ঢাকা ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ

৭৫ শিশু যোদ্ধাকে মুক্তি দিলো মিয়ানমার

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ৭৫ শিশু যোদ্ধাকে মুক্তি দিয়েছে। জাতিসংঘের একটি সংস্থা একথা জানিয়েছে। কয়েক দশক ধরে চলা জোরপূর্বক শিশুযোদ্ধা নিয়োগের ক্রমিক অবসান প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে চলতি বছর প্রথম দফায় এদের মুক্তি দেয়া হল।

এখন মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী বা সীমান্তে লড়াইরত জাতিগত বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে ঠিক কতজন শিশু যোদ্ধা রয়েছে তার সুনির্দিষ্ট সংখ্যা জানা নেই।

শুক্রবার জাতিসংঘের শিশু সুরক্ষা সংস্থা ইউনিসেফ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০১২ সালে জাতিসংঘের সঙ্গে চুক্তির পর থেকে মিয়ানমারের সরকারি বাহিনী ৯২৪ শিশু ও কিশোরকে মুক্তি দিয়েছে। মুক্তিপ্রাপ্ত শিশু যোদ্ধাদের বেসামরিক জীবনে মূলধারার সাথে যুক্ত হওয়ার কর্মসূচিতে যোগ দিতে হবে।

জাতিসংঘের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রক্রিয়াটি মিয়ানমারে শান্তি বজায় রাখতে বড় ধরনের অবদান রাখবে। তবে বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, সেনাবাহিনী ও জাতিগত সশস্ত্র সংগঠনগুলো মিয়ানমারে অব্যহতভাবে লড়াই করেই চলেছে। এই পরিস্থিতিতে শিশুযোদ্ধা পুর্নর্নিয়োগের বিষয়টি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

শিশুদের প্রায়ই জনসম্মুখ থেকে অপহরণ করা হয়। তারা সশস্ত্র বাহিনীতে যোগ দিতে অস্বীকার করলে তাদের জেলে পাঠানোর ভয় দেখানো হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হার্ট অ্যাটাকে হাসপাতালে ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’-এর রইছখ্যাত বিজয়

৭৫ শিশু যোদ্ধাকে মুক্তি দিলো মিয়ানমার

আপডেট সময় ০৪:১৬:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ৭৫ শিশু যোদ্ধাকে মুক্তি দিয়েছে। জাতিসংঘের একটি সংস্থা একথা জানিয়েছে। কয়েক দশক ধরে চলা জোরপূর্বক শিশুযোদ্ধা নিয়োগের ক্রমিক অবসান প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে চলতি বছর প্রথম দফায় এদের মুক্তি দেয়া হল।

এখন মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী বা সীমান্তে লড়াইরত জাতিগত বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে ঠিক কতজন শিশু যোদ্ধা রয়েছে তার সুনির্দিষ্ট সংখ্যা জানা নেই।

শুক্রবার জাতিসংঘের শিশু সুরক্ষা সংস্থা ইউনিসেফ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০১২ সালে জাতিসংঘের সঙ্গে চুক্তির পর থেকে মিয়ানমারের সরকারি বাহিনী ৯২৪ শিশু ও কিশোরকে মুক্তি দিয়েছে। মুক্তিপ্রাপ্ত শিশু যোদ্ধাদের বেসামরিক জীবনে মূলধারার সাথে যুক্ত হওয়ার কর্মসূচিতে যোগ দিতে হবে।

জাতিসংঘের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রক্রিয়াটি মিয়ানমারে শান্তি বজায় রাখতে বড় ধরনের অবদান রাখবে। তবে বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, সেনাবাহিনী ও জাতিগত সশস্ত্র সংগঠনগুলো মিয়ানমারে অব্যহতভাবে লড়াই করেই চলেছে। এই পরিস্থিতিতে শিশুযোদ্ধা পুর্নর্নিয়োগের বিষয়টি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

শিশুদের প্রায়ই জনসম্মুখ থেকে অপহরণ করা হয়। তারা সশস্ত্র বাহিনীতে যোগ দিতে অস্বীকার করলে তাদের জেলে পাঠানোর ভয় দেখানো হয়।