০, ১০৯ ও দুদক আইন ৫(২) ধারার অপরাধ করেছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘ সফর শেষে নিউইয়র্ক ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আইসিবির ৫ কর্মকর্তাসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের ১৩ মামলা

আপডেট সময় ০৭:৪৬:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শেয়ারবাজার কারসাজির মাধ্যমে ৬৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) পাঁচ কর্মকর্তাসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে ১৩টি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কশিমন (দুদক)।

সোমবার দুদকের সহকারী পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান বাদী হয়ে রমনা মডেল থানায় মামলাগুলো দায়ের করেন। ১৩ মামলার মধ্যে ১টি মামলা হয় ৩০ আগস্ট। ওই মামলায় ৩ কোটি ৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়। মামলা দায়েরের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আইসিবির দুই কর্মকর্তা ও আইএফআইসি ব্যাংকের এক কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করেছে দুদক। পরে তাদের জেলে পাঠানো হয়।

সোমবার যে ১২টি মামলা হয়েছে তার সবকটিতেই ৩০ আগস্ট গ্রেফতার হওয়া আইসিবির সাবেক উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) টিপু সুলতান ফারাজিসহ তিনজনের নাম রয়েছে। অপর দুজন হলেন- আইসিবির সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. এহিয়া মণ্ডল ও আইএফআইসি ব্যাংকের পল্লবী শাখার ব্যবস্থাপক মো. আবদুস সামাদ।

২০০৯, ২০১০ ও ২০১১ সালে শেয়ার কারসাজি করে প্রতারণার আশ্রয়ে আইসিবির কর্মকর্তাদের সহায়তায় ৬৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয় ১৫ আসামির বিরুদ্ধে।

গ্রেফতারকৃত তিন আসামি ছাড়াও মামলায় অপর যে ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে তারা হলেন- আইএফআইসি ব্যাংকের পল্লবী শাখার ব্যবস্থাপক মো. আবদুস সামাদের স্ত্রী নাসিমা আক্তার, আইসিবির গ্রাহক একেএম রেজাউল হক ও তার স্ত্রী পাপিয়া সুলতানা, গ্রাহক লাইলা নুর, একেএম আতিকুজ্জামান, কাজী মাহমুদুল হাসান, শেখ মেসবাহ উদ্দিন ও তার স্ত্রী সীমা আক্তার, মিসেস বুলবুল আক্তার, আইসিবির সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. শরিকুল আনাম, মো. শামসুল আলম আকন্দ ও সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার ধনঞ্জয় কুমার মজুমদার।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে ২০০৯, ২০১০ ও ২০১১ সালের শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির ৬৫ কোটি ৭ লাখ টাকা ৫৮ হাজার ৯ ০৭ টাকা আত্মসাৎসহ ও বিশ্বাসভঙ্গ করে দণ্ড বিধির ৪০৯, ৪২০, ১০৯ ও দুদক আইন ৫(২) ধারার অপরাধ করেছেন।